হামাস কমান্ডারকে হত্যা করতে ব্যর্থতার কথা স্বীকার করল ইসরাইল
https://parstoday.ir/bn/news/event-i146584-হামাস_কমান্ডারকে_হত্যা_করতে_ব্যর্থতার_কথা_স্বীকার_করল_ইসরাইল
ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখার শাতি ব্রিগেডের কমান্ডার হাইসাম আল-হাওয়াজরিকে হত্যা করতে নিজের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। তেল আবিব ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে হাওয়াজরিকে হত্যা করার দাবি করেছিল।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৫ ০৬:৫৩ Asia/Dhaka
  • হামাস যোদ্ধা
    হামাস যোদ্ধা

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখার শাতি ব্রিগেডের কমান্ডার হাইসাম আল-হাওয়াজরিকে হত্যা করতে নিজের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। তেল আবিব ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে হাওয়াজরিকে হত্যা করার দাবি করেছিল।

ইসরাইলি সেনা মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হ্যাগারি গতকাল (শনিবার) এক বিবৃতিতে বলেছে, হামাসের আশ-শাতি ব্রিগেডের কমান্ডারকে হত্যা করার গোয়েন্দা তথ্য ‘ভুল’ ছিল।

২০২৩ সালের ৩ ডিসেম্বর ইসরাইলি বাহিনী আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করে দাবি করেছিল, গাজা উপত্যকায় এক বিমান হামলায় হাওয়াজরিকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু গতকাল (শনিবার) যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় চতুর্থ দফায় পণবন্দি মুক্তি দেয়ার সময় হাওয়াজরি ইহুদিবাদী পণবন্দি কেইথ সিগালকে রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক দেখা যায়। 

এ সম্পর্কে হ্যাগারি বলেন, “বিমান হামলার পর ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত ও সামরিক বাহিনী উচ্চ মাত্রার নিশ্চয়তা দিয়েছিল যে, শাতি ব্রিগেডের এই কমান্ডারকে হত্যা করা হয়েছে।” তিনি আরো বলেন, “কিন্তু পরবর্তীতে ব্যাপক অনুসন্ধানের পর প্রমাণিত হয়েছে যে, শিন বেতসহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা যে তথ্যের ভিত্তিতে হাওয়াজরির অবস্থান শনাক্ত করেছিল তা ছিল ভুল।”

এর আগে গতমাসে হামাসের আরেকজন উচ্চপদস্থ কমান্ডারকে সুস্থ অবস্থায় গাজায় বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি পরিদর্শন করতে দেখা যায় যাকে ইসরাইল এর আগে হত্যা করার দাবি করেছিল। ইহুদিবাদী বাহিনী গত বছরের মে মাসে দাবি করেছিল, তারা হামাসের বেইত হানুন ব্রিগেডের কমান্ডার হুসেইন ফাইয়াদকে হত্যা কারেছে। কিন্তু গতমাসে সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ফাইয়াদ গাজার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করছেন। #

 পার্সটুডে/এমএমআই/এমএআর/২