ভারতে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৬৭ লাখ, মৃত ৮১৬
https://parstoday.ir/bn/news/india-i83791-ভারতে_২৪_ঘণ্টায়_করোনা_আক্রান্তের_সংখ্যা_প্রায়_৬৭_লাখ_মৃত_৮১৬
ভারতে ২৪ ঘণ্টায় মারণব্যাধি করোনাভাইরাসে ৬৬ হাজার ৭৩২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। একইসময়ে ৮১৬ জন করোনা রোগী প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে দেশটিতে ৭১ লাখ ২০ হাজার ৫৩৮ জন সংক্রমিত হলেন। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৯ হাজার ১৫০ জনে পৌঁছেছে। গতকাল (রোববার) সকাল ৮ টা থেকে আজ (সোমবার) সকাল ৮ টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ওই তথ্য জানিয়েছে।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
অক্টোবর ১২, ২০২০ ১১:৫২ Asia/Dhaka
  • ভারতে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৬৭ লাখ, মৃত ৮১৬

ভারতে ২৪ ঘণ্টায় মারণব্যাধি করোনাভাইরাসে ৬৬ হাজার ৭৩২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। একইসময়ে ৮১৬ জন করোনা রোগী প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে দেশটিতে ৭১ লাখ ২০ হাজার ৫৩৮ জন সংক্রমিত হলেন। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৯ হাজার ১৫০ জনে পৌঁছেছে। গতকাল (রোববার) সকাল ৮ টা থেকে আজ (সোমবার) সকাল ৮ টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ওই তথ্য জানিয়েছে।

সরকারি তথ্যে প্রকাশ, দেশে বর্তমানে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৮৫৩ জন সক্রিয় করোনা রোগী হাসপাতাল অথবা হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন। এ পর্যন্ত মোট ৬১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৩৫ জন করোনা রোগী সংক্রমণ মুক্ত বা সুস্থ হয়েছেন।

ভারতে ১ লাখ করোনা সংক্রমণ হতে সময় লেগেছিল ১১০ দিন। কিন্তু তার পরে সংক্রমণের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় মাত্র ১/২ দিনেই ১ লাখ করে করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। বর্তমানে সংক্রমণের সংখ্যা ৭১ লাখ ছাড়াতে সময় লেগেছে ২৫৬ দিন।

করোনা সংক্রমণের নিরিখে ভারত বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শীর্ষস্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে সবচেয়ে বেশি ৭৭ লাখ ৬১ হাজার ৬৭৩ জন সংক্রমিত হয়েছেন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। সেখানে এ পর্যন্ত ৫০ লাখ ৯৪ হাজার ৯৭৯ জন সংক্রমিত হয়েছেন। ১২ লাখ ৯১ হাজার ৬৮৭ জন সংক্রমণের মধ্যে রাশিয়া চতুর্থ স্থানে রয়েছে।

এদিকে, করোনা মহামারীর মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আসন্ন দুর্গাপুজো, দশেরা, দীপাবলি, ছটপুজো ইত্যাদির প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু কেরালায় ওনাম উৎসবের পরেই করোনা সংক্রমণ মাত্রা ছড়িয়ে গিয়েছিল। সেই দৃষ্টান্ত মাথায় রেখে গতকাল (রোববার) কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন বলেছেন, ‘ধর্মের থেকে কর্মের গুরুত্ব কী বেশি নয়? উৎসব পালন করতে গিয়ে কী জীবনবাজি রাখা উচিত? কোনও ধর্মীয় নেতাই সেই নির্দেশ দেননি। বাইরে আগুন জ্বলছে জেনেও ধর্মের নামে সেই আগুনেই ঝাঁপ দিয়ে বিপদ ডাকলে এসব উৎসবের যুক্তি কী?’

করোনার দাপট যেহেতু ঠাণ্ডা ও কম আর্দ্র পরিবেশে বাড়ে সেজন্য ভরা শীতে ভারতে করোনার সংক্রমণ ও বিস্তার বিপজ্জনক সীমায় পৌঁছে যেতে পারে বলে সাবধান করে দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন বলেন, ‘জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পুজো-পার্বণে যোগ দেওয়ার নির্দেশ কোনও ধর্ম বা ঈশ্বর দেননি। এও বলেননি, প্রার্থনা করার জন্য মণ্ডপ, মন্দির বা মসজিদে যেতে হবে।’

মেলা বা জমায়েত এড়িয়ে উৎসবের দিনগুলো প্রিয়জনের সঙ্গে বাড়িতেই পালন করার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।