১০ বছরের সাজা স্থগিত চেয়ে খালেদার আপিল, 'নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা নেই'
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i65939-১০_বছরের_সাজা_স্থগিত_চেয়ে_খালেদার_আপিল_'নির্বাচনে_অংশগ্রহণে_বাধা_নেই'
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেয়া ১০ বছরের সাজা স্থগিত ও জামিন চেয়ে আপিল করা হয়েছে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে জজ আদালতের দেয়া সাত বছরের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করার ‌একদিন পর আজ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করা হল।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
নভেম্বর ১৯, ২০১৮ ১১:৫৭ Asia/Dhaka
  • আদালতে খালেদা জিয়া (ফাইল ফটো)
    আদালতে খালেদা জিয়া (ফাইল ফটো)

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেয়া ১০ বছরের সাজা স্থগিত ও জামিন চেয়ে আপিল করা হয়েছে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে জজ আদালতের দেয়া সাত বছরের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করার ‌একদিন পর আজ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করা হল।

খালেদা জিয়া আইনজীবী কায়সার কামাল এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “একটি মিথ্যা, বানোয়ট, ভূয়া মামলার রায়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সাজা দেয়া হয়েছিল। বিচারিক আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল করেছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন। ভেবেছিলাম এখানে প্রতিকার পাবেন। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে হাইকোর্টে এ মামলার শুনানির জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হল। পাক-ভারত উপমহাদেশে এটা নজিরবিহীন ঘটনা। তাছাড়া আমরা আমাদের আপিল শুনানি শেষ না করার আগেই রায়ের দিন ঘোষণা করা হল। দুদকের সাজা বাড়ানোর আবেদনেও আমরা শুনানি কমপ্লিট করতে পারিনি। সে অবস্থায়ই রায় ঘোষণা করা হল।” 

রায়ে বিচারিক আদালতের সাজা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করার ঘটনাও ‘নজিরবিহীন’ দাবি করে এই আইনজীবী বলেন, “আপিলে সাধারণত সাজা কমে। কিন্তু খালেদা জিয়ার বেলায় সেটারও ব্যতিক্রম হল। এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”   

বিএনপি নেতারা আশা করছেন, এই দুই মামলায় সাজার রায় স্থগিত হলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ তৈরি হবে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতারা কে কী বললেন, তার ওপর খুব বেশি কিছু নির্ভর করে না। তিনি এখন পর্যন্ত নির্বাচন করার যোগ্য আছেন। বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার মামলার প্যানেল আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আপিল করায় নিম্ন আদালতের রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হয়ে গেছে। এখন এ মামলার কারণে খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা নেই।’

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাটিতে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে খালেদার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। সাজা বাড়াতে মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে গত ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদার সাজা বাড়িয়ে ১০ কারাদণ্ড দেন।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৯