জানুয়ারি ১৩, ২০২১ ১৩:৩৫ Asia/Dhaka

শ্রোতাবন্ধুরা, অনেক অনেক প্রীতি আর শুভেচ্ছা নিন। আশা করি বাংলাদেশ ও ভারতসহ পৃথিবীর যে প্রান্তে বসেই আমাদের অনুষ্ঠান শুনছেন না কেন, সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন। প্রিয়জনের আজকের আসরে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশিদ, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।

আশরাফুর রহমান: চিঠিপত্রের দিকে নজর দেয়ার আগে আজও আমি একটি বাণী শোনাতে চাই। আমিরুল মোমেনীন হযরত আলী (আ.) বলেছেন, “সেই ব্যক্তির ব্যাপারে বিস্মিত হতে হয়- যে শাস্তির ভয় করে, কিন্তু (পাপাচার থেকে) বিরত হয় না আর সওয়াবের আশা করে, অথচ তওবা করে না এবং (ভালো) কাজ করে না

আকতার জাহান: চমৎকার একটি বাণী শুনলাম। আমরা সবার যেন পাপাচার থেকে বিরত থাকতে পারি এবং বেশি বেশি তওবা করতে পারি- এ আশা প্রকাশ করে নজর দিচ্ছি চিঠিপত্রের দিকে।

আসরের প্রথম চিঠিটি এসেছে বাংলাদেশের কুমিল্লার ঝাকুনিপাড়া থেকে আর লিখেছেন মো. মাহফুজুর রহমান।

গাজী আবদুর রশিদ: বহুদিন পর মাহফুজ ভাইয়ের চিঠি পেলাম। একটা সময় তিনি নিয়মিত লিখতেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রেডিও তেহরানের সংবাদ ও তথ্য শেয়ার করতেন।

আশরাফুর রহমান: আপনি একদম ঠিক বলেছেন। অবশ্য আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মাহফুজ ভাই এখনও সক্রিয়। যাইহোক, নিরবতা ভেঙে আবারো চিঠি লেখায় মাহফুজ ভাইকে ধন্যবাদ।

আকতার জাহান: এবার তাহলে আমি তার চিঠিটা পড়ে শোনাই?

গাজী আবদুর রশিদ: জি, শুরু করুন। আমরাও জানতে চাই তিনি কী লিখেছেন?

আকতার জাহান: রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের সকল শ্রোতা ও কলাকুশলীকে আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি লিখেছেন, আমি অস্কারজয়ী ইরানি চলচ্চিত্র ‘অ্যা সেপারেশন’ নিয়ে একটি প্রতিবেদন চাই। যদি পূর্বে কোনো প্রতিবেদন প্রচারিত হয়ে থাকে তবে পুনঃপ্রচার করার জন্য অনুরোধ করছি।”

আশরাফুর রহমান: ‘অ্যা সেপারেশন’ নিয়ে রেডিওতে প্রতিবেদন প্রচারের সুযোগ এখন আর নেই। কারণ বিষয়টি অনেক পুরোনো। তবে বিখ্যাত এ চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে আমরা কিছু তথ্য এ অনুষ্ঠানে তুলে ধরছি।

গাজী আবদুর রশিদ: ২০১১ সালে শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র ক্যাটাগরিতে অস্কার জয় করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় আসগর ফরহাদির ‘অ্যা সেপারেশন’ চলচ্চিত্রটি। অস্কারের পাশাপাশি অনেকগুলো আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করে এটি। শুধু পুরস্কার না, ‘অ্যা সেপারেশন’ দর্শকদের মধ্যেও বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। দর্শকদের ভোটে ইন্টারনেট মুভি ডাটাবেজ, IMDB-এর সর্বকালের সেরা ২৫০ চলচ্চিত্রের তালিকায় এখন এর অবস্থান ১১৪ নম্বরে। ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত অ্যা সেপারেশন সারা বিশ্বে ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে চলচ্চিত্রটির বাজেট ছিল লাখ ডলার

