'রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজার এলাকায় পাহাড়ি বনাঞ্চল ধ্বংসের পথে'
-
শেখ হাসিনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'দেশের উন্নয়ন দরকার কিন্তু এরসঙ্গে পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব দেয়াও জরুরি। প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে বৃক্ষরোপন ও জলাধার নির্মাণেও গুরুত্ব দিতে হবে। আমরা এ ব্যাপারে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি। যাতে আমাদের পরিবেশ সংরক্ষিত থাকে।'
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা জানি বৈশ্বিক উষ্ণায়ন আমাদের ওপর আসবে। এর জন্য আমরা দায়ী না, আমরা ভুক্তভোগী। এর প্রতিকারের ব্যবস্থা আমরা নিতে শুরু করেছি। এর জন্য ফান্ডও তৈরি করা হয়েছে।’
বিদেশ থেকে এ ব্যাপারে খুব একটা সহায়তা পাওয়া যায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্যারিসে পরিবেশ বিষয়ে একটা চুক্তি হয়েছে, আশা করি ভবিষ্যতে এর সহায়তা পাওয়া যাবে।’
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের কারণে কক্সবাজার এলাকায় পাহাড়ি বনাঞ্চল আজ ধ্বংসের পথে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের মোট ভূমির ৩০ ভাগ বনায়ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সুন্দরবন রক্ষায় নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধিতেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘যারা বনের ভেতর মৎস্য আরোহণের জন্য যায় তাদের বিকল্প কাজের ব্যবস্থাও করে দিয়েছি। বনদস্যু যারা ছিল তারা ইতিমধ্যে আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।
দেশের সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রত্যেকেই নিজের কর্মস্থল ও বাসস্থানে গাছ লাগাবেন। বনজ, ফলজ, ভেষজ গাছ লাগাবেন। ছেলে-মেয়েদেরও বৃক্ষরোপণ শেখাতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, এর পরিচর্যাও করতে হবে।#
পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২১
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।