রেডিও তেহরান: সত্য ও ন্যায়ের কণ্ঠস্বর
https://parstoday.ir/bn/news/letter-i106758-রেডিও_তেহরান_সত্য_ও_ন্যায়ের_কণ্ঠস্বর
“ইরানের ইসলামি বিপ্লবের রূপকার মরহুম ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর জীবন, ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্ব, জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা আমাকে মুগ্ধ-আকৃষ্ট করে তোলে। এরই ফলশ্রুতিতে রেডিও তেহরানের গুণমুগ্ধ শ্রোতায় পরিণত হই। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনা, সমসাময়িক ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ, মজলুম মুসলমানদের কণ্ঠস্বর ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রচার মাধ্যম হিসেবে আমার প্রিয় বেতার কেন্দ্র রেডিও তেহরান।"
(last modified 2026-04-22T07:21:27+00:00 )
এপ্রিল ১৭, ২০২২ ০৭:৩৮ Asia/Dhaka
  • রেডিও তেহরান: সত্য ও ন্যায়ের কণ্ঠস্বর

“ইরানের ইসলামি বিপ্লবের রূপকার মরহুম ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর জীবন, ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্ব, জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা আমাকে মুগ্ধ-আকৃষ্ট করে তোলে। এরই ফলশ্রুতিতে রেডিও তেহরানের গুণমুগ্ধ শ্রোতায় পরিণত হই। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনা, সমসাময়িক ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ, মজলুম মুসলমানদের কণ্ঠস্বর ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রচার মাধ্যম হিসেবে আমার প্রিয় বেতার কেন্দ্র রেডিও তেহরান।"

ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থার (আইআরআইবি) বাংলা অনুষ্ঠান অর্থাৎ রেডিও তেহরান সম্পর্কে এ মূল্যায়ন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার শ্রোতা মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের। এ বেতার সম্পর্কে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানার জগন্নাথদী গ্রামের শ্রোতা গোলাম সারোয়ারের মন্তব্য এরকম:

“রেডিও তেহরান একটি ইসলামী প্রচার মাধ্যম। এই বেতারকে নিয়ে আমি খুব গর্ববোধ করি। রেডিও তেহরান আমার জীবনের একটি অংশ। বস্তুনিষ্ঠতা, সততা, সাহসিকতা, নিষ্ঠা এবং অনুষ্ঠান প্রচারের নৈপুণ্যতা রেডিও তেহরানকে বিশ্ব দরবারে শীর্ষস্থানীয় ইসলামী প্রচার মাধ্যম হিসেবে পরিচিতি লাভ করিয়েছে। রেডিও তেহরান ইসলাম বিরোধী শক্তিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে টিকে থাক আর এগিয়ে যাক লক্ষ্যপানে এই প্রত্যাশা অনুক্ষণ।”

জামালপুরের মাদারগঞ্জের শ্রোতা হারুন অর রশীদের মতে, রেডিও তেহরান সত্য, সততা ও সুন্দরের কথা বলে, মজলুমের পক্ষে কথা বলে। ন্যায়, নীতি, আদর্শ ও বিচক্ষণতার অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

শুধু এ শ্রোতাবন্ধুরা নন, রেডিও তেহরান সম্পর্কে এমন ইতিবাচক মন্তব্য বাংলাদেশ ও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত অগণিত বাংলাভাষী শ্রোতার।

রেডিও তেহরান জনপ্রিয় হওয়ার কারণ

‘সত্য ও ন্যায়ের কণ্ঠস্বর’ হিসেবে পরিচিত রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগ ১৯৮২ সালের ১৭ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে। নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ট সংবাদের কারণে এ বেতারের গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই। ইরান-ইরাক যুদ্ধ, পারস্য উপসাগরীয় যুদ্ধ, বসনিয়ার যুদ্ধ, ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন আগ্রসন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনে মার্কিন মদদপুষ্ট আগ্রাসন এবং ফিলিস্তিন, লেবানন, কাশ্মির, আরাকানসহ নির্যাতিত মুসলিম জনপদের খবর অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করায় এ বেতারের জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাঠক-শ্রোতারা মনে করেন রেডিও তেহরান হচ্ছে ‘মজলুম মানুষের কণ্ঠস্বর’।

বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদের মোকাবিলায় রেডিও তেহরানের সক্রিয় তৎপরতা শ্রোতা ও পাঠক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। আমেরিকা-ব্রিটেন-ইসরাইল ও তাদের মিত্রদের অপকর্ম, ইসলামবিদ্বেষী তৎপরতার খবর সাহসিকতার সঙ্গে প্রচার করে রেডিও তেহরান। মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বশান্তির পক্ষে প্রচারণা চালায় এ বেতার। ইরানসহ মুসলিম বিশ্বের বিশ্বের শত্রুদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কেও মানুষকে সচেতন করে ইরানের এই গণমাধ্যম। এসব কারণে পাঠক-শ্রোতারা এ বেতারের প্রতি আস্থাশীল।

এ প্রসঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার বিশিষ্ট হোমিও চিকিৎসক ডা. সাহানা হাসান এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠান আমার খুব ভালো লাগে। বহু বছর ধরে এ বেতারের বাংলা অনুষ্ঠান শুনছি। রেডিও তেহরান আমার কাছে ওষুধের মতো। এ থেকে কার্যত খাবার পাই।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরের শ্রোতা মোঃ নজরুল ইসলাম বলেছেন,হলুদ সাংবাদিকতা, প্রতিবেদকের এক পেশে মনোভাব, রাজনৈতিক চাপ ও পরিবেশের প্রভাবের কারণে একটা গণমাধ্যম শ্রোতা তথা বিশ্বকে বিভ্রান্তির ধুম্রজালে নিপতিত করতে পারে। সেই বিচারে রেডিও তেহরান তার ব্যতিক্রম। এটা বিমাতাসুলভ আচরণ ত্যাগ করে, জীবন গড়ার মানসে, কুরআন-হাদীসের তথ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে জাতি গঠনে এক অনন্য অবদান রেখে চলেছে।

রেডিও তেহরানের স্টুডিওতে মুহাম্মদ আশরাফুর রহমান

বাংলাদেশে পশ্চিমা গণমাধ্যমের মোকাবিলায় রেডিও তেহরানের সাফল্য

বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সাধারণত পশ্চিমা গণমাধ্যমের খবরাখবর অনুবাদ করে প্রকাশ ও প্রচার করা হয়। আর পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ইরান ও ইসলামবিরোধী সংবাদ প্রচার করে। সে কারণে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত গণমাধ্যমের খবর পড়ে পাঠকরা অনেক সময় বিভ্রান্তিতে পড়েন। তবে রেডিও তেহরান পাঠকদের বিভ্রান্তি নিরসনে কাজ করে। পাঠক-শ্রোতারাও খবরগুলো দেখার পর রেডিও তেহরানের ওয়েবসাইট পার্সটুডে ভিজিট করে প্রকৃত সত্য জানতে পারেন। এছাড়া, অনেকেই রেডিও তেহরানের সঙ্গে টেলিফোন, ইমেইল কিংবা সামাজিক মাধ্যমগুলোতে যোগাযোগ করে সঠিক তথ্য পেয়ে থাকেন। এভাবে বিগত ৪০ বছর ধরে রেডিও তেহরান ইরানের একমাত্র মিডিয়া হিসেবে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে তৎপরতা চালিয়ে ইরান সম্পর্কে সমস্ত অপপ্রচার রুখে দিতে চেষ্টা করেছে।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিশিষ্ট ডিএক্সার মোঃ শাহাদত হোসেন বলেছেন, পাশ্চাত্যের মিডিয়াগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ ও ইসরাইলকে অনেক বড় করে তুলে ধরে। অথচ এসব দেশ মিথ্যা অজুহাতে অথবা বিনা অজুহাতে ইরাক, ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, লেবানন, সিরিয়াসহ বিশ্বের বহু দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে, হত্যা করছে। কিন্তু এসব কথা পাশ্চাত্যের মিডিয়াগুলো বলে না, তাই আমাদের মিডিয়াতেও সেসব খবর তেমন একটা আসে না। তবে রেডিও তেহরান আমাদেরকে ঠিকই এসব বস্তুনিষ্ঠ খবর জানিয়ে যাচ্ছে। মূলত  পাশ্চাত্যের মিডিয়াগুলোর অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে যাচ্ছে রেডিও তেহরান।

