‘আইআরজিসি’র সামরিক উপগ্রহ উৎক্ষেপণে বিস্মিত হয়েছে আমেরিকা’
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i79433-আইআরজিসি’র_সামরিক_উপগ্রহ_উৎক্ষেপণে_বিস্মিত_হয়েছে_আমেরিকা’
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি সম্প্রতি যে সামগ্রিক উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করেছে তাতে আমেরিকা বিস্মিত হয়েছে। আইআরজিসি’র  মহাকাশ গবেষণা বিষয়ক অর্জন প্রমাণ করে যে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান তার প্রতিরক্ষা এজেন্ডা বাস্তবায়নে কতটা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
এপ্রিল ২৮, ২০২০ ১৪:১৫ Asia/Dhaka
  • নূর-১ কৃত্রিম উপগ্রহ
    নূর-১ কৃত্রিম উপগ্রহ

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি সম্প্রতি যে সামগ্রিক উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করেছে তাতে আমেরিকা বিস্মিত হয়েছে। আইআরজিসি’র  মহাকাশ গবেষণা বিষয়ক অর্জন প্রমাণ করে যে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান তার প্রতিরক্ষা এজেন্ডা বাস্তবায়নে কতটা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

গতকাল (সোমবার) ইরাকের প্রখ্যাত সাংবাদিক নাজাহ মোহাম্মদ আলী দেশটির বেলাদি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ বক্তব্য দিয়েছেন। নাজাহ মোহাম্মদ আলী হচ্ছেন ইরান বিষয়ক একজন বিশেষজ্ঞ।

গত সপ্তাহে আইআরজিসি সফলভাবে নূর-১ নামে একটি সামরিক উপগ্রহ পৃথিবীর কক্ষ পথে স্থাপন করেছে এবং স্যাটেলাইট থেকে এরইমধ্যে সিগন্যাল আসতে শুরু করেছে।

সামরিক উপগ্রহ উৎক্ষেপণ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ আলী আরো বলেন, এ ঘটনায় প্রমাণ হচ্ছে যে, ইরানের কাছে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করার প্রযুক্তি রয়েছে যা ৫,৫০০ কিলোমিটার মিটার পর্যন্ত দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।

নাজাহ মোহাম্মদ আলী বলেন, ইরান যে ক্ষেপণাস্ত্র মহাকাশে পাঠিয়েছে তা সাধারণ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে নয় বরং ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং আমেরিকার উপর দিয়ে পরিভ্রমণ করতে পারবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রচুর পরিমাণে তথ্য সংগ্রহ করে তা সুনির্দিষ্ট কেন্দ্রে পাঠাবে। মোহাম্মদ আলী বলেন, সামরিক উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানোর মাধ্যমে ইরান সেইসব দেশের কাছে সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যারা মনে করে ইরান একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞা এবং করোনাভাইরাসের মহামারী মোকাবেলা করতে পারবে না।

তিনি বলেন, কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়ে ইরান এ কথা বলতে চেয়েছে যে, যেকোন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় ইরান প্রস্তুত এবং তার নিজস্ব প্রতিরক্ষা কৌশল এগিয়ে নেবে। ইরাকি সাংবাদিক আরো বলেন, ইরান হচ্ছে দৃঢ় প্রত্যয় ও ইচ্ছার সফলতম উদাহরণ।#

পার্সটুডে/এসআইবি/২৮