মেয়র নাছিরের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে সরকার
পাঠক! আমাদের নিয়মিত অনুষ্ঠান কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আজ ১১ আগস্ট বৃহষ্পতিবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকের বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ঢাকার দৈনিকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম:
ছয় উপজেলায় শতভাগ বাড়িতে বিদ্যুৎ-প্রথম আলো
রিজভীসহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা-ইত্তেফাক
মেয়র নাছিরের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে সরকার-যুগান্তর
তৃণমূল আওয়ামী লীগে খুনোখুনি-বাংলাদেশ প্রতিদিন
কোলকাতার দৈনিকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম:
সরকারি হাসপাতালেও ঘুষের ‘আবদার’, বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু শিশুর-আনন্দবাজার
মানসের পিএসি পদ নিয়ে জট অব্যাহত-সংবাদ প্রতিদিন
বিদেশ থেকে জাকিরকে ৬০ কোটি!-আজকাল
পাঠক! শিরোনামের পর এবার বাংলাদেশ ও ভারতের সবচেয়ে আলোচিত কয়েকটি খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বিপথগামীদের কারণে ইসলাম সম্পর্কে বিরূপ ধারণা গড়ে উঠছে-যুগান্তর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কিছু বিপথগামী মানুষের জন্য ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে বিরূপ ধারণা গড়ে উঠছে। এদের বিরুদ্ধে আলেম সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর খামারবাড়িতে 'ইসলামের দৃষ্টিতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ এবং আমাদের করণীয়' শীর্ষক ওলামা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। বাংলাদেশ জমিয়তুল ওলামা এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এতে সংগঠনের প্রধান আল্লামা ফরিদউদ্দীন মাসঊদের সভাপতিত্বে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল উপস্থিত আছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে মানবিক ও উদার ধর্ম হলো ইসলাম। কিন্তু সবচেয়ে দুঃখ লাগে তখন, যখন সামান্য কিছু লোক এই ধর্মকে ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। আমাদের পবিত্র ধর্মকে তারা মানুষের কাছে হেয় করে দিচ্ছে। তারা কোন ইসলামের শিক্ষা নিচ্ছে? যে ইসলাম হলো শান্তির, সৌহার্দ্যের, সে ধর্মের নাম ব্যবহার করে সন্ত্রাস চালাচ্ছে, মানুষ হত্যা করছে তারা।
তিনি বলেন, যখনই কেউ ইসলামিক টেরোরিস্ট বলে, আমি সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতিবাদ করি। সন্ত্রাসী কোনো ধর্মের হতে পারে না। সামান্য কয়েকটা লোক ইসলামকে হেয় করতে পারে না।
তৃণমূল আওয়ামী লীগে খুনোখুনি-বাংলাদেশে প্রতিদিন
আতঙ্কে মাঠের নেতা-কর্মীরা, বিব্রত হাইকমান্ড ► জুলাইয়ে ১৭ খুন, আগস্টের প্রথম সপ্তাহেই ৫
বিস্তারিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃণমূলে হঠাৎ খুনোখুনি বেড়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগে। জুলাই মাসেই প্রতিপক্ষের হাতে খুন হয়েছেন ১৭ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহেই হত্যার শিকার হয়েছেন চারজন। এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন তৃণমূল নেতারা। বিব্রত আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডও। জঙ্গিবাদ ইস্যুতে উত্তাল থাকা দেশে নিজেদের কোন্দলে খুন হওয়া নেতা-কর্মীদের নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকরা। সরকার যখন জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় ব্যস্ত, তখন এ ধরনের খুনোখুনি ভাবিয়ে তুলেছে আওয়ামী লীগকে। পদ-পদবি, আধিপত্য ধরে রাখা, ব্যবসা-বাণিজ্য, টেন্ডার ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় এসব খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী দল সক্রিয় না থাকায় সরকারি দলের নেতা-কর্মীরা ব্যক্তিগত নানা সুযোগ-সুবিধা বাগিয়ে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ফলে দলটির মধ্যে খুনোখুনি ও কোন্দল বাড়ছে। তারা বলছেন, বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশে পাওয়া-না পাওয়া থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ, অন্তঃকলহ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। বর্তমানে এটা আওয়ামী লীগের মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত। তবে এসব খুনকে পারিবারিক ও তুচ্ছ ঘটনা হিসেবে দেখছেন তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতারা। