প্রার্থী বাছাইয়ে গলদঘর্ম দুই জোট
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২৪ নভেম্বর শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ । আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম
- প্রার্থী বাছাইয়ে গলদঘর্ম দুই জোট-দৈনিক ইত্তেফাক
- পুলিশ বিনা কারণে গ্রেপ্তার করে না: সিইসি-দৈনিক প্রথম আলো
- আসন বণ্টন নিয়ে মহাজোট নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক কাদেরের-দৈনিক যুগান্তর
- সাংবাদিকদের সঙ্গে ইসির দুর্ব্যবহার-দৈনিক যুগান্তর
- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ব্রিফিং থেকে বের করে দেয়া হলো সাংবাদিকদের-দৈনিক মানবজমিন
- ইসি সচিব ও সরকারি কর্মকর্তাদের আড়াই ঘণ্টা গোপন বৈঠক-দৈনিক নয়া দিগন্ত
- ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দাপটে হারাল বাংলাদেশ-দৈনিক কালের কণ্ঠ
ভারতের শিরোনাম:
- মন্দির তৈরির দাবিতে অযোধ্যায় ২ লক্ষ করসেবক, শহরজুড়ে চাপা উত্তেজনা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- অযোধ্যায় পৌঁছল ২৫ হাজার শিবসেনা কর্মী, জারি ১৪৪ ধারা -দৈনিক আজকাল
- সেনার অর্থ লুটছে মোগাম্বোর জাল! রাফালে নতুন তির রাহুলের -দৈনিক আনন্দবাজার
পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
বিশ্লেষণের বাইরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খবর:
১. ইসির নির্দেশনা ছাড়া পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। তার এ বক্তব্যকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
২. ইরানের রাজধানী তেহরানে আজ ইসলামি ঐক্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। মুসলিম বিশ্বে ঐক্য প্রতিষ্ঠায় ইরানের এ উদ্যোগকে আপনি কীভাবে দেখেন?
পুলিশ বিনা কারণে গ্রেপ্তার করে না: সিইসি-দৈনিক প্রথম আলো
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, ‘পুলিশ আমাদের কথা মান্য করে। আমাদের কথার বাইরে বিনা কারণে কাউকে গ্রেপ্তার করে না। পুলিশ ইসির নিয়ন্ত্রণে আছে। পুলিশকে ইসি নির্দেশ দিয়েছে। পুলিশ আমাদের কথা দিয়েছে এবং সেই নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছে।’
আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনের সম্মেলন কক্ষে ১৮টি জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নুরুল হুদা এ কথা বলেন।
সিইসি কে এম নুরুল হুদা বলেন, ‘ইসির কাছে সরকারের কোনো নির্দেশ নেই। নির্বাচনসংক্রান্ত বিষয়ে আমাদের নির্দেশ মাঠে আছে এবং সেটা মাঠে প্রতিফলিত হচ্ছে।’
পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিএনপির ‘গুরুতর’ অভিযোগ-দৈনিক প্রথম আলো
পুলিশ ও প্রশাসনের কিছু দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘গুরুতর’ অভিযোগ তুলছে বিএনপি। দলটি বলছে, নৌকার প্রার্থীদের বিজয়ী করতে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের প্রতিনিয়ত গোপন বৈঠক চলছে। প্রশাসন ও পুলিশের ‘বিতর্কিত ও দলবাজ’ কর্মকর্তারা জনসমর্থনহীন আওয়ামী লীগকে ফের ক্ষমতায় বসানোর জন্য নানা চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন।
আজ শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তোলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বিএনপির দাবি, ২০ নভেম্বর রাতে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের চারতলার পেছনের কনফারেন্স রুমে এক গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সচিব সাজ্জাদুল হাসান, জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহমদ, নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, পানিসম্পদ সচিব (প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক ডিজি) কবির বিন আনোয়ার, বেসামরিক বিমান পরিবহন সচিব মহিবুল হক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও মহানগরী রিটার্নিং অফিসার) সদস্যসচিব আলী আজম, প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-১ (বিচারক কাজী গোলাম রসুলের মেয়ে) কাজী নিশাত রসুল। এ ছাড়া পুলিশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন র্যাব, ডিএমপি ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের কর্মকর্তারা। রাত সাড়ে সাতটা থেকে আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা এ বৈঠকে সারা দেশের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং সেটআপ ও প্ল্যান রিভিউ’ করা হয়। বৈঠকে পুলিশের একজন ডিআইজি হাবিব বলেন, পুলিশ সূত্রের খবর অনুযায়ী ৩৩টি সিট নৌকার কনফার্ম আছে এবং ৬০-৬৫টিতে কনটেস্ট হবে, বাকি আর কোনো সম্ভাবনা নেই। কাজেই সাংঘাতিক কিছু করা ছাড়া এটি উতরানো যাবে না।