ঈদ উদযাপনে সড়ক, রেল, নৌ পথে ঘরমুখো মানুষের ঢল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i70892-ঈদ_উদযাপনে_সড়ক_রেল_নৌ_পথে_ঘরমুখো_মানুষের_ঢল
বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে ছুটছে মানুষ। সড়ক, রেল, নৌ পথে ঘরমুখো মানুষের ঢল। ফলে টার্মিনাল এলাকা ছাড়া অন্যান্য এলাকা অনেকটাই ফাঁকা।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুন ০২, ২০১৯ ১৩:০৫ Asia/Dhaka
  • ঈদ উদযাপনে সড়ক, রেল, নৌ পথে ঘরমুখো মানুষের ঢল

বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে ছুটছে মানুষ। সড়ক, রেল, নৌ পথে ঘরমুখো মানুষের ঢল। ফলে টার্মিনাল এলাকা ছাড়া অন্যান্য এলাকা অনেকটাই ফাঁকা।

অতীতের অভিজ্ঞতা আর দীর্ঘ ছুটি পাওয়ায় আগেভাগেই পরিবার পরিজনকে পাঠিয়ে দিয়েছেন অনেকে। ফলে অন্য যেকোন বারের চেয়ে স্বাভাবিক রয়েছে সড়ক পথ। ঢাকা-টাঙ্গাইল, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও, নেই চিরচেনা যানজট। ফলে অনেকটা নির্বিঘ্নেই ঘরে ফিরতে পারছেন সড়ক পথের যাত্রীরা।

তবে দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না রেলের যাত্রীদের। প্রথম দু’দিনের মতো আজও শিডিউল অনুযায়ী ঢাকা ছাড়তে পারেনি বেশ কয়েকটি ট্রেন। দুই থেকে ৬ ঘন্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে যাত্রীদের। ধুমকেতু, সুন্দরবন এক্সপ্রেস দুই ঘন্টা এবং নীলসাগর এক্সপ্রেস কমলাপুর ছেড়ে গেছে প্রায় ৬ ঘন্টা দেরিতে।

শিডিউল বিপর্যয়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে উত্তরবঙ্গের যাত্রীদের। ঈদ উপলক্ষে তিনটি বিশেষ ট্রেন সার্ভিস শুরু হওয়ার পরও ভোগান্তি কমছে না। অনেকে সেহরির পর নির্ধারিত ট্রেনের জন্য কমলাপুর রেল স্টেশনে আসেন। কিন্তু ট্রেন ছাড়তে অপেক্ষা করতে হয়ে দীর্ঘ সময়।

তবে, ৫৫টি ট্রেনের মধ্যে ৫২টিই যথাসময়ে চলছে বলে দাবি করেছেন আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসবা কমিটির সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

আজ (রোববার) সকাল সাড়ে ১০টায় কমলাপুর রেল স্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের রেলের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতোমধ্যে ট্রেনের অনেক বগি এসেছে। কিছু ইঞ্জিন আসার অপেক্ষায়। এগুলো এলে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় আর থাকবে না। কোনো ট্রেন লেট করলে যথাসময়ে বিকল্প ট্রেন ছেড়ে যাবে।

মোজাম্মেল হক বলেন, বাড়ি ফেরা মানুষদের নিরাপত্তার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা নেয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সব সময় নজর রাখছে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

আজ (রোববার) সকালে খুব একটা ভিড় দেখা যায়নি সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে। যাত্রীরা আশা করছেন, এবারের ঈদে নির্বিঘ্নেই বাড়ি যেতে পারবেন। দক্ষিণাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ লঞ্চে যাতায়াত করেন। ২১টি জেলার নৌপথ রয়েছে প্রায় ৪৩টি। সকালে বৃষ্টি হওয়ায় অনেক লঞ্চ সময় মতো টার্মিনাল ত্যাগ করেনি।

এদিকে, মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট পরিদর্শন করে ঘাটের সিসি ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ারসহ সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আসন্ন ঈদে নির্বিঘ্নে ঘরমুখো মানুষ বাড়ি ফিরছেন। সরকারের যথাযথ ব্যবস্থাপনার কারণে কোথাও এ পর্যন্ত কোনও সমস্যা হয়নি।#

পার্সটুডে/শামস মন্ডল/বাবুল আখতার/২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।