'ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন'
-
ইরানের শিল্প, খনি ও বাণিজ্যমন্ত্রী সাইয়্যেদ মোহাম্মদ আতাবাক।
পার্সটুডে– ইরানের শিল্প, খনি ও বাণিজ্যমন্ত্রী সাইয়্যেদ মোহাম্মদ আতাবাক ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
পার্সটুডে’র খবরে বলা হয়েছে, কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য দেশগুলোর শিল্পমন্ত্রীদের বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাইয়্যেদ মোহাম্মদ আতাবাক বলেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অঞ্চল ও বিশ্ব এমন কিছু উদ্বেগজনক ঘটনার মুখোমুখি হয়েছে, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।
তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসন শুধু আঞ্চলিক শান্তিকেই হুমকির মুখে ফেলেনি, বরং এর নেতিবাচক প্রভাব বৈশ্বিক উৎপাদন, জ্বালানি সরবরাহ এবং পরিবহন ব্যবস্থার ওপরও স্পষ্টভাবে পড়েছে।
আতাবাক উল্লেখ করেন, এই হামলায় ইরানের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে, যদিও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এসব স্থাপনা বিশেষ সুরক্ষার অধিকারী।
ইরানের মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি, জাতিসংঘ সনদ এবং প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী। তিনি জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি নিঃশর্ত সম্মান, বেসামরিক অবকাঠামোর পূর্ণ নিরাপত্তা এবং সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি এসব হামলার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
আতাবাক আরও বলেন, আঞ্চলিক শিল্প ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার অন্যতম অভিন্ন লক্ষ্য। ইরান সবসময় শিল্পখাতে সমন্বয়, আধুনিক প্রযুক্তি বিনিময় এবং মূল্য সংযোজন শৃঙ্খল উন্নয়নের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং যৌথ অবকাঠামো ও উৎপাদন প্রকল্পসহ বহুপাক্ষিক উদ্যোগে সক্রিয় অংশগ্রহণে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা সদস্য দেশগুলোর উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অঞ্চলে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।#
পার্সটুডে/এমবিএ/৫
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।