এপ্রিল ০৮, ২০২১ ১১:০৪ Asia/Dhaka

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতা থেকে প্রকাশিত প্রধান প্রধান বাংলা দৈনিকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবরের শিরোনাম:

  • করোনা থেকে বাঁচতে ভবিষ্যতে কঠোর পদক্ষেপ: প্রধানমন্ত্রী -ইত্তেফাক
  • বাংলাদেশের ওপরে রহস্যময় মিথেন গ্যাসের ধোয়া – মানবজমিন
  • মামুনুল কাণ্ড: ছাত্রলীগ নেতা লাঞ্ছিত, ওসিসহ ৩ পুলিশ প্রত্যাহার -বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • বিশ্বে করোনায় মৃত্যু প্রায় ২৯ লাখ-সমকাল
  • গণতন্ত্রের সংকট-বাংলাদেশের সামনে এখন দুটি বিকল্প-আলী রিয়াজ–প্রথম আলো
  • করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ শুরু–যুগান্তর 
  • ৫ দিনের সফরে আজ ঢাকায় ভারতের সেনাপ্রধান -কালের কণ্ঠ

এবার ভারতের কয়েকটি খবরের শিরোনাম:

  • 'মনে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি শাসনে ভোট হচ্ছে', যাদবপুর থেকে তোপ মমতা-সংবাদ প্রতিদিন
  • কোভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি-আজকাল

শ্রোতাবন্ধুরা! এবারে চলুন বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর।

করোনা থেকে বাঁচতে ভবিষ্যতে কঠোর পদক্ষেপ: প্রধানমন্ত্রী -ইত্তেফাক

করোনা ভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচাতে সরকার ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিসিএস কর্মকর্তাদের ৭১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। করোনা ভাইরাস মহামারির ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে এ সময় সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এদিকে উর্ধ্বসংক্রমণের মধ্যেই আজ থেকে করোনার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হয়েছে।

লকডাউন যে কারণে ব্যর্থ-ইত্তেফাক

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য সরকার লকডাউন নামে যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সেটি মাত্র দুই দিন পরেই ভেঙে পড়েছে। প্রথম দিন থেকেই কোথাও লকডাউনের লেশমাত্র ছিল না। অনেক জায়গায় মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখার দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে। কোথাও কোথাও এই বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। এমন অবস্থায় সরকার যেসব বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল তা থেকে নিজেরাই পিছু হটেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক অবশ্য সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘লকডাউন কার্যকর করার জন্য সরকার আইন প্রয়োগের মাধ্যমে কঠোর হতে চায়নি। জনগণ যাতে সচেতন হয় সে বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’ প্রশ্ন হচ্ছে, সরকার কেন এই বিধিনিষেধগুলো কার্যকর করতে পারল না? সাধারণ মানুষ এবং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিধিনিষেধ কার্যকর করতে না পারার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি কারণের কথা বলছে বিবিসি।

বাস বন্ধ, প্রাইভেট কার চালু : সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী বিধিনিষেধ কার্যকরের প্রথম দিন থেকে গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু একই সঙ্গে দেখা গেছে শহর জুড়ে প্রাইভেট কার চলছে। এ ব্যবস্থাকে একটি বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টরা।

কারখানা খোলা, মার্কেট বন্ধ :গার্মেন্টস কারখানাগুলো বরাবরই অন্যসব সরকারি বিধিনিষেধের আওতার বাইরে ছিল। ২০২০ সালের লকডাউনেও যখন সবকিছু বন্ধ ছিল, তখন গার্মেন্টস কারখানাগুলো খোলা রাখা হয়। এবারও শুরু থেকেই গার্মেন্টসসহ শিল্প-কারখানাগুলো বিধিনিষেধের বাইরে ছিল। দেশের বিভিন্ন জায়গায় দোকানের কর্মচারীরা যে বিক্ষোভ করেছে সেখানে তাদের অন্যতম যুক্তি ছিল, যেখানে সব শিল্প-কারখানা খোলা আছে সেখানে শুধু মার্কেট-শপিংমল বন্ধ করে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কীভাবে থামানো যাবে? তাছাড়া গত বছর লকডাউনের কারণে ঈদ এবং পহেলা বৈশাখের কেনাকাটা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এবারও সে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এজন্য দোকানিরা উদ্বিগ্ন হয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক আব্দুল হামিদ বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, ‘কিছু খোলা রেখে কিছু বন্ধ রেখে তো হয় না। এটা তো পুরোপুরি বৈপরীত্য। সবকিছু বন্ধ থাকলে মানুষ তখন উদাহরণ দেখাত না, অজুহাত খুঁজত না।’

