যখনই প্রয়োজন হবে, সেনাবাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়াবে: শেখ হাসিনা
-
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের সুযোগ দেয়ায় দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, তার সরকার শাসক নয়, সেবক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের সার্বিক উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, যাবে।
আজ (রোববার) রাজশাহী সেনানিবাসে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের (বিআইআরসি) ‘জাতীয় পতাকা প্রদান-২০১৯’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সেবাবাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের সেবা করার জন্য সেনাবাহিনীর সার্বক্ষণিক সহযোগিতা পেয়েছি। আমার বিশ্বাস, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য যখনই প্রয়োজন হবে, তখনই সেনাবাহিনী জনগণের পাশে এসে দাঁড়াবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ দেশ ও দেশের বাইরে এক সম্মানজনক অবস্থায় উন্নীত হয়েছে। এই সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে আপনারা একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
তিনি আরও বলেন, যখনই প্রয়োজন তখনই সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে, এটাই আমার বিশ্বাস। যেকোনও হুমকি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। কারণ সেনাবাহিনী এ দেশের সম্পদ ও বিশ্বাসের মূর্ত প্রতীক।
সরকার প্রধান বলেন, পেশাদারিত্বের কাঙ্ক্ষিত মান উন্নয়নের জন্য সবাইকে দক্ষ সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে মঙ্গলময় জীবনের অধিকারী হতে হবে। আর পবিত্র সংবিধান ও দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সবসময় ঐক্যবদ্ধ থেকে অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।
সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তিনি ১৯৭৪ সালে একটি প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন। তার সুদূর প্রসারী প্রতিরক্ষা নীতির আলোকেই সেনাবাহিনী আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একটি আধুনিক ও চৌকস সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে আমাদের সরকার বদ্ধপরিকর।
এরআগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে করে রাজশাহী পৌঁছান। বেলা পৌনে ১২টায় তিনি রাজশাহী সেনানিবাসের শহীদ কর্নেল আনিস প্যারেড গ্রাউন্ডে আসেন। পরে প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। এরপর সেনাপ্রধানকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক এক করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭, ৮, ৯ এবং ১০ বীর’র ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান করেন।#
পার্সটুডে/শামস মণ্ডল/আশরাফুর রহমান/৩
- খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন