বাংলাদেশের উপদেষ্টাকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা: প্রতিবাদে ভারতীয় দূতকে তলব
https://parstoday.ir/bn/news/event-i160354-বাংলাদেশের_উপদেষ্টাকে_দিল্লিতে_প্রবেশে_বাধা_প্রতিবাদে_ভারতীয়_দূতকে_তলব
ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বঢেকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
(last modified 2026-06-15T10:57:54+00:00 )
জুন ১৫, ২০২৬ ১৬:৪১ Asia/Dhaka
  • পবন বঢে
    পবন বঢে

ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বঢেকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগ) ইশরাত জাহান তাকে তলব করে ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা চান।

উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান রোববার সন্ধ্যায় দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকে অংশ নিতে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে বিমানবন্দরে পৌঁছান। কূটনৈতিক চিঠির মাধ্যমে আগেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো সত্ত্বেও বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আড়াই ঘণ্টা আটকে রাখে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করে।

পরে উচ্চ মহলের নির্দেশে তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও উপদেষ্টা অসৌজন্যমূলক আচরণ ও দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার প্রতিবাদে সফর বাতিল করে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি শ্রীলঙ্কার কলম্বো হয়ে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকায় ফিরে আসেন।

এই ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে। পরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানান, পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে যা হয়েছে, তা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার বিস্তারিত খবর নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট উইং।

এদিকে, নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন গত শুক্রবারই কূটনৈতিক পত্র দিয়ে এই সফরের বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল। হাইকমিশনার ব্যক্তিগতভাবেও ফোনে কথা বলেছিলেন। তার পরও কেন এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সফর নিয়ে হাইকমিশনের যোগাযোগে কোনো ব্যর্থতা ছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে, যদিও হাইকমিশন থেকে এখনো কোনো বিবৃতি আসেনি।

পার্সটুডে/এমএআর/১৫