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘এত বড় একটি রাজনৈতিক দল। সেখানে চাওয়া-পাওয়ার বিষয় থাকে। এমন বিচ্ছিন্ন হত্যাকাণ্ড অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে, ভবিষ্যতেও হবে। তিনি বলেন, যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটছে, এর অধিকাংশই যতটা না রাজনৈতিক, তার চেয়ে পারিবারিক কারণই বেশি।
রিজভীসহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা-ইত্তেফাক
বিস্ফোরক আইনে একটি মামলায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
বৃহস্পতিবার মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. কামরুল হোসেন মোল্লা এ পরোয়ানা জারি করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পিপি তাপস কুমার বিশ্বাস জানান, রিজভী অসুস্থ মর্মে অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া সময়ের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু বিচারক সময়ের আবেদন না মঞ্জুর করে এ পরোয়ানা জারি করেন। পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।
মেয়র নাছিরের অভিযোগ খতিয়ে দেখবে সরকার-যুগান্তর
ঘুষ না দেয়ায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বরাদ্দ কম দেয়া হয়েছে বলে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন যে অভিযোগ করেছেন, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান। মন্ত্রী বলেন, 'কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ তো থাকতেই পারে। অভিযোগ তো প্রমাণসাপেক্ষ, আমরা তদন্ত করে দেখব।'
তিনি বলেন, 'প্রমাণিত হলে তো এটা গুরুতর অভিযোগ। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে অভিযোগটা বিবেচনা করব এবং আইডেন্টিফাই করব।'
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'এটি জনসম্মুখে আলোচনার বিষয় না। আর আজকের সভার বিষয়টা এটা না, অন্য কোনো বিষয় থাকলে বলেন।'
গতকাল বুধবার চট্টগ্রামে এক সভায় মেয়র নাছির বলেন, 'দাবি মতো কর্মকর্তাদের ঘুষ না দেয়ায় কর্পোরেশনের জন্য এসেছে মাত্র ৮০ কোটি টাকা। ঘুষ দিলে যেখানে ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া যেতো।'
তিনি আরও বলেন, 'আমাকে বলা হল- কর্পোরেশনের জন্য যত টাকা চাই দেয়া হবে থোক বরাদ্দ হিসেবে, তবে তার জন্য পাঁচ শতাংশ করে দিতে হবে।'
ডেসটিনি কর্ণধারদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান চলবে-ইত্তেফাক
ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনকে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নোটিশের কার্যকারিতা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগরে ৫ বিচারপতির বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।
আপিল বিভাগের এই আদেশের ফলে ডেসটিনির এই দুই কর্ণধারের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করতে আর কোন আইনগত বাধা থাকল না।
ছয় উপজেলায় শতভাগ বাড়িতে বিদ্যুৎ-প্রথম আলো
দেশের ছয়টি উপজেলার শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ–সংযোগের আওতায় এসেছে। এই ছয়টি উপজেলায় কোনো বাড়ি বা পরিবার বিদ্যুৎ ছাড়া নেই। উপজেলা ছয়টি হচ্ছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, নারায়ণগঞ্জের বন্দর, কুমিল্লার আদর্শ সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট, নরসিংদীর পলাশ ও চট্টগ্রামের বোয়ালখালী।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে এই খবর জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই ছয়টি উপজেলায় গ্রিডের বিদ্যুতের পাশাপাশি কিছু পরিবার বাড়িভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার (সোলার হোম সিস্টেম) আওতায় রয়েছে। তবে বিদ্যুৎবিহীন কোনো বাড়ি এই উপজেলাগুলোতে নেই।
পাঠক! ভারতের বাংলা দৈনিকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ খবরের অংশ বিশেষ তুলে ধরছি।
সরকারি হাসপাতালেও ঘুষের ‘আবদার’, বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু শিশুর
