ইরানি জাহাজের ক্যাপ্টেনের সঙ্গে যেমন ব্যবহার করেছে ব্রিটিশ সেনারা
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i72396-ইরানি_জাহাজের_ক্যাপ্টেনের_সঙ্গে_যেমন_ব্যবহার_করেছে_ব্রিটিশ_সেনারা
জিব্রাল্টার প্রণালী থেকে আটক ইরানি তেলবাহী সুপার ট্যাংকারের ক্যাপ্টেন ও ক্রুদের ওপর বাড়তি শক্তি প্রয়োগ করেছে ব্রিটিশ মেরিন সেনারা। একথা জানিয়েছেন ইরানি গ্রেস-১ ট্যাংকারের ভারতীয় ক্যাপ্টেন।  
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুলাই ৩০, ২০১৯ ১৭:৪৬ Asia/Dhaka
  • ইরানি জাহাজে ব্রিটিশ মেরিন সেনাদের অভিযান
    ইরানি জাহাজে ব্রিটিশ মেরিন সেনাদের অভিযান

জিব্রাল্টার প্রণালী থেকে আটক ইরানি তেলবাহী সুপার ট্যাংকারের ক্যাপ্টেন ও ক্রুদের ওপর বাড়তি শক্তি প্রয়োগ করেছে ব্রিটিশ মেরিন সেনারা। একথা জানিয়েছেন ইরানি গ্রেস-১ ট্যাংকারের ভারতীয় ক্যাপ্টেন।  

নাম প্রকাশ না করে তিনি আজ (মঙ্গলবার) ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি-কে বলেন, ৪ জুলাই ঘটনার দিন পুলিশ তাকে একটি বার্তা দেয় যে, তারা জাহাজে উঠবে সেজন্য তারা জাহাজের মই নামাতে বলে। কিন্তু জাহাজে পুলিশ ওঠার পরিবর্তে খুবই বিপজ্জনকভাবে একটি সামরিক হেলিকপ্টার জাহাজের ওপর নামে। হেলিকপ্টার থেকে জাহাজে প্রায় ৩০ জন মেরিন নামে।

 ইরানি ট্যাংকার গ্রেস-১ 

তিনি জানান, তেল ট্যাংকারের ক্রুরা নিরস্ত্র থাকলেও জাহাজে নামার পর ব্রিটিশ মেরিন সেনারা আগ্রাসীমূলক তৎপরতা শুরু করে। তিনি নিজেকে জাহাজের ক্যাপ্টেন হিসেবে পরিচয় দিলেও মেরিন সেনারা তা উপেক্ষা করে এবং চিৎকার করতে করতে বন্দুকের মুখে ক্রুদেরকে হাঁটু গেঁড়ে বসতে বাধ্য করে। ভারতীয় ক্যাপ্টেন এ সময় প্রশ্ন রেখে বলেন, “আপনি কীভাবে এরকম বর্বর সশস্ত্র সেনা নিয়ে একটি জাহাজে আসতে পারেন? কী কারণে আপনি এসেছেন?”

ক্যাপ্টেন বলেন, “তারা আমাকে জাহাজের প্রধান হিসেবে গ্রাহ্যই করে নি, সেখানে কোনো নিয়ম-নীতির বালাই ছিল না। জাহাজে ২৮ জন ক্রু ছিলেন; আমরা সবাই মারাত্মক রকমের অবাক হয়েছি।”  

ক্যাপ্টেন জানান, মেরিন সেনারা জাহাজে উঠে তাকে বলেছে যে, তাকে গ্রেফতার করা হলো। অথচ এ বিষয়ে জিব্রাল্টার পুলিশ আগে দাবি করেছিল, জাহাজ আটকের জন্য খুব সামান্য শক্তিই ব্যবহার করা হয়েছে।#

পার্সটুডে/এসআইবি/৩০