৩০ মার্চ খালেদার দুর্নীতির দুই মামলার শুনানি: পুনঃতদন্তের আবেদন খারিজ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i34202-৩০_মার্চ_খালেদার_দুর্নীতির_দুই_মামলার_শুনানি_পুনঃতদন্তের_আবেদন_খারিজ
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি ৩০ মার্চ। তার আইনজীবীদের সময় চেয়ে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদার নতুন দিন ধার্য করেন।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
মার্চ ০৯, ২০১৭ ০৯:৩৮ Asia/Dhaka
  • বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া
    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি ৩০ মার্চ। তার আইনজীবীদের সময় চেয়ে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদার নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় এই আদালতের বিচারকের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে খালেদা জিয়া আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে দেন। বিচারিক আদালতের এই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়া হাইকোর্টের আবেদন করেন। শুনানি শেষে উচ্চ আদালত এই মামলা অন্য আদালতে বদলির আদেশ দেন। এ আদেশ এখনো বিচারিক আদালতে পৌঁছায়নি। এছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করা হয়েছে। এখন তা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার পুনঃতদন্ত চেয়ে করা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যে আবেদন করেছিলেন তা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। 

আজ (বৃহস্পতিবার) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আবেদনটি খারিজ করে দেন। এর আগে বুধবার একই বেঞ্চে আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান। সঙ্গে ছিলেন জাকির হোসেন ভূঁইয়া।  আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। 

পুনঃতদন্ত চেয়ে আবেদনের বিষয়ে খালেদার আইনজীবী জাকির হোসেন ভূইয়া জানিয়েছিলেন, জিয়া অরফানেজ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ টাকা এসেছে সৌদি আরব থেকে। প্রকৃতপক্ষে এই অর্থ কুয়েতের আমির অরফানেজ ট্রাস্টের জন্য দিয়েছেন। যেই টাকা লাভসহ (প্রায় পৌনে ৬ কোটি) এখনও ট্রাস্ট ফান্ডে জমা রয়েছে। তাই বিচারিক আদালতে আবেদন করেন মামলার এই অংশ পুনঃতদন্তের জন্য। সেই আবেদন গত ২ ফেব্রুয়ারি খারিজ হয়। যার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন।

তিনি আরও বলেন, একই সময়ে কুয়েতের আমির ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮১ হাজার ২১৬ টাকা প্রদান করেন। এর মধ্যে দুই কোটি ১০ লাখ টাকা অরফানেজ ট্রাস্টের নামে থাকলেও বাকি টাকা বাগেরহাটের জিয়া মেমোরিয়াল ট্রাস্টকে দেয়া হয়েছে। মেমোরিয়াল ট্রাস্টে খালেদা জিয়া নাই বলে তাদের কোনো অভিযোগ নেই। আর অরফানেজ ট্রাস্টে খালেদা জিয়া নমিনি ছিলেন। তাই তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার জন্যই এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

জাকির হোসেন আরো বলেন, ‘মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ মিথ্যা তদন্ত করে বলেছেন, ওই টাকা সৌদি আরব থেকে আনা হয়েছে এবং অনিয়ম হয়েছে, যা একটি মিথ্যা প্রতিবেদন। তাই বেগম জিয়া এ মামলার পুনঃতদন্ত চেয়ে আবেদন করেছেন।’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। #

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/৯