ইরানের জন্য দুর্গের ভূমিকা পালন করেছে পূর্ব আজারবাইজান: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i87528-ইরানের_জন্য_দুর্গের_ভূমিকা_পালন_করেছে_পূর্ব_আজারবাইজান_ইরানের_সর্বোচ্চ_নেতা
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী পরমাণু সমঝোতা ও রাষ্ট্রীয় নীতি প্রসঙ্গে বলেছেন, অপর পক্ষ যদি বাস্তব পদক্ষেপ নেয় তাহলে আমরাও পদক্ষেপ নেব। এবার আমরা তাদের কথা ও প্রতিশ্রুতি শুনে কাজ করব না। তিনি আরও বলেন- আমরা কথা ও প্রতিশ্রুতি অনেক শুনেছি, তাদেরকে কথা ও প্রতিশ্রুতির উল্টো কাজ করতেও দেখেছি। ফলে আমরা এবার দেখব তারা কী কাজ করলো, এবার তাদের কাজ ও পদক্ষেপ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
(last modified 2026-02-17T13:30:44+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১ ১৪:৪৬ Asia/Dhaka

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী পরমাণু সমঝোতা ও রাষ্ট্রীয় নীতি প্রসঙ্গে বলেছেন, অপর পক্ষ যদি বাস্তব পদক্ষেপ নেয় তাহলে আমরাও পদক্ষেপ নেব। এবার আমরা তাদের কথা ও প্রতিশ্রুতি শুনে কাজ করব না। তিনি আরও বলেন- আমরা কথা ও প্রতিশ্রুতি অনেক শুনেছি, তাদেরকে কথা ও প্রতিশ্রুতির উল্টো কাজ করতেও দেখেছি। ফলে আমরা এবার দেখব তারা কী কাজ করলো, এবার তাদের কাজ ও পদক্ষেপ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আজ (বুধবার) ইরানের পূর্ব আজারবাইজানের তাবরিজ শহরের ঐতিহাসিক গণজাগরণ দিবস উপলক্ষে সেখানকার জনগণের সঙ্গে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশ প্রসঙ্গে বলেন, বিদেশি শত্রু এবং বিচ্ছিন্নতাবাদের মোকাবেলায় আজারবাইজান সব সময় দুর্গের ভূমিকা পালন করেছে।

তিনি আরও বলেছেন, পূর্ব আজারবাইজান সব সময় বিদেশি শত্রুদের হামলার মোকাবেলায় দৃঢ় ও শক্তিশালী দুর্গের কাজ করেছে, সেটা আগ্রাসী প্রতিবেশীর হামলা মোকাবেলার ক্ষেত্রেই বলুন, আর জারদের শাসনামলের রাশিয়া, সাবেক ওসমানীয় সাম্রাজ্য ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সময়ের কথাই বলুন, সব সময় আমাদেরকে হামলা মোকাবেলা করতে হয়েছে।

আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেন, যদি আজারবাইজান না থাকতো, তাবরিজ না থাকতো, প্রতিরোধ ও দৃঢ়তা না থাকতো এবং সেখানকার মানুষ আত্মত্যাগ না করতো তাহলে হয়তো হামলাকারীরা দেশের মধ্যাঞ্চলে পৌঁছে যেত। কিন্তু আজারবাইজান সব সময় দৃঢ়তার সঙ্গে এসব হামলা ঠেকিয়ে দিয়েছে।

তিনি আজারবাইজান অঞ্চলের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের কথা তুলে ধরে বলেন, আজারবাইজান ও তাবরিজের দু’টি স্থায়ী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর একটি হলো-ইসলাম ধর্মের প্রতি প্রবল টান ও আকর্ষণ। আর দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- ইরানের জন্য সব সময় সাহসিকতা ও ত্যাগের মহিমার নজির সৃষ্টি। বারবারই তাদের এই বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী শত্রুদের ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় সব সময় ঐক্য ধরে রেখেছে।

ইরানের মানবাধিকার, ক্ষেপণাস্ত্র, আঞ্চলিক প্রভাব ও পরমাণু ইস্যু সম্পর্কে পাশ্চাত্যের নানা সমালোচনাকে তিনি অজুহাত হিসেবে উল্লেখ করেন।  

এ সময় সর্বোচ্চ নেতা পবিত্র রজব মাসের শুভেচ্ছা জানিয়ে সবাইকে এই বরকতময় মাস থেকে লাভবান হওয়ার আহ্বান জানান।#

পার্সটুডে/এসএ/১৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।