ইউরোশিয়ান প্রিমিয়ামে প্রথম পুরস্কার পেল 'মেয়র মোহাম্মদ হানিফ জামে মসজিদ'
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i83055-ইউরোশিয়ান_প্রিমিয়ামে_প্রথম_পুরস্কার_পেল_'মেয়র_মোহাম্মদ_হানিফ_জামে_মসজিদ'
রাশিয়ান শিল্প ও ডিজাইনের আন্তর্জাতিক ফেস্টিভালে ‘ইউরোশিয়ান প্রিমিয়াম ২০২০’ পুরস্কারের আর্কিটেকচার বিভাগে প্রথম হয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার আজিমপুর কবরস্থানে অবস্থিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ জামে মসজিদ। বিশিষ্ট স্থপতি রফিক আজমের নেতৃত্বে এক দল স্থপতি এর ডিজাইন করেন।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০ ০৬:৩৩ Asia/Dhaka
  • মেয়র মোহাম্মদ হানিফ জামে মসজিদ
    মেয়র মোহাম্মদ হানিফ জামে মসজিদ

রাশিয়ান শিল্প ও ডিজাইনের আন্তর্জাতিক ফেস্টিভালে ‘ইউরোশিয়ান প্রিমিয়াম ২০২০’ পুরস্কারের আর্কিটেকচার বিভাগে প্রথম হয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার আজিমপুর কবরস্থানে অবস্থিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ জামে মসজিদ। বিশিষ্ট স্থপতি রফিক আজমের নেতৃত্বে এক দল স্থপতি এর ডিজাইন করেন।

রফিক আজম পুরস্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা এ বছর দুটি পুরস্কার পেয়েছি। এর মধ্যে আজিমপুর কবরস্থানের মেয়র মোহাম্মদ হানিফ জামে মসজিদ পৌনে ৫০০ ডিজাইনের মধ্যে প্রথম হয়েছে। আর আব্দুল আলিম খেলার মাঠও বিজয়ী হয়েছে।’

রাশিয়ার নগরবাদী ও ডিজাইনারদের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ইউরোশিয়া প্রাইজ কর্তৃপক্ষ গত ১০ সেপ্টেম্বর এ পুরস্কার ঘোষণা করে। প্রতিষ্ঠানের ওয়েব পেইজেও এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

জাতীয় ঐতিহ্য ও মুসলিম স্থাপত্যকলার অংশ হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আজিমপুর পুরনো কবরস্থানের অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের নামে ২৩ কাঠা জমির ওপর ৩০ হাজার ২২ বর্গফুট আয়তনের মসজিদটির নির্মাণ কাজ ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর শেষ হয়।

প্রাচীন ও আধুনিক নকশার সমন্বয়ে সাজানো মসজিদটির মূল স্থপতি রফিক আজম। বাংলাদেশের মসজিদের প্রাচীন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে অনুপ্রাণিত এর নকশায় মসজিদটিতে নান্দনিক কারুকাজের অংশ ঢাকাবাসীর ঐতিহ্য বহন করে।

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ জামে মসজিদের ভেতরে আছে উন্নতমানের বিদেশি টাইলস। নানান রঙের সুদৃশ্য বাতিতে আলোকিত হয় এটি। কারুকার্যময় নয়নাভিরাম মসজিদটির অভ্যন্তর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।

মসজিদে আজানের বাংলা অর্থ বড় বড় অক্ষরে লেখা।

উঁচু মিনারে রাখা মাইকের মাধ্যমে আজানের ধ্বনি ছড়িয়ে যায়। মুসল্লিদের জন্য আছে প্রশস্ত পার্কিং সুবিধা। এতে ৩০টির বেশি গাড়ি রাখা যায়। নারী-পুরুষের জন্য রয়েছে আলাদা অজু ও নামাজ পড়ার ব্যবস্থা। মসজিদটিতে একসঙ্গে ১ হাজার ৫২০ জন মুসল্লি ও একসঙ্গে ৭০ জন নারী পৃথকভাবে নামাজ আদায় করতে পারেন। রমজানসহ মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদে দুই হাজারের বেশি মানুষ নামাজ পড়তে সমবেত হন।

মসজিদে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। লিফট ও উন্নতমানের টয়লেট সুবিধার পাশাপাশি রয়েছে জানাজা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইলচেয়ার। নারী-পুরুষসহ সবার মৃতদেহ গোসল দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় এখানে। রয়েছে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৪