জ্বরে কাবু কোলের শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন মা সুমিতাদেবী। প্রয়োজন ছিল জীবনদায়ী এক ইঞ্জেকশনের। সরকারি হাসপাতালে সেই ইঞ্জেকশনের জন্য চাওয়া হয় ঘুষ। অভিযোগ, সময়মতো সেই ঘুষের টাকা জোগাড় করতে না পারায় হাসপাতালেই বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয় ১০ মাসের শিশুর। শিশুটির মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। বরখাস্ত করা হয়েছে হাসপাতালের ওয়ার্ডবয়কে। বদলি করা হয়েছে এক নার্সকেও। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে।
শিশুটির মা সুমিতা দত্ত জানান, কয়েক দিন ধরেই জ্বরে ভুগছিল শিশুটি। উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচের একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় শিশুটিকে। চিকিৎসক তাকে ভর্তি করাতে বলেন। প্রথম বাধা আসে ভর্তির কাগজপত্র তৈরি করার সময়। হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক নার্স তাঁর কাছে বাড়তি টাকা চান। তা না দিলে ভর্তির কাগজপত্র তৈরি করবেন না বলে হুমকিও দেন ওই নার্স। প্রথমে এই নিয়ে বাগবিতণ্ডা হলেও উপায় না পেয়ে টাকা দিতেই বাধ্য হন সুমিতাদেবী। এর পরে দ্বিতীয় ধাপেও একই ভাবে ঠোক্কর খেয়ে হয় তাঁদের। এবার তাঁদের থেকে টাকা চেয়ে বসেন হাসপাতালের শিশু বিভাগের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নের দায়িত্বে থাকা এক কর্মী। ওই কর্মী তাঁদের জানান যে, বাড়তি টাকা না দিলে বেড পাওয়া যাবে না। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তাও দিতে বাধ্য হন তাঁরা। এই ভাবে কোনও মতে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু ঘুষের দাবি এখানেই থেমে যায়নি। আরও বড় কিছু অপেক্ষা করেছিল তাঁদের জন্য। শিশুটিকে প্রাণে বাঁচানোর জন্য সেই মুহূর্তেই একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া খুব জরুরি হয়ে পড়ে। মরন-বাঁচন এই মুহূর্তেও সামনে আসে ঘুষের দাবি। শিশুটির মায়ের অভিযোগ, যে ব্যক্তি তাঁদের সন্তানকে ইঞ্জেকশন দিতে এসেছিলেন তিনিও তাঁদের কাছে টাকা চান। কড়া সুরে জানিয়ে দেন, টাকা না পেলে ইঞ্জেকশন দেবেন না। কিন্তু অভাবের সংসারে যে পরিমাণ টাকা নিয়ে হাসপাতালে ছুটে এসেছিলেন, আগের দুই কিস্তি ঘুষের ঠেলায় আগেই তা শেষ হয়ে গিয়েছিল। অনেক কাকুতি-মিনতি করলেও সেই ব্যক্তি তাঁদের কথা শোনেননি। ইঞ্জেকশন না দিয়েই তিনি চলে যান বলে অভিযোগ। পরে হাসপাতালের চিকিৎসকদের ধরে তাঁকে ইঞ্জেকশন দিতে রাজি করালেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বিনা চিকিৎসায় হাসপাতালেই মারা যায় শিশুটি।
বিদেশ থেকে জাকিরকে ৬০ কোটি!-আজকাল
তিন বছরে ৬০ কোটি টাকা বিদেশি অনুদান! মুম্বইয়ের বিতর্কিত ধর্মপ্রচারক জাকির নাইকের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেল মুম্বই পুলিস। জানা গিয়েছে, গত তিন বছরে, জাকির ও তাঁর পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট ৬০ কোটি টাকা জমা পড়েছে। ভারতের বাইরের তিনটি দেশ থেকে ওই টাকা পাঠানো হয়েছিল। জাকিরের সংস্থা ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের অ্যাকাউন্টে না পাঠিয়ে, জাকির ও তাঁর পরিবারকে কেন ওই টাকা দেওয়া হচ্ছিল, তা নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধছে। এছাড়া, জাকির নাইক পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক স্কুলের লেনদেন খতিয়ে দেখতেও তৎপর হয়েছে মুম্বই পুলিস।
মানসের পিএসি পদ নিয়ে জট অব্যাহত-সংবাদ প্রতিদিন
মানস ভুঁইয়ার বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (পিএসি) চেয়ারম্যানের পদ ছাড়া নিয়ে জটিলতা অব্যাহত রইল৷
বুধবার ২৪ আকবর রোডে বৈঠকের পরও কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি এআইসিসি৷ কার্যত, পিএসি পদ নিয়ে আবার বল ঠেলা হল হাইকমান্ডের কোর্টেই৷ মানস ভুঁইয়াকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হল, তাঁকে শো-কজ করা হয়েছিল হাইকমান্ডের নির্দেশে৷ তাই তিনি হাইকমান্ডের কাছেই এই পদে থাকার যুক্তি দিয়ে যেন চিঠি লেখেন৷ তারপর হাইকমান্ডের ইচ্ছের উপরই সবকিছু নির্ভর করছে৷#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১১