হযরত আলী (আ)'র শাহাদাত বার্ষিকীতে নাজাফে এসেছিলেন ৩০ লাখ অনুরাগী
https://parstoday.ir/bn/news/world-i40706-হযরত_আলী_(আ)'র_শাহাদাত_বার্ষিকীতে_নাজাফে_এসেছিলেন_৩০_লাখ_অনুরাগী
আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী (আ)’র বেদনাবিধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ইরাকে এই মহাপুরুষের পবিত্র মাজারের শহর নাজাফে এসেছিলেন অন্তত ত্রিশ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান।
(last modified 2026-04-22T13:03:21+00:00 )
জুন ২২, ২০১৭ ১৫:৩৩ Asia/Dhaka
  • হযরত আলী (আ)'র শাহাদাত বার্ষিকীতে নাজাফে এসেছিলেন ৩০ লাখ অনুরাগী

আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী (আ)’র বেদনাবিধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ইরাকে এই মহাপুরুষের পবিত্র মাজারের শহর নাজাফে এসেছিলেন অন্তত ত্রিশ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান।

তাকফিরি সন্ত্রাসীদের হামলার আশঙ্কা সত্ত্বেও বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের সঙ্গে ইরাকিরাও পালন করেন আমিরুল মু’মিনের শাহাদাত-বার্ষিকী। 

গত ২১ রমজান ছিল হযরত আলী (আ)’ শাহাদাত-বার্ষিকী। মুসলমানদের অনেকেই এই রাত ও ১৯ রমজানের রাতকে শবে কদর বলেও মনে করেন। ৪০ হিজরির ১৯ রমজান ভোররাতে এক কুলাঙ্গার খারেজি তথা ধর্মত্যাগীর বিষ-মাখানো তরবারির আঘাতে কুফার মসজিদে নামাজে সিজদারত হযরত আলী (আ) আহত হয়েছিলেন মারাত্মকভাবে। আর এ আঘাতের কারণেই এক দিন পর শাহাদাত বরণ করেছিলেন তিনি। 

ইরাকের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শোক অনুষ্ঠান ও শবে কদরের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরাকের নানা শহরসহ বিশ্বের বহু অঞ্চল থেকে পবিত্র নাজাফ প্রদেশে আসেন ত্রিশ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান। 

নিরাপত্তা বজায় রাখতে সক্রিয় ছিল ইরাকি নিরাপত্তা বিভাগের ২২ হাজার সেনা। এ ছাড়া ইরাকি বিমান বাহিনীর অকাশযানের টহলও ছিল লক্ষণীয়। নানা ধরনের কড়া নিরাপত্তার কারণে কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেনি।#    

পার্সটুডে/মু.আ.হুসাইন/২২