জঙ্গিবাদ নির্মূল করে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বাংলাদেশ: শেখ হাসিনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i34566-জঙ্গিবাদ_নির্মূল_করে_বিশ্বে_মাথা_উঁচু_করে_দাঁড়াবে_বাংলাদেশ_শেখ_হাসিনা
সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে জনমত ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
(last modified 2026-06-27T09:59:16+00:00 )
মার্চ ১৬, ২০১৭ ১৩:০৪ Asia/Dhaka
  • জঙ্গিবাদ নির্মূল করে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বাংলাদেশ: শেখ হাসিনা

সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে জনমত ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতির মিলনায়তনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংস্থার বিজ্ঞানী, গবেষক ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ, জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ফেলোশিপ এবং বিশেষ অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের কোনো স্থান বাংলাদেশে হবে না। সকলে সহায়তা করলে আমরা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বিজয়ী হতে পারব জঙ্গিবাদ নির্মূল করে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বিশ্বব্যাপী নতুন উপসর্গ দেখা দিয়েছে; জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এবং মাদকাসক্তি। এর বিরুদ্ধে সকলকে জনমত সৃষ্টির অনুরোধ জানাচ্ছি। আমাদের ছেলেমেয়েরা অনেক মেধাবী। দেশে না বিদেশেও যারা লেখাপড়া করে যাচ্ছে তারাও মেধার দৃষ্টান্ত রেখে যাচ্ছে। সুতরাং কেউ যেন বিপথে না যায় সেদিকে বিশেষ নজর দেয়ার জন্য শিক্ষক, অভিভাবক সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের সীমিত সম্পদ এটা ঠিক। কিন্তু আমি মনে করি, পরিকল্পিতভাবে এই সীমিত সম্পদ যদি আমরা বৈজ্ঞানিক উপায়ে ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে কারও মুখাপেক্ষী হয়ে চলতে হবে না। আমরা নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে, মাথা উঁচু করে বিশ্বে এগিয়ে যাবো। এটাই আমাদের লক্ষ্য।"

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে। এটা করেছি আমরা এ কারণে যে, এর পূর্বেও আমরা বঙ্গবন্ধুর নামে গবেষণার জন্য অনুদান দিয়েছিলাম। অনেকেই চলে গিয়েছিলেন বিদেশে, পড়াশুনা শুরুও করেছিলেন। কিন্তু ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ২০০১ সালে জামায়াত-বিএনপি ক্ষমতায় এসে বন্ধ করে দিয়েছিল। যারা ফেলোশিপ নিয়ে বিদেশে গিয়েছিলেন তাদের অর্ধেক দেশে ফিরে আসেন। ভবিষ্যতে যেন এ রকম আর কেউ করতে না পারে, সেজন্য আমরা ফান্ডিং করে দেবো। যাতে করে সেখানে পর্যাপ্ত টাকা থাকে।"

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সাংসদ, সরকারের শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যক্তি, দেশবরেণ্য গবেষক ও বিজ্ঞানী এবং ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।#

পার্সটুডে/শামস মণ্ডল/আশরাফুর রহমান/১৬