বিএনপি পুলিশ সংঘর্ষ, গাড়িতে আগুন ভাংচুর; টিয়ারসেল কাঁদানে উত্তপ্ত পরিস্থিতি
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i126154-বিএনপি_পুলিশ_সংঘর্ষ_গাড়িতে_আগুন_ভাংচুর_টিয়ারসেল_কাঁদানে_উত্তপ্ত_পরিস্থিতি
রাজধানী ঢাকার প্রবেশমুখে বিএনপির অবস্থানকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় রাজধানীর গাবতলী থেকে বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান, ধোলাইখাল থেকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদসহ বহু নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুলাই ২৯, ২০২৩ ১৪:১৭ Asia/Dhaka
  • বিএনপি পুলিশ সংঘর্ষ, গাড়িতে আগুন ভাংচুর; টিয়ারসেল কাঁদানে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

রাজধানী ঢাকার প্রবেশমুখে বিএনপির অবস্থানকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় রাজধানীর গাবতলী থেকে বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান, ধোলাইখাল থেকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদসহ বহু নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

পরে যদিও গয়েশ্বচন্দ্র রায় ও আমানউল্লাহ আমানকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। অসুস্থ বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

ঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর মাতুয়াইল মেডিকেল এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে দেয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এসময় সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করে পুলিশ। প্রাথমিক চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কাঁদানে গ্যাস ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ  করে ছত্রভঙ্গ করতে শুরু করে বিএনপি নেতাকর্মীদের। তখনই শুরু হয় সংঘর্ষ। 
এক পর্যায়ে শনিরআখড়ায় পুলিশ ও বিএনপির মধ্যকার সংঘর্ষ রুপ নেয় রণক্ষেত্রে। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। 
পুরানঢাকার ধোলাইখালেও বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বেলা ১১টার দিকে ধোলাইখাল মোড়ে অবস্থান নেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। সেখানেও বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপি নেতাকর্মীদের অবস্থান কর্মসূচি থেকে সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। কিন্তু অবস্থান কর্মসূচি পালন নিয়ে অনড়  সিদ্ধান্ত জানায় বিএনপি নেতাকর্মীরা। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী ধোলাইখাল মোড়ে তার বক্তৃতা শুরু করতেই লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। জবাবে ইট-পাটকেল ছোড়েন অবস্থানকারীরা।  আর তখনই আবার শুরু হয় কাঁদানে গ্যাস ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ।

এঘটনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায় ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  
তবে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন লালবাগ জোনের উপ পুলিশ কমিশনার জাফর হোসেন। 

এদিকে, গাবতলীতে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। রাস্তায় সতর্ক অবস্থানে ছিল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামীলীগ
সাধারণ সম্পাদক, এস এম মান্নান কচি বলেছেন, জনগনের জানমালের নিরাপত্তায় তাদের কর্মীরা রাজপথে রয়েছে।
  
এছাড়াও, পুলিশ বিএনপির সংঘর্ষে উত্তরা থেকে বিমানবন্দর সড়কেও যান চলাচল বন্ধ ছিল। উত্তরায় বিএনএস সেন্টারের সামনে বিএনপি-পুলিশের সংঘর্ষের জেরে এঘটনা ঘটে। 

তবে, ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে বিএনপি ও তাদের যুগপৎ আন্দোলনের দলগুলোর অবস্থান কর্মসূচি ‘বেআইনি’ ছিল বলে মনে করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) ফারুক আহমেদ জানান, এই কর্মসূচি থেকে এখন পর্যন্ত বিএনপি ও তাদের যুগপতের দলগুলোর প্রায় ৯০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন। #
পার্সটুডে/বাদশা রহমান/রেজওয়ান হোসেন/২৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।