শ্রোতাদের মতামত
রেডিও তেহরানের কয়েকটি অনুষ্ঠান সম্পর্কে অভিমত
প্রিয়জন সমীপেষু, প্রথমেই চলতি ফার্সি নববর্ষ নওরোজ-এর অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই আপনাদের সবাইকে। সেইসাথে রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগের সমস্ত কথাবন্ধুকে জানাই শুভ কামনা।
আমি রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান প্রতিদিনই শুনি তবে চিঠিপত্র খুব একটা লেখা হয় না। রেডিও তেহরানের সকল অনুষ্ঠান আমার খুব ভালো লাগে। তবে চিঠিপত্রের আসর প্রিয়জন, স্বাস্থ্যকথা, রংধনু আসর - এগুলো বেশি ভালো লাগে।
৯ এপ্রিল তারিখের বাংলা অনুষ্ঠান শুনলাম। ‘রমজান: আত্মশুদ্ধির মহোৎসব’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের সপ্তম পর্ব থেকে অনেক কিছু জ্ঞাত হলাম যা মনকে স্নিগ্ধ করল। এদিনের কথা-বার্তা অনুষ্ঠানে ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে অনেক আলোচনা করা হলো যা সত্যি আমার খুব ভালো লেগেছে। এছাড়া প্রান্তিক আয়োজনে প্রচারিত "ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস" অনুষ্ঠানটি সত্যিই এক বেদনাদায়ক ইতিহাস যা মনকে পীড়া দেয়। এই অনুষ্ঠানে আলোচনায় জানতে পারলাম ইরাক ইরানের প্রায় ৫ লক্ষ খেজুর গাছ কেটে ফেলেছিল। একজন গাছপ্রেমী হিসেবে ঘটনাটা আমার হৃদয়ে গভীর বেদনার সঞ্চার করেছে। কোনো যুদ্ধই আমাদের অভিপ্রেত নয়। কোনো মৃত্যুই আমাদের অভিপ্রেত নয়। মানুষ হিসেবে একটাই প্রার্থনা এই বিশ্বে সদা শান্তি বিরাজ করুক।
পরিশেষে আসন্ন পয়লা বৈশাখ তথা বাংলা নববর্ষের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানিয়ে শেষ করছি।
আপনাদের একজন পুরাতন শ্রোতা বন্ধু-
কুমার শংকর অধিকারী
কৃষ্ণনগর, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৩