মার্কিন নৌবাহিনীকে আইআরজিসি
‘আন্তর্জাতিক পানিসীমায় আমরা তোমাদের নিকটতম পয়েন্টে পৌঁছাতে পারি’
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র শহীদ লেফটেন্যান্ট জেনারেল হাজ কাসেম সোলাইমানি বহরের কমান্ডার বলেছেন, আইআরজিসি’র নৌ শাখা নিতান্তই একটি উপকূলীয় বাহিনী নয় বরং আন্তর্জাতিক পানিসীমায় এর উপস্থিতি বজায় রাখতে সক্ষম।
গতকাল (সোমবার) কমান্ডার কর্নেল সোলাইমানি একথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আইআরজিসি’র নৌ শাখার ওপর মার্কিন সরকার অবরোধ আরোপ করার পর আমাদের দেখানো দরকার ছিল যে, আইআরজিসি’র নৌ শাখা শুধুমাত্র কোনো উপকূলীয় বাহিনী নয় বরং বিভিন্ন ধরনের ভারী নৌযান তৈরি করতে ও আন্তর্জাতিক পানিসমায় উপস্থিতি বজায় রাখতে সক্ষম।”
তিনি জানান, অভ্যন্তরীণ প্রযুক্তিতে নির্মিত শহীদ মাহদাভি যুদ্ধজাহাজ পারস্য উপসাগরের ফার্সি দ্বীপ থেকে তার যাত্রা শুরু করে এবং এই মিশন আমেরিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করেছে। শহীদ মাহদাভি জাহাজের মিশনের সময় মালাক্কা প্রণালীসহ বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী পার হয়েছে এবং নিরক্ষরেখা পার হয়ে মার্কিন সপ্তম নৌবহরের এলাকায় প্রবেশ করে।
কর্নেল সোলাইমানি বলেন, “প্রথমবারের মতো ইরানের যুদ্ধজাহাজ ভারত মহাসাগরের দিয়াগো গার্সিয়া দ্বীপের দিকে গেছে যেখানে আমেরিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। তার মিশন সফলভাবে শেষ করে ৩৯ দিন পর ইরানের উপকূলে ফিরে আসে। এই অভিযানের মধ্যদিয়ে আমরা আমেরিকাকে এই বার্তা দিয়েছি যে, আন্তর্জাতিক পানিসীমায় আমরা তোমাদের একেবারে নিকটতম পয়েন্টে পৌঁছাতে পারি।”
ইরানের এই মিশন সম্পূর্ণভাবে পেশাদারিত্বের সাথে পরিচালিত হয়েছে এবং কোনো উত্তেজনা সৃষ্টির জন্য এটি করা হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গত মে মাসে যুদ্ধজাহাজ মাহদাভি তার ৩৯ দিনের মিশন শেষ করে।#
পার্সটুডে/এসআইবি/১২
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।