মরণোত্তর চক্ষুদান : অধ্যাপক ডা. হজরত আলী
দয়া এবং দানশীলতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষের নাম বিশ্বজোড়া। কিন্তু এরপরও দেশটিতে মরণোত্তর চক্ষুদান করার বিষয়টি আজও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি।
মরণের মধ্য দিয়ে চোখের আলো নিভে গেছে যে মানুষটির তারই চোখজোড়া দু' জন মানুষকে দিতে পারে অর্থবহ ভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ। খুলে দিতে পারে দৃষ্টিশক্তি। একজনের জীবনে এই দান কি বিশাল হয়ে উঠতে পারে - একটু ভেবে দেখুন!
মরণোত্তর চক্ষু দান নিয়ে অনেক কথাই বলা হয়। এ ছাড়া, রয়েছে অনেক জল্পনা-কল্পনাও। সত্যিকার অর্থে মরণোত্তর চুক্ষদান বলতে সঠিক ভাবে কি বোঝানো হয়। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কি, কি ভাবে একে জনপ্রিয় করা যায় – হ্যাঁ এ সব বিষয়ে ধারাবাহিক আলোচনা করেছেন বাংলাদেশের রাজধানীর বারডেমের চক্ষু বিভাগের সাবেক প্রধান ও ঢাকার হারুন আই ফাউন্ডেশন হসপিটালের অধ্যাপক ডা. হজরত আলী। এখানে সে আলোচনাই তুলে ধরা হলো।
পার্সটুডে/মূসা রেজা/১৮