বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় ইইউ: ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i53013-বাংলাদেশে_অংশগ্রহণমূলক_ও_নিরপেক্ষ_নির্বাচন_চায়_ইইউ_ফখরুল
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ইইউ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
(last modified 2026-06-16T05:39:17+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮ ২০:১৬ Asia/Dhaka
  • ইইউ-বিএনপি বৈঠক
    ইইউ-বিএনপি বৈঠক

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ইইউ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে আজ সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রবেশ করেন ইইউ প্রতিনিধিদল। এরপর ৬ টা ৫৬ মিনিটে বৈঠক শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক শেষে সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে গুলশান কার্যালয় ত্যাগ করেন ইইউ সদস্যরা।

বৈঠকের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ইইউ প্রতিনিধিদলটির সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা, খালেদা জিয়ার রায় এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ভোটাররা যাতে ভোট দিয়ে মত জানাতে পারে, সে বিষয়টি তারা পরিষ্কারভাবে বলেছে। আমরা তাদের আমাদের দলের অবস্থান জানিয়েছি।

ফখরুল ইসলাম বলেন, ইইউ প্রতিনিধিদলটি মূলত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ দেশে এসেছে। তারা এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বসেছে এবং বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলেছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, নির্বাচনের সময় ইইউ পর্যবেক্ষক পাঠাবে কি না, সেটা তারা ভাবছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তারা (ইইউ) কোনো পর্যবেক্ষক পাঠায়নি। এ কারণে তারা এখনো আশা করে, এ দেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে।

খালেদা জিয়ার সাজার রায়ের পর বিশ্ব সম্প্রদায় তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি-আওয়ামী লীগের নেতাদের এমন অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আইন, আইনের শাসন, বিচার বিভাগ এবং আদালতের রায়—এসব বিষয়ে বিদেশিদের নিজস্ব “নর্মস অ্যান্ড ভ্যালুজ” আছে। তাদের পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থা বুঝতে বেগ পেতে হয়। তাদের যে সংস্কৃতি এবং আমাদের এখানকার যে অবস্থা তা তারা মেলাতে পারে না। যে কারণে হয়তোবা তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। যেসব পরিস্থিতি আগামী নির্বাচনের জন্য অন্তরায় হবে, সেসব তারা পর্যবেক্ষণ করছে।’

বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমির উদ্দিন সরকার, মাহবুবুর রহমান, মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী, রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, আবদুল কাইয়ুম, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।

ইইউ পার্লামেন্টের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান জিন ল্যামবার্টের নেতৃত্বে ইইউ প্রতিনিধিদলের মধ্যে রয়েছেন জেমস নিকোলসন, রিচার্ড করবেট এবং ওয়াজিদ খান।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে গুলশানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিদেশি কূটনৈতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন দলের সিনিয়র নেতারা। সেখানেও দলীয় চেয়ারপারসনের সাজা ও সমসাময়িক রাজনৈতিক বিষয়ে তাঁদের অবহিত করা হয়।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৪