গুলশান হামলা-হাসনাতের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে
পাঠক! আমাদের নিয়মিত অনুষ্ঠান কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আজ ১৪ আগস্ট রোববারের কথাবার্তার আসরের শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকের বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ঢাকার দৈনিকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম:
কুপিয়ে ও গুলি করে যুবলীগ নেতাকে হত্যা-প্রথম আলো
শিশু আইনের অস্পষ্টতা নিরসনে ব্যাখ্যা চেয়েছে হাইকোর্ট-ইত্তেফাক
সংকট উত্তরণে মধ্যবর্তী নির্বাচন দাবি অলির-মানজমিন
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরির রায় ফাঁসের রায় পেছালো-যুগান্তর
সব কিছু জিম্মি সিন্ডিকেটে-বাংলাদেশ প্রতিদিন
কোলকাতার দৈনিকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম:
আন্তর্জাতিক সোনা পাচারচক্রের খোঁজ মিলল খোদ কলকাতায়-বর্তমান
বিয়েতে পণ হিসেবে বই চাইলেন কনে-সংবাদ প্রতিদিন
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন সনিয়া গান্ধী -আনন্দবাজার
কাশ্মীরকে স্বাধীনতা দিবস উৎসর্গ বাসিতের!-আজকাল
পাঠক! শিরোনামের পর এবার বাংলাদেশ ও ভারতের সবচেয়ে আলোচিত কয়েকটি খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
গুলশান হামলা-হাসনাতের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে- যুগান্তর
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিমের বিরুদ্ধে গুলশান হামলায় জড়িত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন। রোববার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
আবদুল বাতেন বলেন, 'কোনো ঘটনায় কাউকে সন্দেহ হলে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে সুনির্দিষ্ট মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।'
তিনি বলেন, 'হাসনাত করিমের বিরুদ্ধে গুলশান হামলায় জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা মেলায় তাকে মূল মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে হাসনাতের বিরুদ্ধে গুলশান হামলায় জড়িত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।'
উল্লেখ্য, গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলার পরদিন ২ জুলাই সকালে অভিযানের আগে হাসনাত করিমসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে মুক্তি দেয় জঙ্গিরা।
যুগান্তরের অন্য একটি খবরের শিরোনাম-সেই বিচারকের আত্মসমর্পণ
ফেনসিডিল বহনের দায়ে বিচারিক আদালতের রায়ে চার বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ভোলার সাবেক (বরখাস্তকৃত) জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ জাবেদ ইমাম আত্মসমর্পণ করেছেন।
আপিল বিভাগের নির্দেশে রোববার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সামছুন নাহারের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন।
এর আগে গত ৭ আগস্ট জাবেদ ইমামকে হাইকোর্ট থেকে খালাস করে দেয়া রায় স্থগিত করে সাতদিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এ সংক্রান্ত রাষ্ট্রপক্ষের এক লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে এই নির্দেশ দেয়া হয়।
সব কিছু জিম্মি সিন্ডিকেটে-বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিস্তারিত প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দফতর, অধিদফতর আর সেবা খাত। ওয়াসা, ডেসা, রাজউক, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, সিটি করপোরেশন, এলজিইডি থেকে শুরু করে সার আমদানি ও ধান-চাল ক্রয়, টেন্ডারবাজি সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করছে সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট। তাদের সঙ্গে যুক্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একইভাবে মাঠ পর্যায়ে অর্থাৎ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংসদ সদস্যদের আলাদা আলাদা সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে ঠিকাদারি থেকে শুরু করে সব ধরনের কাজ। অনেক সময় বিভিন্ন পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিরাও সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক সেজে বসেন। ফলত সাধারণ ব্যবসায়ীকে অসহায় হয়ে পড়তে হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সরকারের ভর্তুকির সার নিয়ন্ত্রণ করছে একজন এমপির নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট। এরাই সারের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে, যা থেকে তাদের আয় হয় শত কোটি টাকা। পরিণামে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে সার পান না। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) তদন্তে উঠে এসেছে এই সিন্ডিকেটের কথা। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে ওই দলের নেতাকেই সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে, বিসিআইসির সাম্প্রতিক এক তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকার ভর্তুকি দেওয়ার পর দেশে উৎপাদিত প্রতি বস্তা টিএসপি সার এক হাজার ১০০ টাকায় এবং ডিএপি সার এক হাজার ২৫০ টাকায় কৃষকদের হাতে পৌঁছার কথা। কিন্তু শক্তিশালী সিন্ডিকেট খোলা বাজারে প্রতি বস্তা টিএসপি এক হাজার ৬০০ থেকে এক হাজার ৬৫০ টাকা আর ডিএপি এক হাজার ৮০০ থেকে এক হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি করছে। তাই কৃষকরা সরকারের ভর্তুকি মূল্যের সুফল পান না। শুধু তাই নয়, সার পরিবহনের ক্ষেত্রেও চলছে সিন্ডিকেশন। বর্তমানে জোরেশোরে চলছে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান। গত বছরের মতো এবারও স্থানীয় পর্যায়ে সংসদ সদস্যদের সিন্ডিকেটই নিয়ন্ত্রণ করছে অভিযান।
