বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে সাফল্য
ইরানের রেড-ক্রিসেন্টে প্লাজমা-ভিত্তিক ওষুধ উৎপাদন শুরু, জরুরি সহায়তায় প্রযুক্তিগত অগ্রগতি
-
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পিরহোসেইন কোলিভান্দ
পার্স-টুডে: ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান প্লাজমা থেকে উৎপন্ন ওষুধ তৈরির পরিকল্পনা এবং সংস্থাটির প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন।
পার্স-টুডের বরাতে আইআরএনএ (ইরনা) জানিয়েছে, ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পিরহোসেইন কোলিভান্দ বলেছেন, “রক্ত পরিশোধনাগার নির্মাণ এবং প্লাজমা থেকে উৎপন্ন ওষুধ উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।” তিনি জানান, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল ইরানের রেড ক্রিসেন্টকে একটি “ভবিষ্যতমুখী, জনগণভিত্তিক ও জ্ঞানভিত্তিক” প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা। চলতি বছরের কার্যক্রম তুলে ধরে কোলিভান্দ বলেছেন, নববর্ষকালীন উদ্ধার তৎপরতা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে শুরু করে সীমান্তের বাইরে অভিযান এবং বৃহৎ জনসমাবেশে কাভারেজ—সব মিলিয়ে এই সংস্থার অবস্থান দেশের অন্যতম প্রধান জরুরি সহায়তা স্তম্ভ হিসেবে আরও দৃঢ় হয়েছে।
তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় “নববর্ষকালীন সেবা ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি” হয়েছে। পাশাপাশি বলেন, দেই মাসে তথা গত ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে “১৫ হাজার দুর্ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে এবং রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা ১০ হাজার আহতকে চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তর করেছেন।” তাঁর মতে, বিভিন্ন দুর্ঘটনায় দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা এবং ইমাম হুসাইন-আ.'র শাহাদাতের চেহলাম-বার্ষিকী বা আরবাঈন উদযাপনসহ বৃহৎ কার্যক্রম ও আবহাওয়াজনিত সংকটে সেবা প্রদান—এসবই সংস্থাটির কার্যকর প্রস্তুতির প্রমাণ।
কোলিভান্দ নতুন প্রযুক্তি বিকাশের কথাও উল্লেখ করে বলেন, “উদ্ধার ও ত্রাণে ড্রোন নেটওয়ার্ক ও বিশেষ ইউনিট চালু হওয়ায় দ্রুত অনুসন্ধান, ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন এবং কর্মীদের নিরাপত্তা বেড়েছে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো চৌকস বা স্মার্ট উদ্ধার-ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়া, দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং সংকটে সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা। #
পার্সটুডে/এমএএইচ/১৬
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।
ট্যাগ