দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচির অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ অর্জন করেছে: হাসিনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি করেছেন, জাতিসংঘ ঘোষিত দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বা এমডিজি’র অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ অর্জন করেছে।
বিশ্বের দরিদ্র দেশেগুলোকে ২০১৫ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য অবস্থা থেকে উন্নত করা, প্রাধমিক শিক্ষার বিস্তার ও এইচআইভি/এইডস-এর বিস্তার রোধে জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোল বা এমডিজি কর্মসূচি ঘোষণা করে। তবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার কারণে জাতিসংঘ ২০১৬ সালে নতুন করে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময়সীমা বেধে দিয়ে সাসটেনেবল ডেভলমেন্ট গোল (এসডিজি) নাম দিয়ে আর একটি ১৭ দফা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
আজ রাজধানীর একটি হোটেলে ই-নাইন ফোরামের একাদশতম বৈঠকের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় তিনি বলেন, এমডিজি'র অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। জেন্ডার সমতা ও প্রাইমারি স্কুলে নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জিত হয়েছে। উপবৃত্তি কর্মসূচিসহ আরো অনেক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে যেন শিক্ষাক্ষেত্রে সার্বজনীনতা নিশ্চিত করা যায়।
এ সময় তিনি বাংলাদেশসহ ই-নাইন ভুক্ত দেশগুলোকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত নেয়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন করার পরামর্শ দেন। এ সময় শেখ হাসিনা আরো বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য, '২০৩০ এজেন্ডা' বাস্তবায়নের জন্য এই ই-নাইন বড় ভূমিকা রাখবে। আর সে কারণেই ৯টি দেশের এই লক্ষ্য অর্জনে করণীয় সম্পর্কে পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।
তিনি দেশের শিক্ষাদান প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলেন, বর্তমানে ক্লাসে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়াও প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়েছে। অন্য ভাষাভাষী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর জন্য তাদের মাতৃভাষায় বই ছাপানো হয়েছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ পাঠ্য-পুস্তক বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ।
সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিশ্বকে অস্থির করে তুলছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ থেকে বিশ্বকে রক্ষার জন্য দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা দরকার। বাংলাদেশ পাঠ্য-পুস্তক ও শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে শিক্ষা খাতে আমরা সবচাইতে বেশি বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছি।#
পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/৫