বিপ্লব সংহতি দিবস পালনের কোনো যৌক্তিকতা দেখি না: তথ্যমন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i75069-বিপ্লব_সংহতি_দিবস_পালনের_কোনো_যৌক্তিকতা_দেখি_না_তথ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, '৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস নয়, এটি সৈনিক হত্যা দিবস। এই দিন দেশে কোনো বিপ্লব বা কোনো সংহতি হয়নি, হয়েছে সৈনিক হত্যা। দেশপ্রেমিক সৈনিকদের হত্যা করে জেনারেল জিয়া তাদের লাশের ওপর দিয়ে ক্ষমতা দখল করেন।'
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
নভেম্বর ০৭, ২০১৯ ১৫:৫১ Asia/Dhaka
  • বক্তব্য রাখছেন ড. হাছান মাহমুদ
    বক্তব্য রাখছেন ড. হাছান মাহমুদ

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, '৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস নয়, এটি সৈনিক হত্যা দিবস। এই দিন দেশে কোনো বিপ্লব বা কোনো সংহতি হয়নি, হয়েছে সৈনিক হত্যা। দেশপ্রেমিক সৈনিকদের হত্যা করে জেনারেল জিয়া তাদের লাশের ওপর দিয়ে ক্ষমতা দখল করেন।'

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেছেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর যেটি ঘটেছিল তা হলো হত্যাকাণ্ডে। সেদিন আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার, উপসেক্টর কমান্ডারসহ অনেককে হত্যা করা হয়েছে। এটা আসলে বিপ্লবতো নয়, সৈনিক হত্যার মিশন। এটি বিপ্লব সংহতি দিবস পালন করার কোনো যৌক্তিকতা আমি দেখি না।

তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ৭ নভেম্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য একটি কমিশন গঠন করে সত্য উদঘাটন করে যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের বিচার করা উচিত। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড, ৩ নভেম্বর হত্যার এবং ৭ নভেম্বর হত্যাকাণ্ডে একই ধারাবিহকতায়। ন্যায় প্রতিষ্ঠান জন্য সব হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া প্রয়োজন।'

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে, তবে কুশীলবদের বিচার হয়নি। তেমনি ৩ নভেম্বরের অনেকের বিচার হলেও সংশ্লিষ্ট অনেকের বিচার হয়নি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি ৭ নভেম্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য একটি কমিশন গঠন করে সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবার বিচার হওয়া উচিত। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড, ৩ নভেম্বর এবং ৭ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ড একই ধারাবিহকতায় হয়েছে।’

ক্র্যাবের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনের আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘অনেকেই ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করে না, অথচ ডিএফপি থেকে রেট কার্ড নেয়। মন্ত্রী হয়ে আমি দেখেছি এমনও পত্রিকা আছে, যার ঢাকায় সার্কুলেশন এক হাজার, সারাদেশে পাঁচ হাজার। অথচ সুবিধা নেওয়ার জন্য ঘোষণা দেয় দেড় লাখ। এসব বন্ধ করে তাদের শৃঙ্খলায় আনা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পত্রিকাগুলো আমাদের কাছে সার্কুলেশনের এক হিসাব দেয়, ট্যাক্স অফিসে আরেক হিসাব দেয়। সরকারি দুই দফতরে দুই হিসাব চলবে না। তাদের নজরদারি ও শৃঙ্খলায় আনা হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্র্যাবের সভাপতি আবুল খায়ের, সাধারণ সম্পাদক দীপু সারোয়ার, সহ-সভাপতি মিজান মালিক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জিএম তসলিম উদ্দিন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ।#

 

পার্সটুডে/আব্দুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/৭