কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাক সেনারা গুলি চালিয়েছে: ভারতের দাবি
https://parstoday.ir/bn/news/india-i17194-কাশ্মিরের_নিয়ন্ত্রণ_রেখা_বরাবর_পাক_সেনারা_গুলি_চালিয়েছে_ভারতের_দাবি
ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে মর্টার হামলা চালালো পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লে. কর্নেল মনীশ মেহতা বলেন, ‘জম্মু-কাশ্মিরের পুঞ্চ সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা গুলি চালিয়েছে।’
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
আগস্ট ১৪, ২০১৬ ১০:১৯ Asia/Dhaka
  • কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাক সেনারা গুলি চালিয়েছে: ভারতের দাবি

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে মর্টার হামলা চালালো পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লে. কর্নেল মনীশ মেহতা বলেন, ‘জম্মু-কাশ্মিরের পুঞ্চ সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা গুলি চালিয়েছে।’

আজ (রোববার) ভোর ৩টা নাগাদ পাক সেনারা পুঞ্চ সেক্টরে ভারী মর্টারের পাশাপাশি ছোট এবং স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।

মনীশ মেহতা বলেন, ‘আমাদের সেনারা উচিত জবাব দিচ্ছে এবং শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আমাদের সেনাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এখনো ভারী গোলাগুলি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।’

প্রসঙ্গত,  গত ১০ এপ্রিল পুঞ্চ সেক্টরে যুদ্ধবিরতি ভেঙেছিল পাকিস্তান। এর চার মাস পর ফের তারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করল।

কর্মকর্তা সূত্রে প্রকাশ, সীমান্তে গত বছর পাকিস্তান ৪০৫ বার গুলি চালিয়েছিল। এ ঘটনায় ১৬ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হওয়ার পাশাপাশি ৭১ জন আহত হয়। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় প্রায় ৮ হাজার মানুষ সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের নিরাপদ স্থানে পাঠাতে হয়।

প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার প্রধানমন্ত্রী দফতরের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ‘আগামী বছর পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মিরে তেরঙ্গা (জাতীয় পতাকা) ওড়ানো হবে’ বলে মন্তব্য  করেন। জিতেন্দ্র সিং আরো বলেন, ‘এখনও একটা স্বাধীনতার লড়াই বাকি রয়েছে। সেটা হল, পাক অধিকৃত কাশ্মিরে আমাদের যেসব ভাই-বোনেরা রয়েছেন, তাদের স্বাধীন করা।’

এর আগে গত শুক্রবার কাশ্মির পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্তব্য করেন, পাক দখলীকৃত কাশ্মির ভারতেরই অঙ্গ। বালুচিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মিরে কেন সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে পাকিস্তানকে তার জবাব দিতে হবে। #

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১৪