কক্সবাজারে বিজিবির সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা যুবক নিহত
বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেফনাফ উপজেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক ইয়াবা চোরাকারবারি রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন বলে বিজিবি পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। মাদক ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ১০২ জন ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণের চার দিন পর এ ঘটনা ঘটল।
বিজিবি জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম মো. জাফর আলম (২৬)। তিনি মিয়ানমারের নাগরিক ও রোহিঙ্গা মুসলিম। তিনি টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া মুছনী ২৬নং ক্যাম্পের এ ব্লকের বাসিন্দা দীন মোহাম্মদের পুত্র।
টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আছাদুদ-জামান চৌধুরী বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার রাতে রোহিঙ্গা যুবক জাফর আলমকে আটক করে বিজিবি। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, আজ বুধবার ভোরে উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ৫ নম্বর স্লুইসগেট দিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে পারে। এই সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি জাফর আলমকে নিয়ে ওই স্থানে ওঁৎ পেতে থাকে। ভোরে মিয়ানমার থেকে চোরাকারবারিরা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করলে বিজিবি টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। সঙ্গে সঙ্গে চোরাকারবারিরা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।এতে বিজিবির দুই সদস্য আহত হন।
তিনি আরো বলেন, ‘এ সময় বিজিবিও ২০-২৫টি গুলি করে। এতে জাফর আলমের মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচ হাজার ইয়াবা এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে বিজিবি।’
দেশে মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর জেলায় প্রায় প্রতিদিনই ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সন্দেহভাজন মাদক কারবারিদের হতাহতের ঘটনা ঘটছে। শুধু কক্সবাজারেই নিহত হয়েছেন ৪২ জন। এর মধ্যে টেকনাফ উপজেলাতেই নিহতের সংখ্যা ৩৯ জন।
মাদক চোরাচালানের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে পরিচিত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় গত শনিবার শতাধিক ইয়াবা ব্যবসায়ী প্রশাসনের কাছে আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার শপথ নেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২০
খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন