সুবিচার নিশ্চিত করতে পুলিশি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ শেখ হাসিনার
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i67880-সুবিচার_নিশ্চিত_করতে_পুলিশি_মামলা_দ্রুত_নিষ্পত্তির_নির্দেশ_শেখ_হাসিনার
সব ধরনের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘অনেক মামলা সময়মতো নিষ্পত্তি হয় না। আপনারা যারা মামলাগুলো পরিচালনা করেন সেখানে অনেক ঘাটতি থাকে। এসব মামলার ওপর এমনভাবে নজরদারি করা উচিত যেন সঠিকভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি হয়। সেলক্ষ্যে আপনাদের বোধহয় বিশেষ একটা উদ্যোগ নেয়া উচিত এবং এক্ষেত্রে আপনাদের একটা টিমই থাকা উচিত।’
(last modified 2026-06-24T09:59:37+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৯ ১৮:১০ Asia/Dhaka
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সব ধরনের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘অনেক মামলা সময়মতো নিষ্পত্তি হয় না। আপনারা যারা মামলাগুলো পরিচালনা করেন সেখানে অনেক ঘাটতি থাকে। এসব মামলার ওপর এমনভাবে নজরদারি করা উচিত যেন সঠিকভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি হয়। সেলক্ষ্যে আপনাদের বোধহয় বিশেষ একটা উদ্যোগ নেয়া উচিত এবং এক্ষেত্রে আপনাদের একটা টিমই থাকা উচিত।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, অনেক সময় দেখা যায়, এফআইআর করে ফেলে রাখা হয়েছে। সেইগুলোকে চার্জশিট দেওয়া, সাক্ষী নিয়ে আসা, মামলাগুলো সচল রাখা- এসব কিন্তু হচ্ছে না ঠিকমতো। আর কোর্টে গেলেও সেটা বছরের পর বছর আটকে থাকে। সেখানে আবার আইনজীবী লাগে। অথবা সরকার পক্ষ থেকেও লোক দরকার হয়। এই বিষয়গুলোর জন্য আমার মনে হয় একটা আলাদা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। কিভাবে মামলাগুলো যথাযথভাবে চলবে এবং সময়মতো মামলাগুলো সম্পন্ন হবে, সেই দিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস এটা কিন্তু বাংলাদেশের একার না এটা সারা বিশ্বব্যাপী একটা সমস্যা। কিন্তু আমাদের দেশে আমরা অন্তত জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। কিন্তু এটা আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় সাইবার ক্রাইম দমনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণের আইনও করে দিয়েছি। অনেকে সেটার বিরুদ্ধে কথা বলে কিন্তু বাস্তবতা হলো যে এই আইনটা একান্তভাবে করা হয়েছে মানুষের নিরাপত্তা দেবার জন্য। যারা নিরীহ সাধারণ জনগোষ্ঠীর তাদের যে মানবাধিকার রয়েছে সেটা সংরক্ষিত করবার জন্যই এই আইনটা আমরা করেছি। এটা মানুষের অধিকার রক্ষা, মানুষের জীবনমান বাঁচানোর জন্যই করা। তাই পুলিশ বাহিনীকে এসব তদন্ত করে সাথে সাথে এর সাথে জড়িতদের শনাক্ত, গ্রেফতার এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে।

এছাড়াও, সারাদেশে বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রত্যেকটি এলাকায় বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়াও, সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক দ্রুত অ্যাকশনে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জনসহ এর উপর বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ বেশী বেশী প্রয়োজনের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে, মাদক মামলায় এক আসামির জামিন শুনানিতে আজ হাইকোর্ট দেশের বিভিন্ন আদালতে মাদক নিয়ে দায়ের হওয়া যেসব মামলায় অভিযোগপত্র আমলে নেয়া হয়েছে তা আগামী ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে অধস্তন (নিম্ন) আদালতকে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে সকল জেলার ডিসি, এসপি, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে।

হাইকোর্ট বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

২০১৫ সালে ৬শ’ ইয়াবাসহ মিজানুর রহমান নামে একজনকে গ্রেফতার করার পর মাদারীপুরের রাজৈর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। এরপর থেকে মিজানুর রহমান গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোনো সাক্ষীকে আদালতে হাজির করতে পারেননি। পরে আজ হাইকোর্টে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চেয়ে মিজানুর রহমান আবেদন করলে আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেন।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/৫

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন