স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে: শেখ হাসিনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i105868-স্বাধীনতা_ও_সার্বভৌমত্ব_রক্ষায়_সশস্ত্র_বাহিনীকে_সদা_প্রস্তুত_থাকতে_হবে_শেখ_হাসিনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়  সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে  বলেছেন,   ‘আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চাই না। কিন্তু যদি কোনো বহিঃশত্রু হামলা করে তাহলে আমরা যথাযথভাবে মোকাবিলা করবো।’
(last modified 2026-04-22T13:03:21+00:00 )
মার্চ ২৯, ২০২২ ১৬:৩০ Asia/Dhaka
  • বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়  সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে  বলেছেন,   ‘আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চাই না। কিন্তু যদি কোনো বহিঃশত্রু হামলা করে তাহলে আমরা যথাযথভাবে মোকাবিলা করবো।’

প্রধানমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার শরীয়তপুরের জাজিরায় নতুন একটি সেনানিবাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন। তিনি তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। নতুন সেনানিবাসের নামকরণ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর  ছোট ভাই শেখ রাসেলের নামে। 

শেখ হাসিনা তার  পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মূলনীতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ আমরা এই নীতিতে বিশ্বাসী। কিন্তু দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর প্রত্যেক সদস্যকে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার দেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধশালী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।  তিনি  বিশ্বাস করেন,  সশস্ত্র বাহিনীর প্রত্যেকটি সদস্য তাদের নিজ নিজ বুদ্ধি, পেশাগত দক্ষতা ও কর্তব্যনিষ্ঠার মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে তাদের সুনাম বৃদ্ধি করবে।

তিনি উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি-১৯৭৪’ গঠন করেন এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে তিনি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি ও কম্বাইন্ড আর্মস স্কুলসহ সেনাবহিনীর জন্য একশ’রও বেশি ইউনিট ও ইন্সটিটিউশন স্থাপন করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যার পর সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অস্থিতিশীলতা দেখা দেয় এবং প্রায় ১৯ থেকে ২০ বার ক্যু সংঘটিত হয়। এতে সশস্ত্র বাহিনীর অনেক কর্মকর্তা ও সৈন্য নিহত হয়।

সরকারপ্রধান বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

তিনি জানান, তার সরকার ১৯৯৮ সালে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ এবং মিলিটারি ইন্সটিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি প্রতিষ্ঠা করে। এ ছাড়া ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশনস ট্রেনিং এন্ড আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। #

পার্সটুডে/এআরকে/২৯