আকতার জাহান: এখানে আরও একটি তথ্য উল্লেখ করা জরুরি মনে করছি। আর তা হলো- অস্কারের ৮৪ বছরের ইতিহাসে ওটাই ছিল কোনো মুসলিম রাষ্ট্রের প্রধান কোনো ক্যাটাগরিতে অস্কার বিজয়। ৬ বছর পর আবারও চমক দেখান ফরহাদি। ২০১৭ সালে তার তৈরি ‘দ্য সেলসম্যান’ আবারও শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র ক্যাটাগরিতে অস্কার লাভ করে।

আশরাফুর রহমান: আসরের পরের মেইলটি এসেছে বাংলাদেশের জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার পূর্ব নলছিয়া গ্রাম থেকে। আর পাঠিয়েছেন আয়েশা সিদ্দিকা আশা।

সালাম ও শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি লিখেছেন, “আমি আপনাদের নতুন পত্রলেখক। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে প্রচারিত আপনাদের সান্ধ্য অধিবেশন শুনলাম। বিশ্বসংবাদ ও অন্যান্য নিয়মিত পরিবেশনার সাথে ছোট্ট বন্ধুদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠান রংধনুর আসরে কৃপণ লোক ও তার ছেলের কারসাজির গল্প শুনে শিখতে পারলাম যে, কৃপণতা কখনোই ভালো নয়। জগতে টাকা পয়সার প্রয়োজন থাকলেও কৃপণতা পরিবারের মধ্যে অশান্তি ও অভাব তৈরি করে- যা কাম্য  নয়। সবাইকে নিয়ে একসাথে মিলেমিশে, সবার চাহিদা পুরণ করে চলাই বেঁচে থাকার স্বার্থকতা। রেডিও তেহরান ধন্যবাদ শিক্ষণীয় গল্পটি প্রচার করার জন্য।

গাজী আবদুর রশিদ: বোন আয়েশা সিদ্দিকা আশা, রংধনু আসরে প্রচারিত গল্পটি আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমাদেরও ভালো লাগছে। আশা করি চিঠি লেখা অব্যাহত রাখবেন।

বাংলাদেশের পর এবার ভারত থেকে আসা একটি মেইলের দিকে নজর দিচ্ছি। ছত্তিসগড় রাজ্যেরর দুর্গ জেলার ‘পরিবার বন্ধু শর্টওয়েভ লিসেনার্স ক্লাব’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনন্দ মোহন বাইন পাঠিয়েছেন এই চিঠিটি। তিনি লিখেছেন, "আমি রেডিও তেহরান প্রায় প্রতিদিন শুনি। রেডিও তেহরানের প্রতিটি অনুষ্ঠান খুব উঁচুমানের। এগুলোর মধ্যে রংধনু ও কথাবার্তা দুটি অনুষ্ঠান শ্রোতাদের খুব প্রিয়। আর প্রিয়জন শুনতে না পেলে শ্রোতারা মন খারাপ করেন। রংধনুতে ছোটদের গল্প আমরা বড়রা মন দিয়ে শুনি। গল্প পরিবেশনা করার যে তরিকা সেটা অন্য কোনো বেতার কেন্দ্র থেকে আজকাল শোনা যায় না। কথাবার্তা অনুষ্ঠানে সিরাজুল ইসলামের বিশ্লেষণ সবার মন কেড়ে নেয়।"

আকতার জাহান: চিঠির শেষাংশে এ শ্রোতাবন্ধু লিখেছেন, ২০২০ সালে রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগে আমূল পরিবর্তন এসেছে। রেডিও তেহরান সবক্ষেত্রে শ্রোতাবান্ধব হয়ে উঠেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আশরাফুর রহমান: বন্ধু আনন্দ মোহন বাইন, বিভিন্ন বিষয়ে মতামতসমৃদ্ধ এই চিঠির জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আসরের এ পর্যায়ে আমরা সরাসরি মতামত জানব এক বাংলাদেশি শ্রোতা ও বেতার সংগঠক মো. জাকারিয়া চৌধুরী যুবরাজের সঙ্গে। প্রথমেই তার পরিচয় জানা যাক।  

