রাষ্ট্রপতির উদ্যোগ নিয়ে আমাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই: শেখ হাসিনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i27775-রাষ্ট্রপতির_উদ্যোগ_নিয়ে_আমাদের_কোনো_মাথা_ব্যথা_নেই_শেখ_হাসিনা
নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন নিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিএনপির সংলাপ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা চাই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। রাষ্ট্রপতি উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। এ ব্যাপারে আমাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই।’ 
(last modified 2026-06-27T09:59:16+00:00 )
ডিসেম্বর ০৮, ২০১৬ ২০:৫১ Asia/Dhaka
  • সংসদে শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)
    সংসদে শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন নিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিএনপির সংলাপ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা চাই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। রাষ্ট্রপতি উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। এ ব্যাপারে আমাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই।’ 

আজ (বৃহস্পতিবার) রাতে দশম জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ দেখি বিএনপি ভোট নিয়ে, নির্বাচন কমিশন নিয়ে কথা বলে। নির্বাচন কমিশন কীভাবে গঠন হবে, নির্বাচন কীভাবে হবে তা নিয়ে খালেদা জিয়া পরামর্শ দেন।‘ 

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির মুখে ভোট চুরির অভিযোগের কথা মানায় না। বিএনপির আমলে মাগুরাসহ অনেক নির্বাচনে ভোট চুরির মহোৎসব দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মার্কা নির্বাচনও দেশের মানুষ দেখেছে। ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিএনপির কর্মকাণ্ডও দেশের মানুষ দেখেছে। তাই তাদের মুখে ভোট চুরির অভিযোগ মানায় না। তারা ভুয়া ভোটার করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চেয়েছিল, কিন্তু দেশের মানুষের আন্দোলনের মুখে তারা টিকতে পারেনি। জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-কর্মী আত্মত্যাগ করেছেন। 

শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জন্য খালেদা জিয়াকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। ২০১৪ সালে নির্বাচনে অংশ না নেয়া ছিল বিএনপির ভুল সিদ্ধান্ত। এ জন্য দেশের মানুষ কেন ভুক্তভোগী হবেন।‘

তিনি বলেন, জ্বালাও-পোড়াও ও মানুষ পুড়িয়ে মারার যে মামলাগুলো হয়েছে সেই আসামিদের দ্রুত যেন শাস্তি হয় এটা আমরা চাইব। কারণ খুনি সন্ত্রাসীদের স্থান বাংলাদেশের মাটিতে হবে না।

রোহিঙ্গা সমস্যা সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমারের নির্যাতিত মানুষকে মানবতার কারণে এ দেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ ঘটনার জন্য যারা দায়ী, যারা মিয়ানমার বর্ডার পুলিশ ও সেনাবাহিনী সদস্যদের হত্যা করেছে। এদের মধ্যে যদি কেউ এ দেশে এসে থাকে, এদের গ্রেপ্তার করে সেই দেশের সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এদের স্থান বাংলাদেশের মাটিতে হবে না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কিছুদিন আগে তাঁকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি মনুষ্য সৃষ্ট ঘটনা। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

১০ম জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের শেষ দিন সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।#

পার্সটুডে/এআর/৯