পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগে মামলা দায়ের
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন কাঁথির আইনজীবী আবু সোহেল। সম্প্রতি নন্দকুমার ও আসানসোলে পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে বিরোধী দলনেতা বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ। আইনজীবী আবু সোহেলের অভিযোগের ভিত্তিতে নন্দকুমার থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩-এ,২৯৫-এ, এবং ৫০৫(২)ধারায় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।
বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই মিথ্যা মামলা করা হচ্ছে।’
বিজেপির জাতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, 'এ ধরনের মামলা এর আগেও অনেকবার হয়েছে। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেবেন শুভেন্দু অধিকারী।'
শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নেপথ্যে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মহিষাদলের তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী।
অন্যদিকে, রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, 'মামলা নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। শুভেন্দু অধিকারী একনাগাড়ে কুরুচিকর, উসকানিমূলক মন্তব্য করে যাচ্ছেন।'
২০২১ সালে, পুলিশকে হুমকি সংক্রান্ত একটি মামলায় শুভেন্দু অধিকারীকে নোটিস পাঠিয়েছিল তমলুক থানা। ওই নোটিসে শুভেন্দু অধিকারীকে তার পছন্দমতো জায়গা ও সময় জানাতে বলা হয়েছিল। সেইমতো, সেখানে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। কিন্তু ওই মামলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি শুভেন্দু বাবু।
নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘এমন কাজ করবেন না যেন কাশ্মীরে গিয়ে ডিউটি করতে হয়। ‘এনএইচআরসি’ রিপোর্টে অনেক আইসি, এসআইয়ের নাম আছে। সেই রিপোর্টে আইনের শাসন নেই, আছে শাসকের আইন।’
সে সময়ে তমলুক থানার পুলিশ শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি বিজেপির চার বিধায়ক ও একাধিক বিজেপি নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছিল। এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৫ জন বিজেপি নেতা-কর্মীকে নোটিস দিয়েছিল পুলিশ। #
পার্সটুডে/এমএএইচ/এমবিএ/ ৩০
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।