বাংলাদেশের নতুন কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি, সুস্থ আরও ৪ জন: আইইডিসিআর
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i78626-বাংলাদেশের_নতুন_কেউ_করোনায়_আক্রান্ত_হননি_সুস্থ_আরও_৪_জন_আইইডিসিআর
বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে বাংলাদেশের নতুন করে আর কেউ আক্রান্ত হয়নি। ফলে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা আগে যা ছিল সেই ৪৮ জনই রয়েছে। তবে, নতুন করে সুস্থ হয়েছেন আরও চারজন। এ যাবৎ চিকিৎসা নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ জন।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
মার্চ ২৮, ২০২০ ০৮:৩৭ Asia/Dhaka
  • অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা
    অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে বাংলাদেশের নতুন করে আর কেউ আক্রান্ত হয়নি। ফলে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা আগে যা ছিল সেই ৪৮ জনই রয়েছে। তবে, নতুন করে সুস্থ হয়েছেন আরও চারজন। এ যাবৎ চিকিৎসা নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ জন।

আজ (শনিবার) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) করোনাভাইরাস সংক্রান্ত অনলাইন লাইভ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

যে ১৫ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তাদের তথ্য তুলে ধরে আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, এই ১৫ জনের মধ্যে ৯ জন পুরুষ, ৬ জন নারী। তাদের মধ্যে ২ বছর বয়সী শিশুও আছে। সর্বোচ্চ বয়স একজনের ৫৪ বছর। এই ১৫ জনের গড় বয়স ২৯ বছর। যারা সুস্থ হয়েছেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৬ দিন পর্যন্ত হাসপাতালে থাকতে হয়েছে।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইইডিসিআরের হটলাইনে ৩৪৫০ কল এসেছে, এর সবই কোভিড-১৯ সংক্রান্ত। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এক হাজার ৬৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪২ জনের। এতে নতুন করে কেউ আক্রান্ত শনাক্ত হয়নি। 

ডা. ফ্লোরা জানান, এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বা আক্রান্ত সন্দেহে ২৮৪ জনকে আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যাদের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি, নির্ধারত সময়ের পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আইসোলেশনে ভর্তি আছেন ৪৭ জন।

এ সময় তিনি অনুরোধ করেন, যাদের বয়স ৬০ এর বেশি তারা একেবারেই ঘরের বাইরে যাবেন না।

বিদেশে বাংলাদেশিদের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুক্রবার (২৭ মার্চ) দু’জন এবং বুধ ও বৃহস্পতিবার (২৫ ও ২৬ মার্চ) দুইদিনে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ শুক্রবার (২৭ মার্চ) কুইন্সের এলমহার্স্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান একেএম মনির উদ্দিন (৬৩) নামের এক বাংলাদেশি প্রবাসী। তিনি সেখানে ট্যাক্সিক্যাব চালাতেন এবং স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন।

এ নিয়ে নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট ১২ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

ব্রিটেনে বাংলাদেশির মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে লন্ডনের ম্যানচেস্টারে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) লন্ডন স্থানীয় সময় আনুমানিক বেলা আড়াইটার দিকে ম্যানচেস্টারের এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি সপরিবারে লন্ডনের ম্যানচেস্টারে থাকতেন। ৬৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি এর আগে ইতালিতে বসবাস করতেন। তিনি দীর্ঘদিন ইতালির মিলানে ব্যবসা করতেন।

এদিকে, করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত ব্রিটেনে সর্বমোট ৬ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।