রেডিও তেহরানের শ্রোতাবান্ধব কর্মসূচি

বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক বাংলা বেতার যখন শর্টওয়েভে সম্প্রচার বন্ধের সাথে সাথে শ্রোতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে তখন রেডিও তেহরান নবউদ্যোমে শ্রোতাবান্ধব কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। শ্রোতাদের চাহিদা ও আগ্রহের কথা বিবেচনা করে কুইজ প্রতিযোগিতা, মাসিক শ্রেষ্ঠ শ্রোতা প্রতিযোগিতা, বার্ষিক শ্রেষ্ঠ শ্রোতা, শ্রেষ্ঠ শ্রোতা ক্লাব, সর্বাধিক শেয়ারার, রেডিও তেহরান সহযোগী প্রভৃতি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। এতে করে শ্রোতারা সক্রিয় হয়ে উঠেছেন এবং নিয়মিত চিঠি লিখছেন। শ্রোতাদের প্রত্যেকটি মতামতকে গুরুত্বের সাথে প্রিয়জন অনুষ্ঠানে সম্প্রচার এবং বাছাই করা মতামতগুলোকে পার্সটুডে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার মাধ্যমে একজন শ্রোতাকে যথাযথভাবে সম্মান ও মর্যাদা প্রদান করেছে রেডিও তেহরান।

শ্রবণমান রিপোর্টের জন্য ই-কিউএসএল কার্ড প্রদান, বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে ইমেইল ও ডাকযোগে শুভেচ্ছা কার্ড প্রদান, শ্রোতা সমাবেশও সবার নজর কেড়েছে। শুধু তাই নয়, ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপ ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শ্রোতাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে যা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। এছাড়া, আইআরআইবি ফ্যান ক্লাব গঠনের মাধ্যমে শ্রোতাদের কাছে যাওয়ার পদক্ষেপটি সাড়া ফেলেছে।

রেডিও তেহরান পরিচিতি

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা (আইআরআইবি) বর্তমান বিশ্বের বৃহৎ, শক্তিশালী ও জনপ্রিয় গণমাধ্যমগুলোর অন্যতম। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে এটি সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম। ১৯৪০ সালে সারা ইরানে রেডিও অনুষ্ঠান সম্প্রচারের মাধ্যমে আইআরআইবি’র কার্যক্রম শুরু হয়। ইরানে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান প্রথম সম্প্রচার হয় ১৯৫৮ সালে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর নতুন নতুন রেডিও ও টিভি কেন্দ্র চালু করা হয়। বর্তমানে আইআরআইবি’র অধীনে ২০টি জাতীয়, ৩০টি প্রাদেশিক এবং ৫টি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলে অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্প্রচারিত হয়। এছাড়া, ১৪টি রেডিও স্টেশনের মাধ্যমে সারাদেশে অনুষ্ঠান প্রচার করা হয় এবং বিশ্ব কার্যক্রমের অধীনে অন্তত ৩০টি ভাষায় সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়।

আইআরআইবি'র বিশ্ব কার্যক্রমের বাংলা অনুষ্ঠানের সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৮২ সালের ১৭ এপ্রিল। শুরুতে ৩০ মিনিট অনুষ্ঠান সম্প্রচার হতো। বর্তমানে প্রতিদিন এক ঘণ্টার সান্ধ্য অধিবেশন ও আধাঘণ্টার নৈশ অধিবেশন সম্প্রচারিত হয়। মধ্যপ্রাচ্যের শ্রোতাদের জন্য সান্ধ্য অধিবেশন পরের দিন পুনঃপ্রচার করা হয়।

রেডিও তেহরানের লক্ষ্য

বিশ্বে কখন, কোথায়, কী ঘটছে তার বস্তুনিষ্ঠ চিত্র তুলে ধরা হয় এ বেতারে। ভারত উপমহাদেশ, ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিপ্লবী ও মজলুম জাতিগুলোর বিরুদ্ধে দাম্ভিক শক্তিগুলোর নানা ষড়যন্ত্র ও তাদের সুখ-দুঃখ এবং উন্নয়ন ও অগ্রগতির খবর সম্প্রচার করা হয় রেডিও তেহরানে।

