সময়মতো উৎপাদনে না আসায় কয়লাভিত্তিক ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের সিদ্ধান্ত
-
প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু জানিয়েছেন, সময়মতো উৎপাদনে না আসায় কয়লাভিত্তিক ১০টি বিদ্যুকেন্দ্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ (রোববার) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
বাতিল করা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো হলো- পটুয়াখালী ২×৬৬০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, উত্তরবঙ্গ ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সুপার থারমাল পাওয়ার প্ল্যান্ট, মাওয়া ৫২২ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা ২৮২ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, চট্টগ্রাম ২৮২ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প। এছাড়া খুলনা ৫৬৫ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মহেশখালী ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মহেশখালী ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ৭০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিপিজিসিবিএল-সুমিতোমো ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যেগুলো সময়মতো উৎপাদনে আসতে পারেনি সেগুলো বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
নসরুল হামিদ বলেন, কোভিডের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির ক্ষেত্রে নতুন চিন্তা-ভাবনা এসেছে। নতুন টেকনোলজির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে হবে। সেক্ষেত্রে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১০টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কারণ তারা সময়মতো উৎপাদনে আসতে পারেনি।
এদিকে, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের খবরে সাধুবাদ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তবে কয়লার পরিবর্তে পরিবেশ দূষণকারী এলএনজি (রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস) ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনসহ (বাপা) কয়েকটি পরিবেশবাদী সংগঠন কয়েকটি কয়লা প্রকল্প বাতিলের দাবিতে সাধুবাদ জানালেও বরাবরের মতোই তারা কয়লাভিত্তিক সব প্রকল্প বাতিলের দাবি জানিয়েছে।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৭
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।