আইআরজিসি: বিয়ের অনুষ্ঠানে জঘন্য হামলার জন্য মার্কিন নেতাদেরকে জবাবদিহি করতে হবে
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i162742-আইআরজিসি_বিয়ের_অনুষ্ঠানে_জঘন্য_হামলার_জন্য_মার্কিন_নেতাদেরকে_জবাবদিহি_করতে_হবে
পার্সটুডে- ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, মার্কিন নেতারা ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে আবারও মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন এবং দক্ষিণ ইরানের মিনাব, লামার্দ ও কেশমে সংঘটিত ঘটনার মতোই জবাবদিহি এড়িয়ে যাচ্ছেন।
(last modified 2026-09-03T13:10:57+00:00 )
সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬ ১৬:২৩ Asia/Dhaka
  • আইআরজিসি
    আইআরজিসি

পার্সটুডে- ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, মার্কিন নেতারা ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে আবারও মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন এবং দক্ষিণ ইরানের মিনাব, লামার্দ ও কেশমে সংঘটিত ঘটনার মতোই জবাবদিহি এড়িয়ে যাচ্ছেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলার কালো অধ্যায় নিয়েও তাদের উচিত বিশ্বজনমতের কাছে জবাব দেওয়া। এসব ঘটনা কি সবই দুর্ঘটনা ও ভুলবশত ঘটেছিল?

ইরানি বার্তা সংস্থা ইরনা-র বরাতে পার্সটুডে জানিয়েছে, এক বিবৃতিতে আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ বলেছে:

বিশ্বের স্বাধীনতাকামী জনগণ এবং বীরত্ব ও প্রতিরোধের জন্য পরিচিত ইরানি জাতির বিরুদ্ধে মার্কিন সেনাবাহিনীর সন্ত্রাসী সেন্টকম কমান্ড ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে। সিরিক শহরের কুহেস্তাক এলাকার এক সম্মানিত পরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠানে সরাসরি বিমান হামলা চালিয়ে তারা আনন্দের আয়োজনকে শোকের অনুষ্ঠানে পরিণত করেছে।

মার্কিন সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় প্রায় ৭০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে।

বুধবার রাত থেকে এই বড় ধরনের কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে ইরানের জনগণ, গণমাধ্যম, বিশ্বের স্বাধীনতাকামী ব্যক্তিত্ব এবং এমনকি কিছু মার্কিন গণমাধ্যম প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আসছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন সেনাবাহিনী ও দেশটির কর্মকর্তারা বিভিন্ন বক্তব্য ও বিবৃতিতে এই অপরাধটি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়নি বলে দাবি করার চেষ্টা করছেন। তারা বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা না চালানোর হাস্যকর দাবিও পুনরাবৃত্তি করছেন।

কিন্তু এ ধরনের ঘটনায় মার্কিন সেনাবাহিনীর নৃশংসতার দীর্ঘ ও পুনরাবৃত্ত ইতিহাস রয়েছে। এই অপরাধের কলঙ্ক হোয়াইট হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কপাল থেকে কখনো মুছে যাবে না।

আজ বিশ্বের জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে, ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে বেসামরিক জনগণের ওপর হামলা করা মার্কিন সামরিক নীতির একটি অংশ।

মার্কিন নেতারা ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে আবারও মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন এবং মিনাব, লামার্দ ও কেশমের ঘটনার মতোই জবাবদিহি এড়িয়ে যাচ্ছেন। তাদের উচিত বিভিন্ন দেশে বিয়ের অনুষ্ঠানে নিজেদের হামলার কালো অধ্যায় নিয়েও বিশ্বজনমতের কাছে জবাব দেওয়া। এসব ঘটনাও কি সবই দুর্ঘটনা ও ভুলবশত ঘটেছিল?

আমাদের সামরিক শক্তি রয়েছে। মঙ্গলবার রাতে রক্তপিপাসু সন্ত্রাসীদের হত্যা করে আমরা সেন্টকমের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক জবাব দিয়েছি।

মার্কিন জনগণ যদি এই বর্বর ও শিশু-হত্যাকারী সেনাবাহিনীকে থামাতে না পারে, তাহলে তাদের সেই দিনের ভয় করা উচিত- যেদিন নিপীড়িতদের প্রতিশোধের দিন এসে উপস্থিত হবে।#

পার্সটুডে/এমআরএইচ/৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।