দ্বিতীয় ইউলুপে কমবে যানজট, ঘুচবে দুর্ভোগ-প্রথম আলো
হাতিরঝিলের মোড় থেকে আফতাব নগরের সামনের রাস্তা ধরে মেরুল বাড্ডা। আর কিছুটা এগোলেই চোখে পড়বে উঁচু-নিচু পিলারগুলো। সেখানে রড আর কংক্রিটের স্তূপ। কাজ করছেন বেশ কয়েকজন শ্রমিক। রাস্তার মাঝখানের বিশাল অংশও দড়ি দিয়ে আলাদা করা হয়েছে। এতে দুই লেনের গাড়িগুলোকে একটু সরু পথেই চলাচল করতে হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এই দুর্ভোগ সাময়িক। এই উড়ালসেতুর নির্মাণকাজ শেষে রামপুরা-বনশ্রীর বাসিন্দাদের মতো বাড্ডা এলাকার মানুষের যানজটের দুর্ভোগ কমবে—এমন আশা করছেন ওই পথের নিয়মিত যাত্রীরা।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায়ের খসড়া ফাঁস মামলার রায় পিছিয়েছে-প্রথম আলো/ইত্তেফাক/যুগান্তর
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া বিএনপির নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর মামলার রায়ের খসড়া ফাঁসের ঘটনায় করা মামলার রায় আজ বৃহস্পতিবার হচ্ছে না। রায় ঘোষণার জন্য ২৮ আগস্ট তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
রায়ের খসড়া ফাঁসের ঘটনায় করা ওই মামলার রায় ঘোষণার জন্য আজ (১৪ আগস্ট) তারিখ ধার্য ছিল। বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম ৪ আগস্ট এই তারিখ ধার্য করেছিলেন।
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম বলেন, রায় প্রস্তুত হয়নি। তাই আজ রায় ঘোষণা করা হচ্ছে না। রায় ঘোষণার জন্য ২৮ আগস্ট তারিখ পুনর্নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
সংকট উত্তরণে মধ্যবর্তী নির্বাচন দাবি অলির-মানবজমিন
বিরাজমান সংকট উত্তরণে মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি করেছেন ২০ দলীয় জোটের শরিক এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম। তিনি বলেছেন, দেশে সংকট বিরাজ করছে। প্রাণহীন দেহ ও গণতন্ত্রহীন সমাজের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। চলমান সংকট সমাধানের জন্য প্রয়োজন সবার অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ মধ্যবর্তী নির্বাচন। এখন মধ্যবর্তী নির্বাচনের বিকল্প নেই। দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘দেশের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়’ সভায় তিনি এই দাবি জানান।
পাঠক! ভারতের বাংলা দৈনিকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ খবরের অংশ বিশেষ তুলে ধরছি।
কাশ্মীরকে স্বাধীনতা দিবস উৎসর্গ বাসিতের!-আজকাল
তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার কাশ্মীরই চাই’। ৭০তম স্বাধীনতা দিবসে পাকিস্তানের মূলমন্ত্র নাকি এটাই। দিল্লিতে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসের এক অনুষ্ঠানে ‘সগর্বে’ ঘোষণা করলেন ভারতে পাকিস্তানি হাই কমিশনার আব্দুল বাসিত। বললেন,‘এ বছরের স্বাধীনতা দিবস কাশ্মীরকে উৎসর্গ করলাম। তবে স্বাধীনতার সংগ্রাম এখনও জারি। কাশ্মীর স্বাধীন হলেই তা শেষ হবে। কাশ্মীরবাসীর বলিদান বিফলে যেতে দেব না।’ কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান জানতে গত সপ্তাহেই বাসিতকে ডেকে পাঠিয়েছিল ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক। তবে রবিবার দিল্লিতে ইসলামাবাদের সুরই ধরা পড়ল তাঁর গলায়।
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন সনিয়া গান্ধী –আনন্দবাজার
টানা ১১ দিন দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর রবিবার সকালে ছাড়া পেলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধী। হাসপাতালের চেয়ারম্যান চিকিত্সক ডি এস রাণা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সনিয়া গাঁধীর অবস্থা স্থিতিশীল। তাঁকে বিশ্রাম নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফের চেক আপের জন্য তিনি আগামী সপ্তাহেই হাসপাতালে আসতে পারেন।
গত ২ অগস্ট বারাণসীতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। নির্বাচনী প্রচার মাঝপথেই বন্ধ করে দিয়ে দিল্লিতে ফিরে যান তিনি।
বিয়ের আগেই অদ্ভূত দাবি করে বসলেন এই কনে- সংবাদ প্রতিদিন
কন্যাদানের সঙ্গে সোনা দানও ভারতীয় সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ৷ কারও সাধ্য কম, কারও বেশি৷ তবে সবাই চেষ্টা করেন সাধ্যাতীত ভাবেই নিজ কন্যাকে বিদায় জানাতে৷ বিশেষ করে দাক্ষিণাত্যে বিয়ে মানেই সোনার আতিশয্য যেন একটু বেশিই৷ আইনের আড়ালে পণের দেওয়া নেওয়াও যে হয় না, তা নয়৷
পণের দাবি করেছেন হায়দরাবাদের সাহলা নেখিইলও৷ তবে, সোনা নয় তাঁর চাহিদা ছিল ৫০টি নতুন বই৷ হবু স্বামী আনিস নাবোদির কাছে ‘মেহের’ হিসেবে এই দাবিই জানিয়েছিলেন তিনি৷ বাকদত্তার এই দাবিতে পরিবার-পরিজনেরা তেমন খুশি না হলেও আনিস খুব খুশি৷ এমন একজন জীবনসঙ্গীকে কোনও মতেও ছাড়তে রাজি নন তিনি৷ কথা মতো বেঙ্গালুরু গিয়ে ৫০টি বই কিনে এনে তবেই নিকাহ সেরেছেন৷
হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্রী সাহলা৷ নিজের এই দাবির মাধ্যমে সমাজকে পণপ্রথার বিরুদ্ধে সচেতন করে তুলতে চেয়েছেন তিনি৷ একইসঙ্গে সোনা ছাড়াও যে বিয়ে সম্ভব, সেটাই নিজের আত্মীয়-পরিজনদের কাছে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন বলে দাবি তাঁর৷#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৪