আশরাফুর রহমান: সাক্ষাৎকারের পর আবারো চিঠিপত্রের দিকে নজর দিচ্ছি। কুয়েত সিটি থেকে শাহজালাল হাজারী পাঠিয়েছেন এই মেইলটি। তিনি লিখেছেন, “প্রবাস জীবনে সময় ও সুযোগ সীমিত, সীমাবদ্ধতা অসীম; তাই নিয়মিত মেইল করা হয় না। তবে নিয়মিতই ওয়েবসাইট ভিজিট করে জেনে নিচ্ছি প্রতিদিনকার আয়োজন ও সংবাদ। কোনো কারণে ওয়েবসাইট ভিজিট না করলে মনে হয় আমার জীবন থেকে মূল্যবান কী যেন হারিয়ে গেছে। তখন নিজেকে শূন্য শূন্য মনে হয়।”

রেডিও তেহরান সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে এ শ্রোতাভাই আরও লিখেছেন, “রেডিও তেহরানকে মন থেকে কখনো হারাতে চাই না এবং হারাতে পারবও না। কারণ এই বেতারের অনুষ্ঠান শোনা ও লিখা আমার জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। জীবনকে বদলে দেওয়ার জন্য এবং ইসলামের রঙে রাঙানোর জন্য রেডিও তেহরান আমাদের পথপ্রদর্শক।”

আকতার জাহান: রেডিও তেহরান সম্পর্কে চমৎকার মূল্যায়নের জন্য শাহজালাল হাজারী ভাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরের চিঠির দিকে নজর দিচ্ছি। এটি পাঠিয়েছেন কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেন। তিনি লিখেছেন, রেডিও তেহরানের কিছু শ্রোতা আছেন, যারা শুধু রংধনু শোনেন। সেজন্যে অন্যান্য দিনের চেয়ে বৃহস্পতিবারে বেশি সংখ্যক শ্রোতা রেডিও তেহরান শুনেন। রংধনু ছোট্টমণিসহ অনেকেরই প্রিয় অনুষ্ঠান।

গত ৪ ডিসেম্বর তারিখে প্রচারিত রংধনু সবার ভালো লেগেছে জানিয়ে শাহাদত ভাই লিখেছেন, “ওই অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপস্থাপকদ্বয় বলেন যে, জোর করে কারো উপর ধর্ম চাপিয়ে দেয়া ইসলাম সমর্থন করে না । এখনো ইসলামের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও ইসলামের অগ্রযাত্রা অব্যাহত আছে। ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম এখন ইসলাম। সূরা বাকারায় আল্লাহ বলেছেন, ধর্ম গ্রহণের ক্ষেত্রে কোন জোর-জবরদস্তি নেই। এ কথাগুলোই আজ আমাকে চিঠি লিখতে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি মনে করি, সরাসরি উপদেশের চেয়ে গল্পের মাধ্যমে উপদেশ আরো বেশি কার্যকর। তাই আজকের কথা ও কাহিনী যেমন শিক্ষামূলক, তেমনি তা আমাদের হৃদয়কেও ছুঁয়ে গেছে। সুন্দর ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের জন্য রেডিও তেহরানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

আশরাফুর রহমান: নওমুসলিমকে নিয়ে ঐতিহাসিক ঘটনাসম্বলিত রংধনু অনুষ্ঠানটি আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমাদেরও ভালো লাগল। চিঠি লিখে বিষয়টি জানানোয় আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট থেকে বিধান চন্দ্র সান্যালের বেশিকিছু ইমেইল আমাদের হাতে পৌঁছেছে। একটি মেইলে তিনি লিখেছেন, "রেডিও তেহরান আমার নিত্য সঙ্গী, সর্বোত্তম সহচর। অন্য গণমাধ্যম প্রতারণা করে কিন্তু রেডিও তেহরান প্রতারণার পরিবর্তে জ্ঞানচক্ষু প্রসারিত করে। অন্য মাধ্যম ধ্বংস হয় ধুলায় মিশে যায় কিন্তু রেডিও তেহরান রয়ে যায়। ইতিহাসের ধারায় রেডিও তেহরানের ভূমিকা অসামান্য। রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠানে থাকে যুগ-যুগান্তরের চিন্তা-ভাবনা ও বিচিত্র জীবনের কথা। 

