‘কোন অপরাধে মারা যাচ্ছে শিশুরা?’—বিশ্ব বিবেকের কাছে প্রশ্ন বাকায়ির
-
ইরানের বিরুদ্ধে চাপিয়ে দেয়া আমেরিকা-ইসরায়েলের ১২ দিনের যুদ্ধে নিহত শিশুদের ছবি।
পার্সটুডে– নিরীহ শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও আগ্রাসনের শিকার শিশুদের আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেছেন, যুদ্ধাপরাধের কারণে নিহত বা আহত প্রতিটি শিশুর সঙ্গে মানবতারও একটি অংশ হারিয়ে যায়।
পার্সটুডে’র খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানী মোহাম্মদ রেজা সিদ্দিকি সাবেরের কন্যা সাইয়্যেদা মাহিয়া সিদ্দিকি সাবেরের একটি ছবি প্রকাশ করেন। তার পিতা উত্তর ইরানের আশরাফিয়েহ অঞ্চলে নিজ বাড়িতে এক হামলায় নিহত হন।
বাকায়ি লিখেছেন, “৪ জুন, নিরীহ শিশুদের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের শিকার শিশুদের আন্তর্জাতিক দিবস—এমন একটি দিন, যেদিন মানব বিবেকের নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত: ‘কোন অপরাধে নিষ্পাপ শিশুরা নিহত হচ্ছে?’”
তিনি বলেন, আজ আমরা সেইসব শিশুদের স্মরণ করছি, যাদের স্বপ্ন দেখার, আনন্দ করার, লেখাপড়া করার এবং ভবিষ্যৎ গড়ার কথা ছিল। কিন্তু জীবনের প্রকৃত অর্থ বোঝার আগেই তারা যুদ্ধাপরাধ, দখলদারিত্ব, বর্ণবাদী নীতি এবং বোমা হামলার শিকার হয়েছে।
বাকায়ি আরও বলেন, গাজা, পশ্চিম তীর, বৈরুত থেকে শুরু করে মিনাব, লামের্দ ও তেহরানসহ ইরান ও অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শিশুদের ঘটনা একই বাস্তবতাকেই তুলে ধরে। তার মতে, কোনো সামরিক লক্ষ্য, রাজনৈতিক স্বার্থ বা নিরাপত্তার অজুহাত কখনোই শিশু হত্যাকে বৈধতা দিতে পারে না।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, “শিশুরা কোনো যুদ্ধের পক্ষ নয়, তারা যুদ্ধের হাতিয়ারও নয়। তারা মানবতার জীবন্ত বিবেক। যুদ্ধাপরাধের মাধ্যমে যখন কোনো শিশু নিহত বা আহত হয়, তখন মানবতার একটি অংশও সমাহিত হয়ে যায়।”
পার্সটুডে/এমবিএ/৫
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।