ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদের নিন্দা জানান: জাতিসংঘকে আরাকচি
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i162546-ইরানের_বিরুদ্ধে_মার্কিন_অর্থনৈতিক_সন্ত্রাসবাদের_নিন্দা_জানান_জাতিসংঘকে_আরাকচি
পার্সটুডে- জাতিসংঘের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদের কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মার্কিন এই পদক্ষেপের নিন্দা জানানো জাতিসংঘের আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব।
(last modified 2026-08-27T07:11:15+00:00 )
আগস্ট ২৭, ২০২৬ ১২:২৯ Asia/Dhaka
  • আরাকচি
    আরাকচি

পার্সটুডে- জাতিসংঘের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদের কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মার্কিন এই পদক্ষেপের নিন্দা জানানো জাতিসংঘের আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব।

পার্সটুডে জানিয়েছে, বুধবার রাতে প্রকাশিত ওই চিঠিতে সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি লিখেছেন, এই তথাকথিত অর্থনৈতিক অভিযানের ঘোষিত লক্ষ্য হলো ইরানের সঙ্গে বৈধ অর্থনৈতিক সম্পর্কের অবসান ঘটানো। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

ইরানের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত দুটি অবৈধ যুদ্ধে নিজেদের অপরাধমূলক লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর এবং অন্য দেশগুলোকে চাপিয়ে দেওয়া এসব যুদ্ধে অংশ নিতে রাজি করাতে না পারার পর যুক্তরাষ্ট্র এখন একই অবৈধ লক্ষ্য অনুসরণ করছে। অর্থাৎ, স্বাধীন দেশগুলোকে আগ্রাসী পদক্ষেপে যোগ না দেওয়ার বিষয়ে তাদের বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য করতে চাপ ও জবরদস্তির মাধ্যমে তাদের একটি ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদমূলক অভিযানে’ অংশগ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করছে। চিঠিতে বলা হয়, বহুপক্ষবাদ ও কূটনীতিকে প্রকাশ্যে উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্র ভয় দেখানো ও সন্ত্রাসের নীতি অনুসরণ করছে।

আরাকচির চিঠিতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপ জাতিসংঘ সনদের ২ নম্বর অনুচ্ছেদের ১ নম্বর ধারায় বর্ণিত রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌম সমতার নীতির পরিপন্থী। পাশাপাশি অন্যের হস্তক্ষেপ ছাড়াই প্রতিটি রাষ্ট্রের নিজস্ব অর্থনৈতিক ও পররাষ্ট্রনীতি স্বাধীনভাবে নির্ধারণের অধিকারেরও বিরোধী।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিরুদ্ধে নীরব থাকা জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের নীতি লঙ্ঘনকে আরও স্বাভাবিক করে তোলার ঝুঁকি সৃষ্টি করবে। অথচ এসব নীতিই স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।#

পার্সটুডে/এসএ/২৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন