মিয়ানমার ও ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিচ্ছে বাংলাদেশ: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/event-i160436-মিয়ানমার_ও_ভারত_সীমান্তে_কাঁটাতারের_বেড়া_দিচ্ছে_বাংলাদেশ_সংসদে_স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পাশাপাশি ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতেও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে। আজ (বুধবার) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
(last modified 2026-06-17T14:42:48+00:00 )
জুন ১৭, ২০২৬ ২০:৪০ Asia/Dhaka
  • সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
    সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পাশাপাশি ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতেও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে। আজ (বুধবার) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ফেন্সিডিলসহ সব ধরনের মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রবেশ বন্ধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে সীমান্ত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

সীমান্ত সুরক্ষা কার্যকর করতে দুর্গম ও স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকাগুলোতে নতুন বিওপি/টিওবি নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বিজিবির টহল সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের অতি সংবেদনশীল এলাকায় 'স্মার্ট বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম' স্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

বিএসএফ-এর পুশইন প্রসঙ্গ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইন করা দুই হাজার ৩৬৯ জনের মধ্যে ১১ জনকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর এবং ১৮৩ জনকে পুশব্যাক করা হয়েছে। বাকিদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিএসএফের ৩৬টি পুশইন চেষ্টা বিজিবি প্রতিরোধ করেছে।

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। যদিও নিহতের পরিবারকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদানের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট চুক্তি হয়নি, তবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ সবসময়ই সীমান্তে প্রাণঘাতি অস্ত্র ব্যবহারের তীব্র বিরোধীতা এবং এর জবাবদিহিতার বিষয়টি উত্থাপন করেছে।

সচেতনতামূলক কার্যক্রম

সীমান্ত এলাকার মানুষকে চোরাচালান ও অপরাধের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে এবং অপরাধীদের তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহায়তা করতে নিয়মিত 'জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম' পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।#

পার্সটুডে/এমএআর/১৭