অফিস খোলা, পরিবহন বন্ধ : সরকারি বিধি-নিষেধের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সব সরকারি-বেসরকারি অফিস শুধু জরুরি কাজ সম্পাদনের জন্য সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। প্রয়োজনীয় জনবলকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় অফিসে আনা-নেওয়া করতে পারবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, বাংলাদেশে বেশির ভাগ অফিসের নিজস্ব কোনো পরিবহন ব্যবস্থা নেই। একদিকে অফিস খোলা এবং অন্যদিকে রাস্তায় গণপরিবহন নেই। এ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েন সাধারণ মানুষ। প্রতিদিন অফিসে যাতায়াতে বহু টাকা খরচ হওয়ায় মানুষের মধ্যে এক ধরনের ক্ষোভও তৈরি হয়। ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা শারমিন আহমেদ বলেন, ‘অফিস খোলা রাখল কেন? পরিবহন যখন বন্ধ করেছিল তখন তো অফিসও বন্ধ রাখা উচিত ছিল।’

বাংলাদেশের ওপরে রহস্যময় মিথেন গ্যাসের ধোয়া-মানবজমিন

বাংলাদেশের ওপরে ঘন মিথেন গ্যাসের রহস্যময় ধোয়া দেখা গেছে। এ নিয়ে পরিবেশবিদদের ভাবিয়ে তুলেছে। জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে যেসব দেশ, তার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। এখন এই দেশটিই বাতাসে মিথেন নিঃসরণে বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করা হচ্ছে। এটি একটি গ্রিনহাউজ গ্যাস, যা প্রথম দুই দশকে কার্বন ডাই অক্সাইডের চেয়ে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ কার্যকর। অনলাইন বিএনএন ব্লুমবার্গ নিউজে এসব কথা বলা হয়েছে। এ বছর প্যারিস ভিত্তিক কোম্পানি কেরোস এসএএস নামের প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি মিথেন গ্যাস নিঃসরণের সর্বোচ্চ ১২টি হার শনাক্ত করেছে। এসব ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে।

স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে তারা এমনটা বলেছে। জিএইচজিস্যাট ইনকরপোরেশনের প্রেসিডেন্ট স্টেফানি জার্মেইন বলেছেন, আমরা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে টেকসই মিথেন নিঃসরণ দেখতে পেয়েছি। তবে এর উৎস স্পষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারিনি। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির ডাটা পর্যালোচনা করে ব্লুফিল্ড টেকনোলজিস ইনকরপোরেশন। মে মাসে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ওপরে বিপুল পরিমাণ মিথেনের মেঘ দেখতে পায়। পাশাপাশি তারা বাংলাদেশের ওপরে মিথেনের ঘনত্বটা শনাক্ত করে। এই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ইয়োতাম এরিয়েল বলেন, আমাদের বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায় বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মিথেন নিঃসরণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এ বিষয়টি স্যাটেলাইটেই শনাক্ত করা যায়। 

গণতন্ত্রের সংকট-বাংলাদেশের সামনে এখন দুটি বিকল্প-প্রথম আলো

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর আলী রীয়াজের নতুন বই নিখোঁজ গণতন্ত্র, কর্তৃত্ববাদের পথরেখা ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। বইটির শেষ অধ্যায়ের শেষ কিস্তি।

দৃশ্যকল্প বা সিনারিও বিবেচনা করলে বাংলাদেশের সামনে এখন দুটি বিকল্প আছে—প্রথমত বর্তমান পথরেখাকে অব্যাহত রাখা, যার সম্ভাব্য পরিণতি হচ্ছে প্রত্যক্ষ কর্তৃত্ববাদ। দ্বিতীয়ত, এই পথ থেকে সরে এসে একটি অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়া, যা ক্রমান্বয়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে অগ্রসর হবে। যেকোনো ধরনের দৃশ্যকল্প বিবেচনার সময় এটা মনে রাখতে হবে যে কোনো সমাজের বা রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ পূর্বনির্ধারিত নয়। যেকোনো ধরনের ভবিষ্যৎ পথরেখা তৈরি করার বিষয়। একটি দেশের নাগরিকেরা যত বিরূপ পরিবেশই মোকাবিলা করুন না কেন, ভবিষ্যৎ তাঁরাই তৈরি করেন। নাগরিকদের সক্রিয়তা বা নিষ্ক্রিয়তাই হচ্ছে পথরেখা নির্ধারণের মূল চালিকা। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ইতিহাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্মিত হয় না, আর রাজনীতিতে অবশ্যম্ভাবী বলে কিছু নেই।

এবার ভারতের কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:

'মনে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি শাসনে ভোট হচ্ছে', যাদবপুর থেকে তোপ মমতার-সংবাদ প্রতিদিন

শনিবার অর্থাৎ চতুর্থ দফায় যাদবপুর আসনে নির্বাচন । তার আগে বুধবার সন্ধেয় যাদবপুরে জনসভা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আক্রমণ করলেন বিজেপিকে। কটাক্ষ করলেন যাদবপুরের বামপ্রার্থী সুজন চক্রবর্তীকেও। বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বললেন, “মনে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি শাসনে ভোট হচ্ছে।”

বুধবার দুপুরে উত্তরবঙ্গে একাধিক সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে ফিরে যাদবপুরে সভা করেন তিনি। বিজেপিকে তুলোধোনা করেন। বিজেপির একাধিক নীতির বিরোধিতায় সুর চড়ান তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বলেন, “এমন ভোট আগে দেখিনি। আমার হাতে কিছুই নেই। কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। প্রতিদিন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক এমনকী ওসিদের বদলি করে দেওয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি চারিদিকে যেন রাষ্ট্রপতি শাসনে ভোট হচ্ছে।” এরপরই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মমতা বলেন, “আমি যদি বাঘের বাচ্চা হয়ে থাকি বিজেপিকে কিছুতেই বাংলা দখল করতে দেব না। বাংলাকে টুকরো করতে দেব না। ওরা আমার পায়ে চোট করালেও, জানে না এত সহজে আমাকে দমানো যাবে না। আমি চূড়ান্ত জেদি।”

মমতা কুচবিহারের জনসভায় বলেছেন,যেখানে সি আর পি এফ আপনাদের ভোট দিতে বাধা দেবে, সেখানেই একটা গ্রুপে ওদের ঘেরাও করে রাখুন, অন্য গ্রুপ গিয়ে ভোট দিয়ে আসুন। ভোট দেয়ার অধিকার নাগরিকদের মৌলিক অধিকার। কেন্দ্রীয় বাহিনী তাতে বাধা দিতে পারে না। 

প্রযুক্তিতে ভারতের চেয়ে এগিয়ে চিন’, সেনায় সাইবার হামলার আশঙ্কা বিপিন রাওয়াতের-সংবাদ প্রতিদিন

 প্রযুক্তির (Technology) দিক থেকে চিনের থেকে অনেকটা পিছিয়ে ভারত। প্রকাশ্যেই সে কথা স্বীকার করে নিলেন দেশের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত (CDS Bipin Rawat)। আর এই প্রযুক্তিগত দিকে এগিয়ে থাকার সুবিধা নিয়ে চিন ভারতের উপর সাইবার হামলা (Cyber Attack) চালাতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করলেন তিনি।চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফের কথায়, “বছরের পর বছর ধরে চিন ও ভারতের মধ্যে প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে একটা বিরাট ব্যবধান রয়েছে। উন্নত প্রযুক্তি তৈরিতে চিনে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করে। আর তাই ওঁরা আমাদের থেকে অনেকটা এগিয়ে। আমরাও যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বহু নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসছি। তবে সাইবার ক্ষেত্রে একটা বিরাট পার্থক্য থেকেই গিয়েছে।” রাওয়াতের আশঙ্কা, চিন ভারতের নিরাপত্তাবাহিনীর উপর সাইবার হামলা চালাতে পারে। আর সেই হামলা ভারতীয় বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে।

কোভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি -আজকাল

করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এইমস)–এ টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেন তিনি। প্রথম ডোজ নেওয়ার ৩৭ দিন পর মোদি নিলেন দ্বিতীয় ডোজ। টিকাকরণের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হওয়ার পরে গত ১ মার্চ প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

নিজের টিকা নেওয়ার একটি ছবি টুইট করে মোদি অনুরোধ করেছেন, টিকা নেওয়ার যোগ্য হলে যেন দ্রুত তা নেন সবাই। টুইটে মোদি বলেন, ‘এইমসে কোভিড–১৯ টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলাম। ভাইরাসকে হারানোর যে কয়েকটি উপায় রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম এই টিকা। যদি আপনি টিকা নেওয়ার যোগ্য হন, তা হলে তাড়াতাড়ি টিকা নিয়ে নিন।’‌ 

ভারত বায়োটেক ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)–এর তৈরি কোভ্যাক্সিন টিকা নিয়েছেন মোদি।

শ্রোতাবন্ধুরা! কথাবার্তার আজকের আসর এখানেই গুটিয়ে নিচ্ছি। আবারও কথা হবে আগামী আসরে। ততক্ষণ সবাই ভালো ও সুস্থ থাকুন।

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/৮

  • বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।