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ওই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা শেষে মূল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, নির্বাচন কমিশন থেকে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টকে চরম অসহযোগিতা করা হবে, যতই চাপ দেওয়া হোক প্রশাসনে হাত দেওয়া যাবে না, ধরপাকড় বাড়ানো হবে, প্রার্থী গুম–খুন করে এমন অবস্থা তৈরি করা হবে যাতে তাঁরা নির্বাচন থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন। সেটির আলামত ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে যশোর জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আবু বকর আবুকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে।
আসন বণ্টন নিয়ে মহাজোট নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক কাদেরের-দৈনিক যুগান্তর
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন বণ্টন নিয়ে এবং প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে মহাজোট নেতাদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার সকাল ১০টা থেকে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠক এখনও চলছে।
জোটের শরিকদের সঙ্গে আসন বন্টন নিয়ে সমঝোতা হলে আজই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের একাধিক সদস্য যুগান্তর এই তথ্য আগেই নিশ্চিত করেছিলেন।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ থেকে কারা এবার মনোনয়ন পাচ্ছেন সেটি চূড়ান্ত হয়ে গেছে আরও আগেই। এখন দলটির নির্বাচনী সঙ্গী মহাজোটের শরিকদেরকে কতটি আসন দেয়া হবে তা নিয়ে চূড়ান্ত দরকষাকষি চলছে।
এবার আ’লীগ কি তরুণদের সমর্থন পাবে?-দৈনিক যুগান্তর
বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটার অর্থাৎ তরূণ ভোটারের সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। তাই ক্ষমতার পালাবদলে তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আর এ কারণেই তরুণদের কাছ থেকে তাদের স্বপ্নের কথা, স্বপ্নপূরণের কথা ও স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার কথা শুনলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে দেশের উন্নয়নে নিজের ভবিষ্যৎ ভাবনার কথাও তরুণদের জানান প্রধানমন্ত্রী। উত্তর দেন তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের।
তরুণদের সঙ্গে সরাসরি এই কথোপকথনের জন্যই শুক্রবার বিকালে আয়োজন করা হয়েছিল ‘লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের। এতে উদ্যোক্তা, পেশাজীবী, চাকরিজীবী, ছাত্রছাত্রী, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সারা দেশ থেকে মনোনীত হয়ে আসা ১৫০ জন তরুণ-তরুণী অংশ নেয়।
সাংবাদিকদের সঙ্গে ইসির দুর্ব্যবহার-দৈনিক যুগান্তর
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ব্রিফিং উপলক্ষে সাংবাদিকদের ডেকে এনে বের করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।এসময় সাংবাদিকদের সঙ্গে ইসির এক কর্মকর্তা দুর্ব্যবহার করেছেন। শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ের প্রথম দিন ছিল আজ। তিন দিনব্যাপী এই ব্রিফিং শেষ হবে আগামী সোমবার। সাংবাদিকদের এই অনুষ্ঠানে থাকার জন্য শুক্রবার আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে ডেকে এনে এভাবে বের করে দেয়ায় গণমাধ্যমকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ব্রিফিং থেকে বেরিয়ে আসার পর এক সাংবাদিক বলেন, এভাবে বের করে দেয়ায় সংবাদ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। এতে আমরা কষ্ট পেয়েছি। পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেন, আগামীকাল থেকে থাকতে দেব।
প্রার্থী বাছাইয়ে গলদঘর্ম দুই জোট-দৈনিক ইত্তেফাক
১৪ দল এবং মহাজোটের নতুন দুই শরিক এইচএম এরশাদের জাতীয় পার্টি (জাপা) ও অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ত সময় পার করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ১৪ দলের কোনো কোনো শরিক দলের এবং জাপা ও যুক্তফ্রন্টের নেতারা দফায় দফায় দৌড়াচ্ছেন গণভবনে। কেউ কেউ ছুটছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে। শরিকদের প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তবতার সমন্বয় ঘটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বকে। বিশেষ করে বেশকিছু আসনে দলীয় প্রার্থী ও শরিকদের চাওয়ার মূল্যায়ন করতে গিয়ে রীতিমতো অগ্নিপরীক্ষার অবস্থা। আওয়ামী লীগ, ১৪ দল ও মহাজোটের শরিকদের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে কথা বলে সর্বশেষ যে বার্তা পাওয়া গেছে তা হলো আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ১৪ দলের শরিকদের বড় ধরনের কোনো মতপার্থক্য নেই। মূল ঝামেলা হচ্ছে এরশাদ ও তার দলকে নিয়ে। অন্যদিকে, বি. চৌধুরীর বিকল্পধারা ও যুক্তফ্রন্টের চাওয়ার সঙ্গে বাস্তবের হিসাব মেলাতেও বেগ পেতে হচ্ছে আওয়ামী লীগকে।
তালিকা চূড়ান্ত করতে বেগ পেতে হচ্ছে বিএনপিকে
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে গিয়ে শেষ মুহূর্তে এসে বেগ পেতে হচ্ছে নীতি নির্ধারকদের। এক দশক ধরে নির্বাচন না করায় এবং জোটের পরে ঐক্যফ্রন্টের সাথে আসন ভাগাভাগির নতুন সংযুক্তির কারণে প্রার্থীর সংখ্যা অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়েছে। কাকে রেখে কাকে দিবে মনোনয়ন- এনিয়ে বেশ অস্বস্তি চলছে । আবার অনেক আসনে দলের পুরানো সংসদ সদস্যের ইন্তেকাল ও বয়সজনিত অক্ষমতার কারণে সেখানে নতুন মুখের ছড়াছড়ি। সবাই চান প্রার্থী হতে। ইতোমধ্যে বিএনপির প্রায় তিন হাজার প্রার্থীর সাক্ষাত্কার সম্পন্ন করেছেন দলের পার্লামেন্টারী বোর্ড সেখানে কাউকে সবুজ সংকেত দেয়নি। কিংবা কেউ রেড সিগন্যালের আভাসও পাননি। ফলে সবাই আশাবাদী। তবে কেউ নিশ্চিত নন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্ভাব্য প্রার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন। একজনকে দল প্রার্থী করবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করা ও দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তাদেরকে যে বার্তাগুলো দেওয়া হচ্ছে তা হলো-১. ফাঁকা মাঠে গোল নয়, ২. ভোট কেন্দ্র পাহারা, ৩. ধানের শীষ যার হাতে, পক্ষ তারই, ৪. বিদ্রোহী হলে কঠোর ব্যবস্থা, ৫. বলা মাত্র মনোনয়ন প্রত্যাহার।
পুলিশের তথ্য সংগ্রহের ফোনে খুলনার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা বিব্রত-দৈনিক মানবজমিন
পুলিশের তথ্য সংগ্রহের ফোনে বিব্রত খুলনার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা। বিসিএস ক্যাডার থেকে শুরু করে সরকারি স্কুল শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তা এমনকি বেসরকারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক পর্যন্ত সবার কাছে জানতে চাওয়া হচ্ছে তাদের বর্তমান ও অতীত রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছেন। মাঠ প্রশাসনের বাড়তি তদারকি, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৫৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ায় আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে অনীহা রয়েছে কর্মকর্তাদের। তবে, চাকরিবিধির কারণে মুখ খুলতে পারছে না কেউ।
আগামী নির্বাচন ফেয়ার নাও হতে পারে : শাখাওয়াত হোসেন-দৈনিক কালের কণ্ঠ
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম শাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আগামী নির্বাচন ফ্রি হলেও ফেয়ার নাও হতে পারে। তাই আগামী নির্বাচন কেমন হবে তা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। ফেয়ার ইকেলশনের জন্য সরকারকেও এ চ্যালেঞ্জ নিতে হবে, কারণ আন্তর্জাতিক মহল তাকিয়ে আগামী নির্বাচনের দিকে।’
আজ শনিবার সকালে সেন্টার পর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত 'রাজনীতি এবং জনগণের ভোটাধিকার' শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় মান্না-খালেদাকে কারাগারে রেখে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না-দৈনিক যুগান্তর/ইত্তেফাক/প্রথম আলো
বিএনপির চেয়ারপাসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে দেশে কোনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি আরো বলেন, এই কথার মধ্যে কোনো ভুল নেই। এই কথা খুবই সত্যি।
