'নুর' সংকেত পাঠাতে শুরু করেছে: সামনে আসছে আরও চমক বলল আইআরজিসি
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i79331-'নুর'_সংকেত_পাঠাতে_শুরু_করেছে_সামনে_আসছে_আরও_চমক_বলল_আইআরজিসি
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র বিমানমহাকাশ বিভাগের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির-আলী হাজিজাদেহ বলেছেন, সামরিক উপগ্রহ 'নুর' থেকে সংকেত পাওয়া গেছে। এ উপগ্রহ প্রতি ৯০ মিনিটে একবার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করছে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে উপগ্রহকে আরও উচ্চ কক্ষপথে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা ইরান করেছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
এপ্রিল ২৪, ২০২০ ১১:৪২ Asia/Dhaka
  • 'নুর' সংকেত পাঠাতে শুরু করেছে: সামনে আসছে আরও চমক বলল আইআরজিসি

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র বিমানমহাকাশ বিভাগের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির-আলী হাজিজাদেহ বলেছেন, সামরিক উপগ্রহ 'নুর' থেকে সংকেত পাওয়া গেছে। এ উপগ্রহ প্রতি ৯০ মিনিটে একবার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করছে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে উপগ্রহকে আরও উচ্চ কক্ষপথে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা ইরান করেছে।

ইরান বুধবার নূর  বা আলো-১ নামের এই সামরিক কৃত্রিম উপগ্রহকে সফলভাবে পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪২৫ কিলোমিটার উপরের কক্ষপথে স্থাপন করেছে।  এটিকে কক্ষপথ পর্যন্ত বহন করেছে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রকেট কাসেদ বা বার্তাবাহক। আইআরজিসি'র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ইরানের এই প্রথম সামরিক উপগ্রহটি উৎক্ষেপণ করা হয়।

জেনারেল হাজিজাদেহ আরও জানান,  রাজধানী তেহরান এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর জাহেদান এবং চবাহারের কেন্দ্রে 'নুরের' পাঠান সংকেত ধারণ করেছে। কক্ষপথে স্থাপনের পরই 'নুর' সংকেত পাঠাতে শুরু করে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাতে 'নুর' থেকে পাঠান সর্বশেষ সংকেত ধারণ করা গেছে।

তিনি জানান, 'নুর'এ স্থাপিত সব ব্যবস্থা চালু হতে আরও কয়েকদিন লাগবে এবং এরপরই এটি  পুরোমাত্রায় তৎপরতা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করবে। ইরানের বেসামরিক ও সামরিক ক্ষেত্রে মহাকাশ প্রযুক্তির গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন তিনি।  ইরানে উপগ্রহ প্রযুক্তির বিকাশকে একটি মহা প্রকল্প হিসেব গ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বড় ধরণের উন্নয়নের মাধ্যমে  এ সফলতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। 

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির-আলী হাজিজাদেহ

কৃত্রিম উপগ্রহ নিয়ে আইআরজিসি'র ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি জানান,  অদূর ভবিষ্যৎ  উপগ্রহকে আরও উচ্চতর কক্ষপথে স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে আইআরজিসি। আইআরজিসি'র ভবিষ্যৎ উপগ্রহের কর্মতৎপরতাও আরও ভালো হবে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।  

তিনি জানান, নুরকে বহনকারী রকেট কাসেদে ইরানের বর্তমান ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের তরল জ্বালানীচালিত ক্ষেপণাস্ত্র ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে।  কিন্তু ভবিষ্যতের উপগ্রহ বহনকারী রকেটের ইঞ্জিন কঠিন জ্বালানীর হবে।  কাসেদের দেহকাঠামো নির্মাণে যৌগিক উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, এতে অত্যাধুনিক রকেটটির ওজন হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে।।

'নুর'এর যোগাযোগ ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার পুরো নকশা প্রণয়ন এবং  নির্মাণে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।#

পার্সটুডে/মূসা রেজা/২৪ 

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।