সিদ্ধান্তহীনতায় ঢাকার জোন-ভিত্তিক লকডাউন, আসন্ন কোরবানীর পশুর হাট নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i81001-সিদ্ধান্তহীনতায়_ঢাকার_জোন_ভিত্তিক_লকডাউন_আসন্ন_কোরবানীর_পশুর_হাট_নিয়ে_বাড়ছে_শঙ্কা
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় জোন ভিত্তিক লকডাউনের বিষয়ে এখনো একটি স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুন ২৭, ২০২০ ১৬:৩১ Asia/Dhaka
  • সিদ্ধান্তহীনতায় ঢাকার জোন-ভিত্তিক লকডাউন, আসন্ন কোরবানীর পশুর হাট নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় জোন ভিত্তিক লকডাউনের বিষয়ে এখনো একটি স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি।

এর আগে করোনা সংক্রমণের তীব্রতা বিবেচনায় রাজধানীর ৪৫টি এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও কেবল মাত্র পূর্বরাজাবাজার এলাকায় তা কার্যকর করা হয়েছে। এখন রেড জোনের তালিকা ফের হালনাগাদ করা হচ্ছে। নতুন করে চিহ্নিত এলাকার তালিকা পেতে সময় লাগবে। এমনটিই জানালেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার।এদিকে আজ রাজধানীতে একটি খাল খননের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। 

তবে করোনা পরিস্থিতির মাঝেও স্থানীয় সরকারের ব্যবস্থাপনায় রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে কুরবানীর পশুর হাট চালু করার সিদ্ধান্ত আর একদফা স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরী করেছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন মহল। যদিও স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ সব হাট পরিচালনার কথা বলা হয়েছে কিন্তু হাটগুলিতে বিপুল সংখ্যক বিক্রেতা, ফরিয়া, পাইকার, গো-রাখাল এবং ক্রেতাদের মাখামাখিতে এসব বিধিনিষেধ তেমন একটা কাজে আসছে না বলে বিভিন্ন জেলা থেকেও খবর আসছে।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় এরকম সমন্বয়হীনতার মাঝে দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি এবং স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থার বিপর্যকর অবস্থায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিরোধীদল বাংলদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। আজ শনিবার (২৭ জুন) রাজধানী এক মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে তার প্রমাণ চিকিৎসা না পেয়ে পথে-ঘাটে মানুষের মৃত্যু।

ওদিকে, করোনা সংক্রমণে মৃত্যু ও শনাক্ত রোগীর হিসাবে রাজধানী ঢাকার পরই এখন চট্টগ্রামের অবস্থান। সংক্রমণ দ্রুত বাড়লেও উৎস বা রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত (কনটাক্ট ট্রেসিং) এর কাজটি ঠিকমতো চলছে নাএভাবে চললে সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমেই আরো খারাপের দিকে যাওয়ার শঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। চট্টগ্রামের  সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি নিজেও এ সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন।    

এ ছাড়া, চিকিৎসা বঞ্চনার পাশাপাশি, চট্টগ্রামে এখন করোনা পরীক্ষার ফল পাওয়ার বিড়ম্বনা চরমে। ফল পেতে সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তা মিলছেনা। চট্টগ্রামে ৫টি ল্যাবে  প্রতিদিন ১২০০ থেকে ১৫০০  নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা যাচ্ছে সর্বোচ্চ ৭৫০টি। দক্ষ লোকবল সংকট সমন্বয়হীনতা আর অব্যবস্থাপনাকে দুষছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের আশঙ্কা, বিলম্বের কারণে নমুনা পরীক্ষার সঠিক ফল না ও আসতে পারে। আর এ সময়ের মধ্যে অন্যদের সংক্রমিত করার ঝুঁকি তো থাকছেই।#

 

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/বাবুল আখতার/২৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।