চুক্তির বিষয়টি ওয়াশিংটনের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে: ইরান
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i157062-চুক্তির_বিষয়টি_ওয়াশিংটনের_সদিচ্ছার_ওপর_নির্ভর_করে_ইরান
পার্সটুডে- ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের শর্তে চুক্তিতে পৌঁছাতে তেহরান প্রস্তুত রয়েছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের ক্ষেত্রে এর সূচনাকারীরা অন্যদের তুলনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
(last modified 2026-02-15T14:28:41+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ ২০:১৪ Asia/Dhaka
  • মাজিদ তাখত-রাভানচি
    মাজিদ তাখত-রাভানচি

পার্সটুডে- ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের শর্তে চুক্তিতে পৌঁছাতে তেহরান প্রস্তুত রয়েছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের ক্ষেত্রে এর সূচনাকারীরা অন্যদের তুলনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনীতি বিষয়ক উপমন্ত্রী ও দেশটির আলোচক দলের সদস্য মাজিদ তখত-রাভানচি বিবিসি ওয়ার্ল্ড নেটওয়ার্ককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে বাস্তব ইচ্ছা প্রদর্শন করে, তাহলে চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি জানান, পরমাণু সংলাপের কাঠামোর মধ্যে সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়ে সমঝোতার সম্ভাবনাও ইরান বিবেচনা করতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, প্রতিপক্ষের আন্তরিকতা থাকলে আলোচনায় অগ্রগতির আশা করা যায়। তখত-রাভানচি জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফা পরোক্ষ আলোচনার আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করে আলোচনার প্রক্রিয়াকে “কমবেশি ইতিবাচক” বলে বর্ণনা করেন, তবে চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য এখনো সময় আসেনি বলে মন্তব্য করেন।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৬০ শতাংশ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামকে পরিবর্তন করার  প্রস্তাবকে কূটনৈতিক পথ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের প্রস্তুতির নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “শূন্য সমৃদ্ধকরণ” তেহরানের রেড লাইন এবং তা আলোচনার এজেন্ডায় নেই।

তিনি এ কথাও স্মরণ করিয়ে দেন যে, আলোচনায় ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার বিষয়টি উত্থাপনের বিরোধী ইরান, কারণ এটিকে দেশের প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতার অংশ হিসেবে দেখা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হুমকি ইস্যুতে তখত-রাভানচি সতর্ক করে বলেন, এই অঞ্চলে যেকোনো যুদ্ধের পরিণতি হবে ভয়াবহ এবং তা সব পক্ষের বিশেষ করে এর সূচনাকারীদের জন্য মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনবে।

তখত-রাভানচির মতে, ওমানসহ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পৌঁছানো বার্তাগুলো ওয়াশিংটনের শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়, যদিও মার্কিন কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য কিছু উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

তিনি আরও জানান, যুদ্ধবিরোধী একটি আঞ্চলিক ঐকমত্য গড়ে উঠছে এবং তেহরান সতর্কতার সঙ্গে কূটনীতির পথ অনুসরণ করছে, তবে ইরান যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্যও প্রস্তুত রয়েছে।#

পার্সটুডে/এসএ/১৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।