আজ শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় একাদশ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে কৌশলে পরাজিত করা হবে বলে জানান ঐক্যফ্রন্টের এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, বলছি, এমন কৌশল নেব, এমনভাবে লড়াই করব যাতে শত্রুকে আমরা পরাজিত করতে পারি।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
মন্দির তৈরির দাবিতে অযোধ্যায় ২ লক্ষ করসেবক, শহরজুড়ে চাপা উত্তেজনা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
‘রামলালা হাম আয়ে হে, মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে’ অযোধ্যার অলিতে-গলিতে আবারও সেই ৯২-এর কোলাহল। একদিকে, ‘মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে’-র সঙ্গে সঙ্গে ‘মন্দির জলদি বানায়েঙ্গে’ সুরে আকাশ বাতাশ মুখরিত করছে ভিএইচপি-র করসেবকরা। অন্যদিকে, শিব সেনা সমর্থকদের বুলি, ‘হর হিন্দু কা ইয়েহি পুকার, পহেলে মন্দির ফির সরকার।’ মন্দিরের দাবিতে দুটি ঘোরতর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের এই অযোধ্যা অভিযান নিয়ে গোটা জেলায় চাপা উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভিএইচপি-র দাবি ইতিমধ্যেই তাদের প্রায় দু’লক্ষ সমর্থক অযোধ্যায় হাজির হয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকেই শিবের আদলে পোশাক পরেছেন। রবিবার সকাল হতেই সকলে একসঙ্গে বিতর্কিত স্থানের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। সেখানে বসছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ধর্মসভা। দু’লক্ষ করসেবক ছাড়াও সাধু, সন্ত ধর্মগুরুরাও উপস্থিত থাকবেন বিতর্কিত স্থানে। আরএসএস জানিয়েছে ১৩০০-র বেশি বাস ও ১৫০০-র বেশি চার চাকার গাড়িতে তাদের সমর্থকরা শহরে আসছেন। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩ লক্ষ খাবারের প্যাকেট। অযোধ্যায় পৌঁছল ২৫ হাজার শিবসেনা কর্মী, জারি ১৪৪ ধারা-দৈনিক আজকাল
অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মানের দাবিতে আগামী ২৫ নভেম্বর জমায়েতের ডাক দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, শিবসেনা–সহ একাধিক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। আর সেজন্য ইতিমধ্যে অযোধ্যা পৌঁছে গিয়েছেন ২৫ হাজার শিবসেনা কর্মী।
সেনার অর্থ লুটছে মোগাম্বোর জাল! রাফালে নতুন তির রাহুলের-দৈনিক আনন্দবাজার
রাফাল-কাণ্ডে এ বার নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ তুললেন রাহুল গাঁধী। কংগ্রেস সভাপতির অভিযোগ, দুর্নীতির জন্য বাছাই করা কিছু অফিসার, মন্ত্রী ও শিল্পপতিদের নিয়ে এক ‘মোগাম্বোর মতো মাকড়সার জাল’ তৈরি করা হয়েছিল। সামরিক বাহিনীর অর্থ লুট করার জন্য এই জালের সুতো ছিল মোদী ও তাঁর বন্ধু শিল্পপতিদের হাতে। রাহুলের মন্তব্য, ‘‘রাফাল দুর্নীতি মোদীজির কাণ্ডকারখানারই ঝলক স্পষ্ট।’’
রাহুলের এই অভিযোগের ভিত্তি হল, একটি সংবাদ পোর্টালের তদন্ত রিপোর্ট। যে রিপোর্ট বলছে, মোদী জমানায় ২০১৬-তে প্রশান্ত নারায়ণ সুকুলকে অতিরিক্ত কন্ট্রোলার জেনারেল অব ডিফেন্স অ্যাকাউন্ট নিয়োগ করা হয়। তাঁর স্ত্রী মধুলিকা সুকুল দু’বছর পরে ওই দফতরেরই প্রধানের পদে বসেন। প্রশান্ত সেই সময় বায়ুসেনার ফাইল দেখতেন। তা নিয়ে কোনও প্রশ্ন তৈরি হয়নি। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, প্রশান্তর ভাই শান্তনু সুকুল অনিল অম্বানীর প্রতিরক্ষা সংস্থার হয়ে ২০১৫ থেকে কাজ করতেন। নৌসেনা থেকে অবসর নেওয়ার পরে শান্তনু বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সংস্থাকে বরাত পাইয়ে দিতে সাহায্য করতেন। এখনও তিনি অনিল অম্বানীর সংস্থার উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। এর মধ্যে কোনও স্বার্থের সংঘাত রয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছে সংবাদ পোর্টালটি।
রাহুলের যুক্তি, ‘‘আরও অনেকের মুখোশ খুলবে।’’ আজ মধ্যপ্রদেশে প্রচারে গিয়েও মোদীকে কটাক্ষ করে রাহুল বলেন, ‘‘দেশের যে কোনও জায়গায় গিয়ে এখন চৌকিদার বললেই জবাব আসে, চোর হ্যায়। দেশে এক জন বাদে বাকি চৌকিদারেরা সকলেই সৎ। তবু এক জনের জন্য সব চৌকিদারের বদনাম হচ্ছে।’’ মোদীর দৌলতে চৌকিদারদের এই অপমানের জন্য ক্ষমা চান রাহুল।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৪