যুদ্ধবিরতি মেনে চলার ওপর হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নির্ভর করছে: আরাকচি
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i158356-যুদ্ধবিরতি_মেনে_চলার_ওপর_হরমুজ_প্রণালি_দিয়ে_নিরাপদ_যাতায়াত_নির্ভর_করছে_আরাকচি
দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউনের সঙ্গে এক টেলিফোনোলাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আরোপিত যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
(last modified 2026-04-10T15:07:54+00:00 )
এপ্রিল ১০, ২০২৬ ১৬:০৭ Asia/Dhaka
  • সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি
    সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি

দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউনের সঙ্গে এক টেলিফোনোলাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আরোপিত যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার পক্ষে দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের গৃহীত অবস্থানের প্রশংসা করেন তিনি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এক বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, সকল রণাঙ্গনে সংঘাতের সম্পূর্ণ অবসান ঘটানোর ভিত্তি হিসেবে সকল পক্ষের এই যুদ্ধবিরতি মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার ওপর আরাকচি জোর দিয়েছেন।

হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আরাকচি বলেন, যদি প্রতিপক্ষ যুদ্ধবিরতি চলাকালীন তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে এবং বিদ্যমান প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতাগুলো বিবেচনায় রাখে তাহলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রণালীটি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত সম্ভব হবে।

জবাবে, দক্ষিণ কোরীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এবং সকল রণাঙ্গনে সংঘাত বন্ধের বিষয়টিকে স্বাগত জানান। তিনি সমগ্র অঞ্চলে সামরিক হামলা বন্ধ করা এবং ধারাবাহিক আলোচনা ও বাস্তব ফলাফলের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী তেহরান ও সিউলের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং কনস্যুলার সহযোগিতা নিয়েও মতবিনিময় করেন।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠী ইরানের বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের সামরিক আগ্রাসন শুরু করে। এই হামলায় ইরানজুড়ে সামরিক ও বেসামরিক উভয় স্থানেই ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়, যার ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এর জবাবে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী অধিকৃত অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থান এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে প্রতিশোধমূলক অভিযান চালিয়েছে।#

পার্সটুডে/এমবিএ/এমএআর/১০