শ্রোতাদের মতামত
যে কারণে আমি রেডিও তেহরান শুনি
শুরুতে রেডিও তেহরান বাংলা পরিবারের সকলকে অকৃত্রিম শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানাই। আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন।
অজানাকে জানার আগ্রহ মানুষের সহজাত ব্যাপার। বই পড়ে যেটুকু জানা যায়, তার থেকেও অধিক জ্ঞান আরোহন করা যায় দেশ-বিদেশের বেতারানুষ্ঠান নিয়মিত শ্রবণ করলে। শ্রোতাদের অনেকের পক্ষে দেশ, বিদেশ সফর করা ঘুমে মধ্যে স্বপ্ন দেখার মতো। তাই আমি বেছে নিয়েছি যতটা সম্ভব বিভিন্ন দেশের বেতার থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠান নিয়মিত শোনার। তারই ফলশ্রুতি তেহরান বেতার শোনা।
আশি ও নব্বই দশকে নিয়মিত রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান শুনতাম। মাঝে কয়েক বছর অনুষ্ঠান শোনায় ছেদ পড়ে। মুর্শিদাবাদের নাজিম ভাইয়ের কাছে রেডিও তেহরান সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আবার শুরু করেছি নিয়মিত শোনা।
আমার প্রিয় অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাত, কথাবার্তা, রংধনু, জ্ঞান-বিজ্ঞানে ইরানিদের অবদান, স্বাস্থ্যকথা, কুরআনের আলো, ইরান ভ্রমণ, দর্পন প্রভৃতি। আমি এখন অনলাইনে অনুষ্ঠান শুনি। অসুবিধা হয় মাঝে মধ্যে। কেননা, অনুষ্ঠানে সিগন্যাল থাকে না। আর শর্টওয়েভের সিগন্যালও ভালো নয়।
পরিশেষে অনুরোধ- ইরানকে জানার জন্য সে দেশের সংস্কৃতি, ইতিহাস, বিজ্ঞান, সাহিত্য সম্পর্কে পর্যায়ক্রমে বিস্তারিত জানতে চাই। ভালো ভালো অনুষ্ঠান প্রচার করলে শ্রোতা সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। আর কিছু শ্রোতা আছেন যারা মোবাইলে শুনতে সক্ষম নন, তাদের জন্য শর্টওয়েভের অনুষ্ঠান কার্যকরী। তবে শ্রবণমান উন্নত করার প্রয়োজন আছে।
যদি সম্ভব হয় অনুষ্ঠান সূচি, স্টেশন ফ্ল্যাগ (Penant) ডাকযোগে পাঠাবেন। তেহরান শ্রোতা পরিবারের সকলকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
অজয় কুমার সরকার
হাটুদেওয়ান নাগেরপাড়া. ডাক: বর্ধমান
জেলা: পূর্ব বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৬
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।