বিএনপি-জামায়াত ভিক্ষুকদের সর্দার, আমরা জনগণের সেবক: প্রধানমন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i35728-বিএনপি_জামায়াত_ভিক্ষুকদের_সর্দার_আমরা_জনগণের_সেবক_প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি-জামায়াত কখনো চায়নি বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হোক- এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে, রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ মহাসম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
(last modified 2026-06-27T09:59:16+00:00 )
এপ্রিল ০৬, ২০১৭ ১১:০৯ Asia/Dhaka
  • বিএনপি-জামায়াত ভিক্ষুকদের সর্দার, আমরা জনগণের সেবক: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি-জামায়াত কখনো চায়নি বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হোক- এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে, রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ মহাসম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারই বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত হলো ভিক্ষুকদের সর্দার। তাদের নীতি দেশের মানুষকে ভিক্ষুক বানিয়ে রাখা। বিদেশিদের কাছ থেকে সাহায্য নেয়া। আমরা ভিক্ষুকদের সর্দার হতে পারি না। আমরা দেশের মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করি। আমরা জনগণের সেবক হয়ে দেশ চালাতে চাই, মানুষের কল্যাণ করতে চাই।

২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার জন্য বিএনপি আমেরিকার কাছে গ্যাস বিক্রি করতে চেয়েছিল বলেও মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন আমার কাছেও একই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু গ্যাসের মালিক বাংলাদেশের জনগণ। আগে জনগণের চাহিদা পূরণ করতে হবে, এরপর ৫০ বছরের মজুদ রাখব। তারপর অতিরিক্ত গ্যাস থাকলে বিক্রি করতে পারি, তার আগে পারি না। 

সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা প্রতিটা খাতের উন্নতি করেছি। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে দেশে খাদ্য ঘাটতি ফেললো। ২০০৯ সালে আমরা ক্ষমতায় এসে দেখি সাক্ষরতার হার কমেছে, খাদ্য ঘাটতি বেড়েছে।

কৃষি উন্নয়নে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক মন্দায় সারাবিশ্বে খাদ্যের অভাব। আমাদের দেশে যেন এ অবস্থা না হয়, সেজন্য নানা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কৃষকদের সুবিধা করে দেয়া, যাতে তারা কৃষিকাজ উন্নত করতে পারে। আওয়ামী লীগ সরকার বিনা জামানতে কৃষকদের ঋণদান কর্মসূচি শুরু করে। কৃষকদের এবং ছয় লক্ষাধিক নারীকে ফসল উৎপাদন থেকে বিপণনের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আপনারা উৎপাদনের অগ্রসেনানী। আমরা বেতন বাড়িয়েছি ১২৩ ভাগ। এভাবে পৃথিবীর আর কোনও দেশ বাড়াতে পেরেছে কিনা আমরা জানি না, বাংলাদেশ পেরেছে। আমরা চেয়েছি, সবাই যাতে সচ্ছলভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে। এতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ দেশ গড়ে উঠবে। আমরা ভিক্ষুকের জাতি হিসেবে বাঁচতে চাই না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নিজেদের সম্পদ নিজেরা ব্যয় করব। কারও কাছে হাত পেতে চলতে হবে না। এই অর্জনের পেছনে আমাদের সকলেরই অবদান আছে। আমরা চাই বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ৪১ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে ।#
পার্সটুডে/শামস মণ্ডল/আশরাফুর রহমান/৬