ইভিএম দিয়ে কখনোই মানুষের রায় প্রতিফলন হবে না: ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i76690-ইভিএম_দিয়ে_কখনোই_মানুষের_রায়_প্রতিফলন_হবে_না_ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনে ইভিএমের বিরোধিতা করে আজো বলেছেন, ‘আমরা এর বিরেধিতা করেছি; আমরা এখনো সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এর বিরোধিতা করছি। কারণ, ইভিএম দিয়ে কখনোই মানুষের রায় প্রতিফলন হবে না।’
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জানুয়ারি ১৪, ২০২০ ১৩:২৭ Asia/Dhaka
  • বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনে ইভিএমের বিরোধিতা করে আজো বলেছেন, ‘আমরা এর বিরেধিতা করেছি; আমরা এখনো সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এর বিরোধিতা করছি। কারণ, ইভিএম দিয়ে কখনোই মানুষের রায় প্রতিফলন হবে না।’

আজ মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত ত এক অনুষ্ঠানে  এক আলোচনা সভায় ফাখরুল এই অভিযোগ করেন।

 ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী হেল্প সেল’ এর উদ্যোগে বিগত আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের হাতে গুম, হত্যা, পঙ্গু হওয়া নেতা-কর্মীর পরিবারের সদস্যদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে  গুম হওয়ওর  শিকার  ১০ পরিবারের সদস্যদের হাতে শিক্ষা বৃত্তি হিসেবে আর্থিক অনুদান দেয়া হয়।

এ সময় ফখরুল  বলেন, ‘গতকাল চট্টগ্রামে উপ-নির্বাচন হয়েছে। ভোটারদের কেন্দ্রে যেতেই দেয়নি। তার আগে বোমা মেরে লাঠিসোটা দিয়ে ভোটারদের তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসা করলে বলবে যে, আপনারা পারেননি। আমরা পারবো কোত্থেকে?

ফখরুল বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হচ্ছে, এই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাদের ব্যাক গ্রাউন্ড কিন্তু আমরা জানি। কে গাড়ির অনুমোদন নেয়ার জন্য ফাইল বদল নিয়ে মন্ত্রীর কাছে গেছেন, কারা নিজের স্কুল পারমিশন নেয়ার জন্য সরকারি জমি নিয়েছেন-এসব খবর আমাদের কাছে আছে।’

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘তারা আজকে জনগনের ভোটারের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এমন একটা সমাজ তৈরি করছে, এমন একটা রাষ্ট্র তৈরি করছে যে সমাজ এবং রাষ্ট্র এদেশের মানুষের ভবিষ্যতকে তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা সেজন্য বলি যে, বাংলাদেশ একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে চলেছে।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে বর্তমানের সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনে চিত্র তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘২০১০ সাল থেকে আমরা এই আক্রমণের স্বীকার হচ্ছি। আওয়ামী লীগ যারা স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বে সংগ্রাম করেছিলো, গণতান্ত্রিক লড়াই করেছিলো তারাই স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে দানবে পরিণত হয়েছে। একবার তারা ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলো। সেটা করতে যাওয়ার আগে তারা একইভাবে এদেশের দেশপ্রেমিক হাজার হাজার তরুণ যুবককে হত্যা করেছে।’

আজ মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত ত এক অনুষ্ঠানে এক আলোচনা সভায় ফাখরুল এই অভিযোগ করেন।

 ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী হেল্প সেল’ এর উদ্যোগে বিগত আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের হাতে গুম, হত্যা, পঙ্গু হওয়া নেতা-কর্মীর পরিবারের সদস্যদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে  গুম হওয়ওর  শিকার  ১০ পরিবারের সদস্যদের হাতে শিক্ষা বৃত্তি হিসেবে আর্থিক অনুদান দেয়া হয়।

এ সময় ফখরুল  বলেন, ‘গতকাল চট্টগ্রামে উপ-নির্বাচন হয়েছে। ভোটারদের কেন্দ্রে যেতেই দেয়নি। তার আগে বোমা মেরে লাঠিসোটা দিয়ে ভোটারদের তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসা করলে বলবে যে, আপনারা পারেননি। আমরা পারবো কোত্থেকে?

ফখরুল বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হচ্ছে, এই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাদের ব্যাক গ্রাউন্ড কিন্তু আমরা জানি। কে গাড়ির অনুমোদন নেয়ার জন্য ফাইল বদল নিয়ে মন্ত্রীর কাছে গেছেন, কারা নিজের স্কুল পারমিশন নেয়ার জন্য সরকারি জমি নিয়েছেন-এসব খবর আমাদের কাছে আছে।’

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘তারা আজকে জনগনের ভোটারের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এমন একটা সমাজ তৈরি করছে, এমন একটা রাষ্ট্র তৈরি করছে যে সমাজ এবং রাষ্ট্র এদেশের মানুষের ভবিষ্যতকে তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা সেজন্য বলি যে, বাংলাদেশ একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে চলেছে।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে বর্তমানের সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনে চিত্র তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘২০১০ সাল থেকে আমরা এই আক্রমণের স্বীকার হচ্ছি। আওয়ামী লীগ যারা স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বে সংগ্রাম করেছিলো, গণতান্ত্রিক লড়াই করেছিলো তারাই স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে দানবে পরিণত হয়েছে। একবার তারা ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলো। সেটা করতে যাওয়ার আগে তারা একইভাবে এদেশের দেশপ্রেমিক হাজার হাজার তরুণ যুবককে হত্যা করেছে।’

আচরণবিধি লঙ্ঘন:

এদিকে, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলামের নির্বাচনী জনসভায় হাজির হয়েছেন ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাদেক খান।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শতদল কমপ্লেক্স মাঠে আতিকুলের এ নির্বাচনী সভায় হাজির হন সাদেক খান। জানা যায়, আজ বেলা ১১টায় সভাটিতে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল আতিকুল ইসলামের। তবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ সভায় আসেননি তিনি। আতিকুল ইসলাম না এলেও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সভায় উপস্থিত হন সাদেক খান।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে সাদেক খানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি এমনিতেই এসেছি। একটু পরে চলে যাব। নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেব না।’

প্রথমে সভাটির মঞ্চে গিয়ে সাদেক খান বসলেও সংবাদকর্মীরা তাকে প্রশ্ন করলে তিনি মঞ্চ থেকে সরে যান।

এদিকে, দুপুর ২টার আগে মাইকে প্রচারণার অনুমতি না থাকলেও এসময় যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান খান নিখিলকে বক্তব্য দিতে দেখা যায়।#

 

পার্সটুডে/ আব্দুর রহমান খান /এমবিএ/১৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।