'নির্বাচন কমিশন কী করে সেদিকে জনগণ দৃষ্টি রাখছে'
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i47742-'নির্বাচন_কমিশন_কী_করে_সেদিকে_জনগণ_দৃষ্টি_রাখছে'
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে সহায়ক ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে মত দিয়েছে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কী করে, সেদিকে এখন জনগণ তির্যক দৃষ্টি রেখেছে। রিজভী জোর দিয়ে বলেন, নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে জনমত গড়ে উঠেছে।  
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
অক্টোবর ২২, ২০১৭ ১২:৪৫ Asia/Dhaka
  • 'নির্বাচন কমিশন কী করে সেদিকে জনগণ দৃষ্টি রাখছে'

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে সহায়ক ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে মত দিয়েছে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কী করে, সেদিকে এখন জনগণ তির্যক দৃষ্টি রেখেছে। রিজভী জোর দিয়ে বলেন, নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে জনমত গড়ে উঠেছে।  

আজ (রোববার) সকা‌লে রাজধানীর নয়াপল্ট‌নে বিএন‌পির কেন্দ্রীয় কার্যাল‌য়ে এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে এসব কথা ব‌লেছেন রিজভি। আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে রিজভী তার ভাষায় ব‌লেন, "একদলীয় শাসনের আওতায় তারা আর ভোটারবিহীন নির্বাচন করতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক দলগুলোর যে সংলাপ চলছে, সেখানে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের দু-তিনটি দল ছাড়া সবাই জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অতীতে যাই করুন না কেন, জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এখন কাজ করলে ইতিহাসে তার স্থান ইতিবাচক হিসেবে চিহ্নিত হবে।"

ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের একটি বক্তব্য উল্লেখ করেন রিজভী বলেন,  "আপনার বক্তব্যেই প্রমাণিত হয় আপনারা নির্বাচন কমিশনকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহারের নীলনকশা আঁটছেন। কারণ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার একটি ঐতিহাসিক সত্য উচ্চারণ করতেই আপনারা বিচলিত হয়ে পড়েছেন।"

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিএনপির সংলাপের পর ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, "বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার রঙিন স্বপ্ন দেখছে, সিইসির বক্তব্যে বিএনপি নেতারা মহাখুশি হয়েছেন।"

সংবাদ সম্মেলনে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, বেকারত্বের হার, চালের দাম এবং খাদ্য ঘাটতি প্রসঙ্গে সরকারের সমালোচনা করেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। তিনি তার ভাষায় ব‌লেন, "সরকার দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে একে একে ধ্বংস করছে। দলীয়করণ করে শিক্ষার মান ধ্বংস করা হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেধাবীদের রেখে ঘুষ-বাণিজ্যের মাধ্যমে দলীয় ক্যাডারদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। দেশজুড়ে সব প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির মূল হোতা আওয়ামী লীগ ও তার দলের লোকেরা। তারা দেশকে পরনির্ভরশীল করতেই শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। দেশের একজন প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবী বলেছেন, রাষ্ট্রকে 'ক্রিমিনাল স্টেটে' পরিণত করেছে আওয়ামী লীগ।"#

পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/২২