ইরান যুদ্ধের জের: যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
https://parstoday.ir/bn/news/event-i161486-ইরান_যুদ্ধের_জের_যুক্তরাষ্ট্রের_তেলের_মজুত_৪৩_বছরের_মধ্যে_সর্বনিম্নে
পার্স টুডে – ইউরেশিয়া ডেইলি এক প্রতিবেদনে বলেছে, আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত গত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
(last modified 2026-07-20T09:24:16+00:00 )
জুলাই ১৯, ২০২৬ ১৮:৫৭ Asia/Dhaka
  • ইরান যুদ্ধের জের: যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
    ইরান যুদ্ধের জের: যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে

পার্স টুডে – ইউরেশিয়া ডেইলি এক প্রতিবেদনে বলেছে, আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত গত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

পার্স টুডে, মেহর নিউজ এজেন্সির বরাতে জানিয়েছে, ইউরেশিয়া ডেইলি তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (EIA)-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশটির কৌশলগত তেলের মজুত (Strategic Petroleum Reserve) কমে ৩১৯ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি ১৯৮৩ সালের পর, অর্থাৎ গত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন কৌশলগত তেলের মজুত। এছাড়া এটি জো বাইডেনের প্রেসিডেন্সির সময়কার সর্বনিম্ন রেকর্ডের চেয়েও ২৭ মিলিয়ন ব্যারেল কম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পরিণতি ও প্রভাব মোকাবিলার চেষ্টা করছে।

চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA)-এর সদস্য দেশগুলোর বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র তার কৌশলগত তেলের মজুতের একটি অংশ বাজারে ছাড়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।

রাশিয়ার ন্যাশনাল এনার্জি সিকিউরিটি ফান্ড-এর জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক ইগর ইউশকভ বলেন, হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় তার কৌশলগত মজুত থেকে তেল উত্তোলনের একই নীতি অনুসরণ করছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখনও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল রয়েছে। তবে প্রতিবার যখন দেশটির তেলের মজুত সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসার খবর প্রকাশিত হয়, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়। তাই যুক্তরাষ্ট্র এবং ট্রাম্প প্রশাসন পশ্চিম এশিয়ার তেলকে বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছানোর সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে।

ইউশকভ আরও বলেন, প্রতি ব্যারেল তেলের দাম আবারও ১০০ ডলার বা তারও বেশি হতে পারে—এমন সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।#
 

পার্স টুডে/এমএএইচ/১৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।