গাজী আবদুর রশিদ: রেডিও তেহরান সম্পর্কে বিধান দা'র কথাগুলো হৃদয় ছুয়ে গেল। বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত চিঠি লেখার জন্য তাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার আকন্দের বাইদের দিঘী বেতার শ্রোতা সংঘের সভাপতি মোবারক হোসেন ফনি পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। তিনি লিখেছেন- আমি ইরাক যুদ্ধের সময় হতে নিয়মিত রেডিও তেহরান শুনে ও লিখে আসছি। বিগত দিনে জমজম ম্যাগাজিন, অনুষ্ঠানসূচি ঈদ কার্ড পাঠাতেন। যা শ্রোতাদের উৎসাহের খোরাক হিসেবে বিবেচিত হতো। এসব পাঠানো যখন বন্ধ হয়ে গেল তখনই ঝিমিয়ে পড়ে শ্রোতারা। তবে ২০২০ সালে কিছুক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনে রেডিও তেহরান। শ্রোতারা ফিরে আসে আগের মতো রেডিও তেহরান শোনার স্বাদ পেতে। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। নিয়মিত ফেসবুক লাইভ ও ওয়েবসাইটে উঁকি মারি। এটা যে আমার ডি-এক্সিং জগতের রেডিও তেহরানের প্রতি অগাধ ভালোবাসা!

আকতার জাহান: রেডিও তেহরানের প্রতি আপনার ভালোবাসা অব্যাহত থাকুক আমাদের এটাই প্রত্যাশা। আশা করি এখন থেকে নিয়মিত চিঠি লিখবেন। আসরের এ পর্যায়ে খ্রিস্টীয় নতুন বছর ২০২১-এর শুভেচ্ছা জানিয়ে যারা ইমেইল করেছেন তাদের নাম-ঠিকানা জানিয়ে দিচ্ছি।

  • ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদেনীপুর থেকে সিদ্ধার্থ ভট্টাচার্য
  • আনন্দ মোহন বাইন ছত্তিশগড় রাজ্যের দুর্গ থেকে
  • বাংলাদেশের দিনাজপুর থেকে শাহ মো. মোকাররম হোসাইন রনি।
  • নারায়ণগঞ্জের আলী সাহারদি থেকে  তাজরীন আহমেদ তমা ও আমেনা খানম শেলী
  • মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থানার ইমামপুর থেকে মারিয়া খানম মৌরি, ফিওয়ানা রহমান ও ফারিয়া খানম মুমু

আশরাফুর রহমান: নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আশা করি নতুন বছরটি সবার জীবনে কল্যাণ বয়ে আনবে। তো বন্ধুরা, এবারে আমরা আরও কয়েকজনের নাম জানিয়ে দেবো যারা আমাদের অনুষ্ঠানের শ্রবণমান রিপোর্ট পাঠিয়েছেন।

  • ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে বিধান চন্দ্র স্যানাল
  • জাওয়াদ সাবের মরক্কো থেকে
  • বাংলাদেশের রাজবাড়ি থেকে শাওন হোসাইন
  • শাহাদত হোসেন কিশোরগঞ্জ থেকে
  • এবং হারুন অর রশীদ জামালপুর থেকে

গাজী আবদুর রশিদ: অনুষ্ঠান শোনার পর যারা কষ্ট করে রিসিপশন রিপোর্ট পাঠিয়েছেন তাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তো শ্রোতাবন্ধুরা, অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে আমরা একটি কবিতা শুনব। কবিতাটি আবৃত্তি করে পাঠিয়েছেন বাংলাদেশের ছড়াকার ও কবি আমিন আল আসাদ। 

আকতার জাহান: বিশ্ব মানবতার মহান দূত হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিবেদিত কবিতাটির জন্য আমিন আল আসাদ ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আশরাফুর রহমান: তো শ্রোতাবন্ধুরা, দেখতে দেখতে আমাদের সব আয়োজন এক এক করে ফুরিয়ে এলো। এতক্ষণ সঙ্গ দেয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে গুটিয়ে নিচ্ছি চিঠিপত্রের আজকের আসর।

গাজী আবদুর রশিদ: কথা হবে আবারো আগামী আসরে। ততক্ষণ পর্যন্ত আপনারা সবাই ভালো ও সুস্থ থাকুন- খোদা হাফেজ।

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।