রেডিও তেহরানকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে ভারতের আসামের বড়পেটা জেলার কান্দুলিয়ার সিনিয়র শ্রোতা আব্দুস সালাম সিদ্দিক লিখেছেন, বিশ্বে যতগুলো শর্টওয়েভ বেতার কেন্দ্র ও গণমাধ্যম থেকে বাংলা ভাষায় বিশ্বসংবাদ পরিবেশন হয় তাঁর মধ্যে রেডিও তেহরানের সংবাদকে নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ মনে হয়। এ বেতারটি সত্যের উপর আধারিত; কোনো গোষ্ঠী ও শক্তির প্রভাব মুক্ত থেকে প্রকৃত সত্যকে তুলে ধরার চেষ্টা করে। রেডিও তেহরান সাম্রাজ্যবাদী, পুঁজিবাদী ও যায়নবাদী অপশক্তিগুলোর রাঙা চক্ষুকে ভয় না পেয়ে প্রকৃত সত্য তুলে ধরার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এক কথায়- রেডিও তেহরান মুক ও মজলুম জনতার কণ্ঠস্বর, প্রকৃত সত্য প্রচারক, ইসলামী দুনিয়ার খবর প্রচারের অগ্রদূত ও সেতুবন্ধন, ধর্ম, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবীয় চিন্তা চেতনার পাঠশালা হিসেবে সবার অন্তরে স্থান করে নিয়েছে।

রেডিও তেহরানের ওয়েবসাইট

রেডিও তেহরানের অনলাইন সংস্করণ 'পার্সটুডে ডটকম', আইআরআইবি’র বিশ্ব কার্যক্রমের প্রায় ৮০ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে মূলধারার গণমাধ্যম হিসেবে কাজ শুরু করেছে। 'পার্সটুডে' প্রতি মুহূর্তে বাংলাসহ বিশ্বের অন্তত ৩০টি ভাষায় চলমান ঘটনাপ্রবাহের খবর অনলাইনে তুলে ধরছে। 'পার্সটুডে' যেসব ভাষায় খবর ও অনুষ্ঠান প্রকাশ এবং সম্প্রচার করছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- বাংলা, হিন্দি, উর্দু, পশতু, আলবেনীয়, আরবি, আর্মেনীয়, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, হৌসা, হিব্রু, ইন্দোনেশিয়, ইতালীয়, জাপানি, কাজাকি, সাওয়াহেলি, পর্তুগালি, রুশ, স্প্যানিশ ও তুর্কি।

উইকিপিডিয়া লিখেছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ঘটনাপ্রবাহে ইরানের প্রভাবশালী ভূমিকা থাকার কারণে মূলধারার একটি গণমাধ্যম হিসেবে পার্সটুডে'র গুরুত্ব অনেক গুণ বেড়ে গেছে। 'পার্সটুডে বাংলা' রাজনৈতিক খবর ও সংবাদ বিশ্লেষণের পাশাপাশি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের খবরাখবর ও প্রবন্ধ-নিবন্ধ প্রকাশ করে আসছে। সম্ভবত এসব কারণেই পার্সটুডে বাংলা ওয়েবসাইট ভিজিটরের সংখ্যার দিক থেকে আইআরআইবি’র সবগুলো ওয়েবসাইটের মধ্যে কয়েক বছর ধরে শীর্ষে অবস্থান করছে।

শ্রোতাদের প্রত্যাশা

রেডিও তেহরান বর্তমানে শর্টওয়েভের পাশাপাশি ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ইউটিউব ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে প্রচার করা হলেও পাঠক শ্রোতারা চান- এ বেতারের অনুষ্ঠানগুলো এফএম-এ সম্প্রচার হোক। কারণ শর্টওয়েভে অনুষ্ঠানের শ্রবণমান সব সময় ভালো থাকে না। শ্রোতারা অনুষ্ঠান শোনার পাশাপাশি দেখতেও চান। তাই অনেকেই ভিজ্যুয়াল পরিবেশনার ওপর জোর দিয়েছেন। তারা ডাকযোগে নিয়মিত চিঠিপত্র ও উপহারসামগ্রীও পেতে চান। শ্রোতাদের এসব প্রত্যাশা পূরণে আইআরআইবি কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।#

লেখক: মুহাম্মদ আশরাফুর রহমান: রেডিও তেহরানের সিনিয়র সাংবাদিক এবং প্রিয়জন ও রংধনু আসরের প্রযোজক।

পার্সটুডে/এআর/১৭